শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটে পরিবর্তনের হাওয়া, আইসিসির সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা
-
1
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ টেস্টে মুক্ত মানসিকতা নিয়ে খেলার আহ্বান অধিনায়ক বাবর আজমের
-
2
আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ
-
3
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার দল ঘোষনা, ফিরলেন ডি কক ও প্রোটোরিয়া
-
4
মোহাম্মদ নবীর বদলি হিসেবে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সে মিরাজ
-
5
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে শান্তদের সামনে ক্যারিবিয়ান পরীক্ষা, সূচি প্রকাশ বিসিবির
শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটে পরিবর্তনের হাওয়া, আইসিসির সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা
শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটে পরিবর্তনের হাওয়া, আইসিসির সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা
শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটে (এসএলসি) সরকার-সমর্থিত বড় পরিবর্তনের মধ্যেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির নতুন ট্রান্সফরমেশন কমিটি।
কমিটির সদস্য সিদাথ ওয়েট্টিমুনির মতে, আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজার সঙ্গে তাদের আলোচনা ছিল “সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গঠনমূলক”। গত কয়েকদিন শ্রীলঙ্কা সফরে ছিলেন খাজা। সফরকালে তিনি নতুন কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি দেশটির প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকের সঙ্গেও বৈঠক করেন।
দিসানায়েক সরকারের সিদ্ধান্তেই আগের বোর্ডকে সরিয়ে নতুন ট্রান্সফরমেশন কমিটি গঠন করা হয়। তবে অতীতে সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটকে শাস্তি দিয়েছিল আইসিসি। ২০২৩ সালে “অতিরিক্ত সরকারি হস্তক্ষেপের” অভিযোগে এসএলসিকে সাময়িক নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এর আগে ২০১৫ সালেও অন্তর্বর্তী কমিটি নিয়োগের ঘটনায় আর্থিক সহায়তা স্থগিত করেছিল আইসিসি।
তবে বর্তমান কমিটির দাবি, তাদের মূল লক্ষ্য হলো শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের পুরোনো ও অকার্যকর সংবিধান সংস্কার করা এবং পরে নির্বাচিত কর্মকর্তাদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা।
এখন পর্যন্ত এসএলসিতে প্রশাসনিক পরিবর্তন নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি আইসিসি।
গত ৩০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত নয় সদস্যের এই কমিটিতে আছেন শ্রীলঙ্কার সাবেক অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা, সিদাথ ওয়েট্টিমুনি ও রোশন মহানামার মতো সাবেক ক্রিকেটাররা। এছাড়া করপোরেট, আইন ও রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরাও রয়েছেন কমিটিতে। সাবেক সংসদ সদস্য এরান উইক্রমারত্নেকে করা হয়েছে চেয়ারম্যান।
কমিটির সদস্য ঘোষণার পর ওয়েট্টিমুনি বলেছিলেন, “আমাদের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য হলো এসএলসির প্রশাসনিক কাঠামোর পূর্ণ সংস্কার। নতুন সংবিধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে আধুনিক ও শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করাই হবে এই উদ্যোগের মূল অংশ।”
অন্যদিকে চেয়ারম্যান উইক্রমারত্নে জানিয়েছেন, মাঠের পারফরম্যান্সেও উন্নতি আনাই তাদের দ্বিতীয় প্রধান লক্ষ্য। তার ভাষায়, “জাতীয় দলগুলোর জন্য বিশ্বমানের অবকাঠামো, কাঠামো ও প্রণোদনা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দিকে আমরা গুরুত্ব দেব। আমাদের লক্ষ্য শ্রীলঙ্কাকে আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের শীর্ষ পর্যায়ে ফিরিয়ে নেওয়া।”
