এলপিএলে তাওহীদের ক্যামিও ও সাকিবের মিতব্যয়ী বোলিং
-
1
ইশান ও তিলকের ঝড়ো হাফ-সেঞ্চুরি, জিম্বাবুয়েকে ৯০ রানে হারিয়ে ভারতের সিরিজ জয়
-
2
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন আবদুল্লাহ ফজল
-
3
অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন নাহিদ, দ্বিতীয় টেস্টে ফিরতে পারেন লিটন-শরিফুল
-
4
এলপিএল ছেড়ে দেশের টানে হাসান, লক্ষ্য এবার অস্ট্রেলিয়া টেস্ট
-
5
হজ ও হোপের দায়িত্বশীল ব্যাটিং প্রথম দিন শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ১৯৪-৩
এলপিএলে তাওহীদের ক্যামিও ও সাকিবের মিতব্যয়ী বোলিং
এলপিএলে তাওহীদের ক্যামিও ও সাকিবের মিতব্যয়ী বোলিং
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে ক্যান্ডি রয়্যালসের বিরুদ্ধে ৯৩ রানের বড় জয় পেয়েছে জাফনা কিংস। বাংলাদেশের দুই তারকা ক্রিকেটার তাওহীদ হৃদয় ও সাকিব আল হাসানের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে সহজেই ম্যাচ নিজেদের করে নেয় জাফনা।
ডাম্বুলার রাঙ্গিরি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় জাফনা কিংস। দুই ওপেনার কামিল মিশারা (৭৮) এবং অবিশকা ফার্নান্দোর (৬৬) সেঞ্চুরিভিত্তিক সূচনার পর ইনিংসের গতি বজায় রাখেন তিন নম্বরে নামা তাওহীদ হৃদয়। হৃদয় মাত্র ২১ বল খেলে ১৬৬.৬৭ স্ট্রাইক রেটে ৩৫ রানের একটি কার্যকরী ইনিংস উপহার দেন, যেখানে ছিল ২টি চার ও ১টি দর্শনীয় ছক্কার মার। হৃদয়ের এই ঝড়ো ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৯৯ রানের বড় সংগ্রহ তোলে জাফনা।
২০০ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জাফনা কিংসের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মুখে পড়ে রান চাপে পিষ্ট হয় ক্যান্ডি রয়্যালস। বাংলাদেশের পোস্টার বয় সাকিব আল হাসান বল হাতে অত্যন্ত আঁটসাঁট বোলিং করেন। ৩ ওভারের স্পেলে মাত্র ১৮ রান খরচ করে ১টি উইকেট শিকার করেন তিনি। সাকিবের পাশাপাশি মোহাম্মদ সিরাজ (৩/১৮) ও দুনিথ ওয়েলালাগের (৩/২১) স্পিন-পেসের যৌথ আক্রমণে ১৮.২ ওভারে মাত্র ১০৬ রানেই গুটিয়ে যায় ক্যান্ডির ইনিংস।
ক্যান্ডি রয়্যালসের পক্ষে লাহিরু উদারা একাই লড়াই করে ৪১ বলে ৫৪ রান করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২ রান আসে আফগান পেসার শাহীন আফ্রিদির ব্যাট থেকে।
৯৩ রানের বিশাল জয়ে পয়েন্ট টেবিলে সুবিধাজনক অবস্থায় পৌঁছেছে জাফনা কিংস। ৫৩ বলে ৭৮ রানের চোখধাঁধানো ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নেন জাফনার ওপেনার কামিল মিশারা।
