ইনিংস ডিক্লেয়ার দিয়ে প্রথম ওভারেই বাংলাদেশের উইকেট উদযাপন
-
1
কুশল ম্যান্ডিসের ব্যাটিং তাণ্ডবে শ্রীলঙ্কার স্বান্তনার জয়, সিরিজ পাকিস্তানের
-
2
জোহানেসবার্গ সুপার কিংসের পেস বোলিং কোচ হচ্ছেন অ্যালান ডোনাল্ড
-
3
ভারতের বিপক্ষে জয় পেয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
-
4
৮ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করল অস্ট্রেলিয়া
-
5
জেপি ডুমিনির ঝড়ো ইনিংসে বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা
ইনিংস ডিক্লেয়ার দিয়ে প্রথম ওভারেই বাংলাদেশের উইকেট উদযাপন
ইনিংস ডিক্লেয়ার দিয়ে প্রথম ওভারেই বাংলাদেশের উইকেট উদযাপন
ওয়েস্ট ইন্ডিজে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ রান করেছে ২৫৩। সুযোগ ছিল আরও বেশি সময় ব্যাট করার, জাকের আলি, মাহিদুল অঙ্কনের ফিফটি ছোঁয়ার। তবে ৭ উইকেটে বাংলাদেশের রান যখন ২৫৩, ইনিংস ডিক্লেয়ার ঘোষণা করে দেন অধিনায়ক। এরপর বোলিংয়ে নেমে শুরুর ওভারেই বাজিমাত, হাসান মাহমুদ তুলে নিলেন উইন্ডিজ অধিনায়ক ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের উইকেট।
অ্যান্টিগার কুলিজ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ব্যাটিং প্রস্তুতি বেশ ভালো হয়েছে বলা যাবে না। কারণ আগের সব ম্যাচের মতো এদিনও ব্যর্থ হয় টাইগারদের টপ অর্ডার। তবে মিডল অর্ডারের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দুইশো ছাড়ে বাংলাদেশের রান যখন ২৫৩, ইনিংস ডিক্লেয়ার ঘোষণা করে বল করতে নামে বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে ছন্দে ছিলেন লিটন দাস, শাহাদাত হোসেন দিপু, জাকের আলি অনিক ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন।
বল হাতে নিয়ে শুরুর ওভারেই দলকে সাফল্য এনে দেন পেসার হাসান মাহমুদ। গুড লেন্থের ডেলিভারি সামলাতে ব্যর্থ ব্র্যাথওয়েট, ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল যায় উইকেটকিপার জাকের আলি অনিকের গ্লাভসে। উইন্ডিজ অধিনায়ক ডাক হয়ে ফেরত যান প্যাভিলিয়নে। এরপর অবশ্য খেলা হয় কেবল ১ ওভার। দিনের খেলা সমাপ্ত ঘোষণার আগে ২ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশের রান ১ উইকেটে ৫।
এখনও তারা বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে পিছিয়ে আছে ২৪৮ রানে, হাতে বাকি ৯ উইকেট।
লিটন দাস ৪ বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় ৩১ রান করে ইচ্ছাকৃতভাবে রিটায়ার্ড হয়ে ফেরত যান প্যাভিলিয়নে। ব্যাটিংয়ের সুযোগ করে দেন দুই তরুণ ব্যাটার জাকের আলি অনিক ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে। ব্যক্তিগত ৪৮ রানে জাকের আলি রিটায়ার্ড হলে ভাঙে অঙ্কনের সাথে গড়া ৮১ রানের জুটি। ৮৭ বলে ৪১ করে মাহিদুল অঙ্কনও হাটেন একই পথে।
১১ রানের বেশি করতে পারেননি অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে তাইজুল ইসলাম অপরাজিত থাকেন ১৫ রানে। তাসকিন আহমেদ ৭ রান করে উইকেট হারালে বাংলাদেশের ইনিংস আর দীর্ঘায়িত করা হয়নি।
