বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপের প্রস্তুতি হিসেবে ত্রিদেশীয় সিরিজকে দেখছেন লিটন

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 34 মিনিট আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপের প্রস্তুতি হিসেবে ত্রিদেশীয় সিরিজকে দেখছেন লিটন

বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপের প্রস্তুতি হিসেবে ত্রিদেশীয় সিরিজকে দেখছেন লিটন

বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপের প্রস্তুতি হিসেবে ত্রিদেশীয় সিরিজকে দেখছেন লিটন

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ত্রিদেশীয় সিরিজকে সামনে রেখে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আভাস দিলেন বাংলাদেশের নবনিযুক্ত ওয়ানডে অধিনায়ক লিটন দাস। ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং আসন্ন এশিয়া কাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসরের আগে এই সিরিজকে দল গোছানো ও চূড়ান্ত প্রস্তুতির মূল মঞ্চ হিসেবে দেখছেন তিনি।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে আয়োজিত ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে নিজের কৌশল, দলের মানসিকতা এবং উইকেটের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন লিটন দাস।

দলের প্রতি অধিনায়ক হিসেবে কী বার্তা দিচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে লিটন বলেন, ‘যা আগে হয়েছে সেগুলো মাথাতে রেখে প্রস্তুতি নিতে পারলেও সেভাবে চিন্তা করা যাবে না যে, আগেও খারাপ খেলেছি এখনও খারাপ খেলব। মাইন্ডসেট সবসময় ইতিবাচক থাকবে এবং আমরা চেষ্টা করব ইতিবাচক খেলার। সিনিয়ররা যারা আছি তারা যেন দায়িত্ব নিয়ে খেলতে পারে ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে। আমরা আগেরবার ৫০ ওভার খেলতে পারিনি, জিম্বাবুয়েতেও পারিনি। সেখানেই চেষ্টা থাকবে টপ অর্ডার থেকে যেন ব্যাটাররা দায়িত্ব নিয়ে খেলতে পারে।’

বাংলাদেশ স্কোয়াডের সক্ষমতা ও সামর্থ্য নিয়ে শতভাগ আশাবাদী লিটন দাস। তিনি মনে করেন, অভিজ্ঞ ও প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ ক্রিকেটারদের সঠিক সমন্বয়ে মাঠে নামলে যেকোনো প্রতিপক্ষকেই পরাস্ত করা সম্ভব। দল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে লিটন বলেন, 

‘অবশ্যই, এই দল অনেক ভালো সিরিজ খেলেছে। বিশেষ করে ঘরের মাঠে আমাদের খেলার প্যাটার্ন অনেক ভালো ছিল। এই দলে অনেক প্রতিভাবান প্লেয়ার আছে এবং সাথে যারা সিনিয়র আছি, আমরা যদি আমাদের সেরাটা খেলতে পারি সব কিছু করা সম্ভব।’

এর আগে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে লাল-সবুজের প্রতিনিধি হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা থাকলেও ওয়ানডেতে অধিনায়কত্বের দায়িত্বভার পুরোপুরি নতুন। তবে এই বাড়তি দায়িত্বকে কোনোভাবেই অতিরিক্ত চাপ হিসেবে নিচ্ছেন না তিনি। অধিনায়কত্ব করা কি বাড়তি চাপ এমন প্রশ্নের জবাবে এক কথায় লিটনের সংক্ষিপ্ত জবাব, ‘না বাড়তি চাপ নেই।’

সংযুক্ত আরব আমিরাতের উইকেট প্রসঙ্গে লিটন জানান, ‘না খুব একটা আলাদা হওয়ার কথা না। দেখার কারণ ছিল, কী ধরনের উইকেট হবে। আমার ধারণা ছিল মাঝের উইকেটে খেলা হবে। আশা করি ভালো উইকেট হবে এবং ব্যাট-বলের লড়াইয়ে সমান উইকেট হবে।‘