পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে হারিয়ে বাংলাদেশের শুভসূচনা

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 2 ঘন্টা আগে আপডেট: 53 সেকেন্ড আগে
পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে হারিয়ে বাংলাদেশের শুভসূচনা

পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে হারিয়ে বাংলাদেশের শুভসূচনা

পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে হারিয়ে বাংলাদেশের শুভসূচনা

পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেটাররা। সফরকারী বাংলাদেশ দল সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাকিস্তান নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ৩০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে চমৎকার সূচনা করেছে। 

খেলার শুরুতেই টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। তবে শুরুতেই হোঁচট খেয়ে মাত্র ২ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারিয়ে দারুণ চাপে পড়ে যায় জুনিয়র টাইগ্রেসরা। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনে বিপর্যয় নেমে এলেও লোয়ার অর্ডার অসাধারণ দৃঢ়তা দেখান। শেষমেশ নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১১৭ রানের একটি সম্মানজনক ও লড়াই করার মতো পুঁজি গড়ে তোলে সফরকারীরা।

দলের এই ঘুরে দাঁড়ানোর মূল কারিগর ছিলেন সাদিয়া আক্তার। তিনি মাত্র ২৫ বলে ১টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে দৃষ্টিনন্দন ৩৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস উপহার দেন। তাকে দারুণ সঙ্গ দিয়ে নিশিতা আক্তার নিশি করেন ২৩ রান। এছাড়া কুমারী শ্রাবণীরানি ও সাদিয়া ইসলামের ব্যাটে জমা হয় মূল্যবান ১২টি করে রান। ইনিংসের একদম শেষ প্রান্তে এসে অদৃতা নওশিন মাত্র ২ বল মোকাবেলা করে ৬ রান তুলে দলকে তিন অঙ্কের ঘর ছাড়িয়ে নিতে সহায়তা করেন। 

পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে ২৪ রান খরচায় ৩টি উইকেট শিকার করে সফলতম বোলার হন মাহনূর জেব। জোড়া উইকেট লাভ করেন রোজিনা আখতার।

জবাব দিতে নেমে পাকিস্তানের ইনিংসের শুরুটা আশাব্যঞ্জক হলেও টাইগ্রেস বোলারদের সুনিয়ন্ত্রিত আক্রমণের মুখে তা স্থায়ী হতে পারেনি। পাকিস্তান নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ওপেনার রাভাইল ফারহান ১২ বলে ১৭ রান করে দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন এবং উইকেটকিপার কোমল খান ৩৯ বলে সর্বোচ্চ ২৯ রানের এক ধীরগতির সংগ্রাম চালান। 

কিন্তু প্রতিপক্ষের বোলিং লাইনাপের টানা আঁটসাঁট বোলিংয়ের কারণে স্বাগতিকদের প্রয়োজনীয় রানের গতি ক্রমশ নাগালের বাইরে চলে যায়। ফলস্বরূপ, জুফিশান আইয়াজের ১২ ও শেহার বানুর ৯ রানের লড়াই ব্যর্থ করে দিয়ে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ৮৭ রানেই আটকে যায় পাকিস্তান।

আফরিন মিম ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রানের বিনিময়ে তুলে নেন ১টি উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন ফারজানা ইসম ও অদৃতা নওশিন।