ফিক্সিংয়ে টালমাটাল পাকিস্তান ক্রিকেট
97 Repoter: 97admin
Publish: messages.not_available Update: 1 second ago-
1
Masoods Century Fails to Save Pakistan as West Indies Take 155-Run Lead
-
2
Kohli and Rohit should play the 2027 World Cup, says Zaheer Abbas
-
3
Ireland announce ODI squad for Afghanistan series, Jay Mundra earns maiden call-up
-
4
Ryan ten Doeschate Steps Down as Indias Assistant Coach After England Tour
-
5
Fayez Ullah Sihab Becomes the First Expatriate Bangladeshi to Play for the Qatar National Cricket Team
ফিক্সিংয়ে টালমাটাল পাকিস্তান ক্রিকেট
ফিক্সিংয়ে টালমাটাল পাকিস্তান ক্রিকেট
পাকিস্তান ক্রিকেট মানেই অমিত প্রতিভাধর কিছু খেলোয়াড় আর অনেকখানি অনিশ্চয়তা। ফিনিক্স পাখির মত তারা ধ্বংসস্তুপ থেকে যেমন উঠে আসতে পারে তেমনি সাজানো সব কিছু নিজ হাতে ধ্বংস করে দিতে পারে। যেখানে তাদের আজ অনেক এগিয়ে যাওয়ার কথা সেখানে তারা দিন দিন পিছিয়েই যাচ্ছে। মাঠ, মাঠের বাইরে সব সময় তারা খবরের শিরোনামে সেটা ভাল বা খারাপ যে কোন খবর হতে পারে।
স্পট ফিক্সিং নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনুস থেকে শুরু করে সেলিম মালিক, সেলিম ইলাহি, আমীর সোহেল, শোয়েব আক্তার, শহীদ আফ্রিদি সবারই নাম কখনও না কখনও এসেছে। তবে সবচেয়ে বড় ঘটনা ঘটে ২০১০ সালে আগস্ট এ ইংল্যান্ড সফরে মোহাম্মাদ আমিরের নো বল কেলেঙ্কারি। পরে সেই ফিক্সিংয়ের সাথে তখনকার অধিনায়ক সালমান বাট ও মোহাম্মদ আসিফের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। এবং তাদেরকে দীর্ঘ মেয়াদের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। আমির নিষধাজ্ঞা কাটিয়ে দলে ফিরলেও ফিরতে পারিনি বাট ও আসিফ।
আবার পাকিস্তানের ক্রিকেট ফিক্সিংয়ের আবির্ভাব, এবার পাকিস্তান সুপার লীগের দ্বিতীয় মৌসুমে। খেলা চলাকালীন সময়ে কিছু খেলোয়াড়ের হোটেল কক্ষে বাজিকরদের আনাগোনা চোখে পড়ে। তদন্তে বেরিয়ে আসে পিসিএল এর কিছু ম্যাচে ফিক্সিং এর তথ্য। টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে সাময়িক নিষিদ্ধ করা হয় শারজিল খান, খালিদ লতিফ, শাহজিব হাসান, নাসির জামসেদ, মোহাম্মদ ইরফানকে এবং সন্দেহের তীর আছে জুলফিকার বাবরের দিকেও। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন চলছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সারা জীবনের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারেন সবাই। এরই মধ্যে মোহাম্মদ ইরফানকে এক বছরের জন্যে ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।
ফিক্সিং জালে নতুন করে ধরা পড়েছেন ৩ টেস্ট, ৯ ওডিআই ও ৫ টি-২০ খেলা প্রতিশ্রুতিশীল স্পিনার মোহাম্মদ নেওয়াজ। ১৬ই মে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড নেওয়াজকে দুই মাসের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট খেলার প্রতি স্থগিতাদেশ দিয়েছে সেই সাথে তাকে দুই লাখ পাকিস্তানী রুপি জরিমানা করেছে এবং তার সাথে বোর্ডের চুক্তি স্থগিত করেছে। মোহাম্মদ নেওয়াজ পিএসএল দ্বিতীয় মৌসুমে খেলা সপ্তম খেলোয়াড় যার বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ আনা হলো।
ঐদিকে জাতীয় দলের দুই খেলোয়াড়কে নিজেদের মধ্যে বিবাদে জড়ানোর জন্য ম্যাচ ফি'র ৫০ শতাংশ জরিমানা করেছে বোর্ড। উমর আকমল ও জুনায়েদ খান ঘরোয়া লীগ পাকিস্তান কাপে লিস্ট-এ ম্যাচে নিজেদের মধ্য সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ায় তাদের এই শাস্তি দেয় বোর্ড সেই সাথে তাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়।
