চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বল হাতে টাইগার 'পঞ্চপাণ্ডব'
97 Repoter: 97admin
Publish: messages.not_available Update: 1 second ago-
1
Masoods Century Fails to Save Pakistan as West Indies Take 155-Run Lead
-
2
Lahore Qalandars Lose by 53 Runs Despite Emons Fighting Knock in Global Super League
-
3
India Seal 3-0 T20I Series Sweep Over Zimbabwe as Vaibhav Suryavanshi Stars
-
4
sohans Explosive Cameo Powers Galle to a Dominant Victory
-
5
Bangladesh Emerging Team Leave for South Africa for Tri-Nation One-Day Series
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বল হাতে টাইগার 'পঞ্চপাণ্ডব'
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বল হাতে টাইগার 'পঞ্চপাণ্ডব'
বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশগ্রহনের অভিজ্ঞতা এক দশকেরও আগে (২০০৬ সালে)। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মূল আসরে খেলার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের ঐ একবারই। ২০০০ সালে অবশ্য প্রিলিমিনারি কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে মূল আসরে খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে সেদিনগুলো এখন অতীত। এবার বেশ দাপটের সাথেই নিজেদের ইতিহাস সেরা র্যাংকিং নিয়েই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর শুরু করতে যাচ্ছে মাশরাফি বাহিনী।
আসছে জুনের প্রথম দিনে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে বসতে যাচ্ছে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অষ্টম আসর। ওয়ানডে র্যাংকিংয়ের শীর্ষ আট দল নিয়ে শুরু হবে মর্যাদার এই লড়াই। দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর পর বাংলাদেশ অংশগ্রহন করতে যাচ্ছে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে।
ইংল্যান্ডের ওভাল, এজবাস্টন প্রায় সবগুলো ফিল্ড-ই পেসারদের জন্য সহায়ক। ইংলিশ কন্ডিশনে বাংলাদেশের পেস বোলিংও বেশ উপভোগ্য হবে বলে আশা করা যায়। মাশরাফি, মোস্তাফিজ, তাসকিন আর রুবেল এর সমন্বয়ে গড়া বাংলাদেশের পেস বোলিং এমনিতেই উপভোগ্য। সাকিব - মেহেদী হাসান মিরাজ - মোসাদ্দেকের বৈচিত্রময় স্পিন আক্রমণ ইংলিশ কন্ডিশনে খুবই কার্যকর হতে পারে বাংলাদেশের জন্য। এবার এক নজরে দেখে নেওয়া যাক আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে টিম বাংলাদেশের বোলিং স্কোয়াডের যে পাঁচজনের দিকে চোখ থাকবে সবার।
মাশরাফি বিন মর্তুজাঃ মাশরাফি বিন মর্তুজা একটা স্বপ্নের নাম। যে মানুষ শত প্রতিবন্ধকতা মাড়িয়ে শুধু স্বপ্ন দেখেন লাল সবুজের বিজয়ের। মর্তুজা বাংলাদেশের সফলতম পেস বোলারদের একজন। আক্রমণাত্মক, গতিময় বোলিং দিয়ে অনূর্ধ-১৯ দলে থাকতেই তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সাবেক ফাস্ট বোলার অ্যান্ডি রবার্টসের নজর কেড়েছিলেন, যিনি কিনা তখন দলটির অস্থায়ী বোলিং কোচের দায়িত্বে ছিলেন। রবার্টসের পরামর্শে মাশরাফিকে বাংলাদেশ ‘এ’ দলে নেয়া হয়। বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে একটিমাত্র ম্যাচ খেলেই মাশরাফি জাতীয় দলে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান। তারপর হয়ে যান ইতিহাসের অংশ। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ গতির বোলার হিসেবে পথ শুরু। ইনজুরির রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ফিরে এসেছেন বারবার। বাংলাদেশে বেশিরভাগ জয়ের শুরুটা তার হাত ধরে এসেছে। এখন দলের অধিনায়ক অনেক কিছুই তাঁকে সামলাতে হয়। শত কাজের মাঝে তাঁর দায়িত্ব ভোলেননি, গতি কমলেও নিখুঁত লাইন লেন্থ বল করে চলেছেন এখনও। ওয়ানতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহকও তিনি। এ দিন তিনি খেলে ফেললেন ক্যারিয়ারের ১৭৫তম ওয়ানডে ম্যাচ। সংগ্রহ করেছেন ২৩০টি উইকেট। ২০১৫ বিশ্বকাপের পর থেকে এখন পর্যন্ত ক্রিকেটারদের বোলিং ইকোনোমি নিয়ে একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকায় দুই নাম্বারে অবস্থান করছেন মাশরাফি। কাকতালীয়ভাবে মাশরাফির জার্সি নাম্বারও দুই। কমপক্ষে ২৫ টি ম্যাচ ও ১৫০ ওভার বোলিং করা বোলারদের মধ্যে এই তালিকা করা হয়।
