বোলারদের সাফল্যে অবশেষে জয়ের দেখা পেলো দক্ষিণ আফ্রিকা
97 Repoter: 97admin
Publish: messages.not_available Update: 48 minutes ago-
1
Masoods Century Fails to Save Pakistan as West Indies Take 155-Run Lead
-
2
Lahore Qalandars Lose by 53 Runs Despite Emons Fighting Knock in Global Super League
-
3
India Seal 3-0 T20I Series Sweep Over Zimbabwe as Vaibhav Suryavanshi Stars
-
4
sohans Explosive Cameo Powers Galle to a Dominant Victory
-
5
Bangladesh Emerging Team Leave for South Africa for Tri-Nation One-Day Series
বোলারদের সাফল্যে অবশেষে জয়ের দেখা পেলো দক্ষিণ আফ্রিকা
বোলারদের সাফল্যে অবশেষে জয়ের দেখা পেলো দক্ষিণ আফ্রিকা
লাঞ্চব্রেক! দু’দল মিলে খেলা হয়েছে ৪২.১ ওভার, দক্ষিণ আফ্রিকার তখন জয়ের জন্য প্রয়োজন মাত্র ৯৫ রান, হাতে ১০ উইকেট। হিসাবটা একটু গোলমেলে তাই না? হ্যা শুরুটাই যে এমন এক গোলমেলে যখন ২০ রানেই ইংল্যান্ড হারিয়ে বসে ৬টি উইকেট তখন এটাকে হাইলাইটসও বলা যায়। বোলারদের সাফল্যে খুব সহজে ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। লর্ডসে টসে জিতে সিরিজে একটি ম্যাচও জিততে না পারা দক্ষিণ আফ্রিকা ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়, এবং শুরুতেই রাবাদা আর পারনেল ঝড়ে লন্ড-ভন্ড ইংল্যান্ডের টপ অর্ডার। গুনে গুনে নামতা পড়ে যেনো উইকেট নিয়েছেন আফ্রিকার দুই উদ্বোধনী বোলার। ইনিংসের প্রথম ওভারেই কাগিসো বারাদার আউট সুইংগার বুঝতে না পেরে হাশিম আমলার হাতে ক্যাচ দিয়ে যখন জেসন রয় সাজঘরে ফেরেন তখন ইংল্যান্ডের রান মাত্র ৪। এর পরের ওভারেই পারনেলের আঘাত, এবার লেগ বিফোরের ফাঁদে ইংল্যান্ডের সেরা ব্যাটসম্যান জো রুট। এরপর মরগ্যান, হেলস, বাটলার, রাশিদ দ্রুত ফিরে গেলে স্কোর দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ২০ রান! সবচেয়ে কম রানে অল আউটের শঙ্কা উকি দিতে থাকে তখন। এরপরই জনি বেয়ারস্টোর প্রতিরোধ, প্রথমে ডেভিড উইলিকে সাথে নিয়ে গড়েন ৬২ রানের পার্টনারশিপ। দলীয় ৮২ রানে উইলির আউটের পর এই ম্যাচে বেন স্টোকসের পরিবর্তে অভিষেক হওয়া রোন্যাল্ড জোনসের সাথে গড়েন ৫১ রানের জুটি। বেয়ারস্টো যখন আউট হন তখন দলের রান ১৩৪ এবং ততোক্ষণে নিজের ক্যারিয়ারের চতুর্থ অর্ধশত তুলে নিয়েছেন। শেষ পর্যন্তু ইংল্যান্ড অল আউট হয় ১৫৩ রানে, কিন্তু তখনও পাঁচ চার আর এক ছয়ে ৩৭ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত এই ম্যাচেই অভিষিক্ত রোন্যাল্ড জোনস। কিছু চোখ ধাঁধানো শট আসে এই ব্যাটসম্যানের কাছ থেকে। রাবাদা নেন ৪টি উইকেট এবং পারনেল ও মাহারাজ ৩টি করে উইকেট লাভ করেন। ১৫৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে লাঞ্চের আগে ১১ ওভার ব্যাট করার সুযোগ পায় দক্ষিণ আফ্রিকা, এই সময়ে কোন উইকেট না হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৫৯ রান তুলতে সমর্থ্য হয় তারা। আমলা ২৯ ও ডি কক ২০ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। বিরতির পর খেলা শুরু হলে ক্লাসিকাল আমলার কিছু ক্যাসিকাল শট দেখতে পায় সবাই। ৫১ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন মিঃ জেন্টেলম্যান খ্যাত এই ব্যাটসম্যান। তার উইলো থেকে আসে ১১টি দৃষ্টিনন্দন চারের মার। এই রানের মাধ্যমে তিনি একদিবসীয় ম্যাচে দ্রুততম ৭০০০ রানের অনন্য রেকর্ড লেখান নিজের নামে। এই রান করতে তিনি খেলেছেন মাত্র ১৫০টি ইনিংস। আমলা যখন আউট হন তখন দলের রান ৯৫। এর পরের ওভারেই জ্যাক বলের ইয়োর্কারে বোল্ড হয়ে ফিরে যান ডি কক, তিনি করেন ৩৯ বলে ৩৪ রান। এরপর দলীয় ১০১ রানে আউট হন ফাফ ডু প্লেসিস। বাকি কাজ শেষ করেন জেপি ডুমিনি ও ডি ভিলিয়ার্স জুটি। বাকি ৫৩ রান দলের অভিজ্ঞ এই দুই ব্যাটসম্যান খুব সহজেই সেটা সংগ্রহ করেন। জেপি ডুমিনি ২৮* ও এবি ডি ভিলিয়ার্স অপরাজিত থাকেন ২৭* রানে। দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ জিতে নেয় ৭ উইকেটে। যদিও ইংল্যান্ড তিন ম্যাচের সিরিজ জিতে নিয়েছে ২-১ ব্যবধানে। সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ ইংল্যান্ডঃ ১৫৩/১০, বেয়ারস্টো-৫১, রোন্যাল্ড জোনস-৩৭*, উইলি-২৬, রাবাদা-৩৯/৪, পারনেল-৪৩/৩, মাহারাজ-২৫/৩ দক্ষিণ আফ্রিকাঃ ১৫৬/৩, আমলা-৫৫, ডি কক-৩৪, ডুমিনি-২৮*, ডি ভিলিয়ার্স-২৭*, জ্যাক বল-৪৩/২, রোন্যাল্ড জোনস-৩৪/১ প্লেয়ার অফ দ্যা ম্যাচ- কাগিসো রাবাদা (দক্ষিণ আফ্রিকা) ম্যান অফ দ্যা সিরিজ- ইয়োন মরগান (ইংল্যান্ড)
