রবির দ্বিতীয় শতকে খেলাঘরের জয়
-
1
বিপিএলে ফিক্সিং নিষিদ্ধ চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক মালিক ও কর্মকর্তা
-
2
স্মৃতি ও সংহতির বার্তায় কাঠমান্ডু সফরে বাংলাদেশ
-
3
বিনা লড়াইয়ে এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ নারী দল
-
4
শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ইংল্যান্ডের সিরিজ জয়
-
5
অভিষেকের রেকর্ড সেঞ্চুরিতে আফগানিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশ করল ভারত
রবির দ্বিতীয় শতকে খেলাঘরের জয়
রবির দ্বিতীয় শতকে খেলাঘরের জয়
খেলাঘরের ওপেনার রবিউল ইসলাম রবি টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করেছেন আজকে। অপরদিকে শেখ জামালের অধিনায়ক আব্দুর রাজ্জাক তার স্পিন দিয়ে কুপোকাত করেছেন খেলাঘরের পাঁচ ব্যাটসম্যানকে। কিন্তু দিনশেষে জয় পেয়েছে সেঞ্চুরিয়ান রবির দল খেলাঘর। ২০ রানে শেখ জামালকে হারিয়েছে তারা।
এদিন সকালে বিকেএসপির চার নাম্বার মাঠে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নেয় খেলাঘরের অধিনায়ক নাফিস ইকবাল। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৬ রান সংগ্রহ করে তারা। উদ্বোধনী জুটিতে ৮৩ রান করে শুভ সূচনা এনে দেন খেলাঘরের দুই ওপেনার রবি এবং সালাউদ্দিন পাপ্পু। পাপ্পু ৪৬ রান করে ফিরে গেলেও লিস্ট এ ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতকের দেখা পান রবি। গত রাউন্ডেই ১০৭ রানের ইনিংস খেলার পর আজকে খেলেন ১০৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। ১২৬ বলে ১০ টি চার এবং দুটি ছয়ের সাহায্যে ইনিংসটি সাজান তিনি। দলপতি নাফিস ছিলেন ব্যর্থ আজকে। মাত্র ৩ রানে বিদায় নেন তিনি। চারে নামা অমিত মজুমদার খেলেন ৫৮ রানের কার্যকরী ইনিংস। অন্য ব্যাটসম্যানরা আর তেমন রান করতে না পারলে ২৬৬ রানেই থামে খেলাঘরের ইনিংস। শেখ জামালের হয়ে বল হাতে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছেন দলপতি আব্দুর রাজ্জাক। আজকে লিস্ট এ ক্যারিয়ারের নবম পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। ১০ ওভারে ৫২ রান খরচায় পাঁচ উইকেট তুলে নিয়েছেন রাজ্জাক। এছাড়া ইলিয়াস সানি দুটি এবং সোহাগ গাজি একটি উইকেট পান।
২৬৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ওভারের মধ্যেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে বিপদে পড়ে শেখ জামাল। ২২ রানেই ৩ উইকেট হারায় তারা। দলিয় ৭৫ রানে প্রশান্ত চোপরা ব্যক্তিগত ৪৪ রান করে ফিরে যান। এরপর রাজিন সালেহ এবং জিয়াউর রহমান মিলে গড়েন ১০৮ রানের জুটি। জিয়াউর ৬২ বলে ৭৫ রান করে রান আউটের শিকার হলেও রাজিন দলকে টেনে নিয়ে যান। কিন্তু দলিয় ২৪৩ রানে রাজিন সালেহ বিদায় নিলে শেষদিকের ব্যাটসম্যানরা দ্রুত সময়ে সাজঘরে ফেরেন। ১১৭ বলে পাঁচ চারের সাহায্যে ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন রাজিন। মাঝে ব্যক্তিগত ১০ রানে দলপতি আব্দুর রাজ্জাক রিটায়ার্ড হার্ট করেন। শেষ পর্যন্ত ২৪৬ রানে থামে শেখ জামালের ইনিংস। খেলাঘরের হয়ে চার উইকেট শিকার করেন তানভির ইসলাম। এছাড়াও একটি করে উইকেট নেন ডলার এবং মাসুম। ম্যাচসেরা হয়েছেন খেলাঘরের সেঞ্চুরিয়ান রবিউল ইসলাম রবি।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ
শেখ জামাল ২৬৬/৮ (৫০) রবিউল ইসলাম রবি ১০৩, অমিত মজুমদার ৫৮
রাজ্জাক ৫/৫২, ইলিয়াস সানি ৪১/২
খেলাঘর ২৪৬/৯ (৪৭.২) রাজিন সালেহ ৭৬, জিয়াউর রহমান ৭৫
তানভির ইসলাম ৪/৪১
