ধোনী'র অভিজ্ঞতায় শেষ বলে নাটকীয় জয় রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টের

97 Repoter: 97admin

Publish: messages.not_available Update: 1 second ago
ধোনী'র অভিজ্ঞতায় শেষ বলে নাটকীয় জয় রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টের

ধোনী'র অভিজ্ঞতায় শেষ বলে নাটকীয় জয় রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টের

ধোনী'র অভিজ্ঞতায় শেষ বলে নাটকীয় জয় রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টের

শেষ ওভারে পুনের দরকার ১১ রান। ওভারের প্রথম বলেই পুনের ব্যাটসম্যান মনোজ তিওয়ারির শূন্যে ভাসিয়ে দেওয়া বল বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ ছাড়েন হায়দ্রবাদ এর রাশিদ খান। ক্রিজের অপরপ্রান্তে থাকা বিশ্বের অন্যতম ফিনিশার মাহেন্দ্র সিং ধোনী’র শেষ বলে এক্সট্রা কভার অঞ্চল দিয়ে বল সীমানা পার করার সাথে সাথেই পুনের টানা দ্বিতীয় জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট এসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে এদিন স্বাগতিক দর্শকদের সামনে টসে জিতে ফিল্ডিং এর সিদ্বান্ত নেন রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্ট এর অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। ইনিংসের শুরুতে দেখে শুনে ব্যাট করতে থাকেন হায়দ্রাবাদ এর দুই ওপেনার। উদ্বোধনী জুটি ভাঙ্গার আগে সানরাইজার্স হায়দ্রবাদ এর অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার এবং শিখর ধাওয়ান ৪৮ বলে তোলেন ৫৫ রান। এরপর উইলিয়ামসন এসে সঙ্গ দেন তার অধিনায়ক ওয়ার্নারকে। কিন্তু উইলিয়ামসন ও ১৪ বলে এক ছয় এবং এক চারের সাহায্যে ব্যক্তিগত ২১ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। এরপর অলরাউন্ডার হেনরিকস ক্রিজে এসে তার অধিনায়ককে নিয়ে রানের চাকা দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যায়। অধিনায়ক ওয়ার্নার পুনের বোলার উনাদকাট এর শিকার হওয়ার আগে ৪০ বলে ব্যক্তিগত ৪৩ রান করেন। কিন্তু একপ্রান্ত আগলে রেখে প্রায় দুশো স্ট্রাইক রেটে হেনরিকস তুলে নেন অর্ধশতক। ছয়টি বাউন্ডারি এবং দুটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে হেনরিকস ২৮ বলে ব্যক্তিগত ৫৫ রান করেন। হেনরিকস এবং হুদার ৪৭ রানের জুটিতে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ নির্ধারিত ২০ ওভারে স্কোর বোর্ডে তোলে ১৭৬ রান। ১৭৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে পুনের শুরুটা ভাল হয় নি। ইনিংসের ৩য় ওভারেই দলীয় ১৫ রানের মাথায় ওপেনার আজিঙ্কা রাহানেকে হারায় তারা। এরপর পুনের অধিনায়ক স্মিথ এবং আরেক ওপেনার ত্রিপাথির ৭২ রানের জুটিতে ভালো অবস্থানে চলে যায় পুনে। অধিনায়ক স্মিথ হায়দ্রবাদের বোলার রাশিদ খানের শিকার হয়ে ফিরে গেলেও ত্রিপাথি তুলে নেন অর্ধশতক। তিনি ৪১ বলে ৫৯ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন। এরপর স্বাগতিক দর্শকরা দেখেছেন ফিনিশার ধোনীকে। ৩৪ বলে পাঁচটি চার এবং তিনটি ছক্কার সাহায্যে ধোনীর ব্যাট থেকে আসে ৬১ রান। প্রথমে স্টোকস কে সাথে নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে গেলেও মনোজ তিওয়ারির সাথে ৫৮ রানের জুটি গড়ে পুনেকে জয়ের বন্দরে নিয়ে গিয়ে মাঠ ছাড়েন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফিনিশার ধোনী।