একটা সময় ছিল তখন মাশরাফি ছাড়া আর কোনো নিয়মিত পেস বোলার ছিল না বাংলাদেশ ক্রিকেটে। মাশরাফির পেস দাপটের প্রায় এক যুগ পর এই মাশরাফিকে অনুসরণ করেই বাংলাদেশ ক্রিকেটে আসে আজকের মোস্তাফিজ, তাসকিন, রাব্বি, সাইফুদ্দীনরা। তারা সবাই রোল মডেল মানেন তাদের মাশরাফি ভাইকে। নড়াইল থেকে খুলনায় যাত্রা শুরু হয় মাশরাফি এক্সপ্রেসের। খুলনা থেকে প্রথম সফর নাইরোবিতে। এরপর হাজারো অলি-গলি, রাস্তা-ঘাট, হাজারো মাইল পাড়ি দিয়ে মাশরাফি এক্সপ্রেস এখন ইংল্যান্ডে। দায়িত্ব নিয়ে বুক চিতিয়ে লড়াই করে দলকে এনে দিবেন বিজয় আর এই সাফল্যের জোয়ারে ভাসতে থাকবে বাংলাদেশ।
মোস্তাফিজুর রহমানঃ বাংলাদেশ ক্রিকেটের সত্যিকার অর্থেই এক বিশেষ রত্ন। বাঁহাতি এ পেসারের বলে সত্যিই অসাধারণ বৈচিত্র্য আছে। দ্রুত, নিখুঁত লেংথ এবং অফকাটারগুলো সত্যিই দুর্দান্ত। যা ব্যাটসম্যানদের ধাঁধায় ফেলে। নতুন প্রজন্মের এ বোলার ইতোমধ্যেই নিজেকে চেনাতে শুরু করেছে। ২০১৫ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ২০ বছর ছুঁই ছুঁই বাম হাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের। অভিষেকেই টি-টোয়েন্টির জায়ান্ট নামে পরিচিত পাকিস্তান অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি এবং ওপেনার মোহাম্মদ হাফিজের উইকেট নিয়ে শুরু করেছিলেন। এরপর ওয়ানডে অভিষেক ভারতের বিপক্ষে। অভিষেকেই কাটার-স্লোয়ারে একাই ধ্বসিয়ে দিয়েছিলেন ভারতকে। অভিষেকে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। পরের ম্যাচে নিয়েছিলেন ৬ উইকেট। ওই সিরিজে মোস্তাফিজের দুরন্ত বোলিংয়ে ভারতকে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজে হারায় বাংলাদেশ। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের অভিষেকেই দু’বার ৫ উইকেট দখল সত্যিই অনন্য। জিম্বাবুয়ের ব্রায়ান ভেটোরির পর মোস্তাফিজই দ্বিতীয় বোলার যে অভিষেকের প্রথম দুই ওয়ানডেতে ৫টি করে উইকেট পেয়েছে।
আইসিসির এক প্রতিবেদনে লেখা হয়, ‘২১ বয়সী বোলারের সামনে আরও অনেক ক্রিকেট পড়ে আছে। মুস্তাফিজ যদি ফিট আর ইনজুরিমুক্ত থাকতে পারে, তাহলে সে এগিয়ে যাবে বহুদূর। নিজের সামর্থ্য আর যোগ্যতা দেখানোর সুযোগ পাবে। মুস্তাফিজের মতো বোলাররা অল্পে কখনও তুষ্ট থাকতে পারে না। ক্রিকেটের বাগানে মহীরুহ হতেই তাদের আগমন।' চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেটাই দেখাবে বাংলাদেশের এ পেসার।
রুবেল হোসেনঃ এসেছিলো পেসার হান্ট প্রতিযোগিতা থেকে, সে সময়কার মালিঙ্গার অ্যাকশন বেশ মুখরোচক বিষয় হওয়ায় ব্যতিক্রমী অ্যাকশনের কারণে শুরুতেই তাকে পরিচিতি পেতে হয় বাংলাদেশের মালিঙ্গা হিসেবে। অধিনায়ক মাশরাফির মতো অভিষেকের আগেই এন্ডি রবার্টসের কাছ থেকে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা পাওয়া, বা ‘এ’ দলের হয়ে ভারত ট্যুরে গিয়ে ১৪৫ কি:মি:/ঘণ্টা বেগে বল করে আলোচনায় আসা, কিন্তু তাসকিনের মতো ‘স্পিডস্টার’ খেতাব পাওয়ার সৌভাগ্য জুটেনি, দলে ঢোকার আগেই লাখো মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারেনি। বোলিং প্রান্তে এসে ব্যাটসম্যানকে বিভ্রান্ত করে খ্যাতি পাওয়া হয়নি তার, তবু বিপক্ষ দলের জিততে ১০ বলে ১২ রান লাগবে, ক্রিজে একজন সেট ব্যাটসম্যান, হাতে আছে ৩ উইকেট- এরকম সমীকরণে বাংলাদেশের কোনো একজন বোলারকে যদি বেছে নিতে হয় বল করতে যে ম্যাচটা জিতিয়ে দিতে পারে তখন একদম নির্দ্বিধায় রুবেল হোসেনকে স্মরণ করতে হবে। ওই মুহুর্তে বেলের সাথে স্ট্যাম্প উড়িয়ে দেওয়াই হলো তার ক্যারেক্টার আর এখানেই বোলার রুবেল হোসেনের স্বার্থকতা। তাসকিন, আল আমিন বা শফিউলদের স্ট্যান্ডার্ডের সাথে তুলনা করলে রুবেল এখনো বহুযোজন ব্যবধানে এগিয়ে আছে। পেস আর ইয়র্কার ধরলে রুবেল বাংলাদেশের সবচাইতে দ্রুতগতির পেসার। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেকের পর ওডিআই ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত খেলেছে ৭৩টি ম্যাচ। লাল-সবুজের জার্সি জড়িয়ে শিকার করেছেন ৯১ উইকেট।
২০১০ এ বাংলাদেশ প্রথম হোয়াইটওয়াশ করলো নিউজিল্যান্ডকে সেই সিরিজে রুবেলের বোলিং মনে করুন। ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সাথে ম্যাচটা মনে করুন। শেষের ওই দুই ইয়র্কার নয়, মাঝপথে মরগানকে আউট করার স্পেলটা মনে করুন; ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট ছিলো আসলে ওটা। রুবেল হোসেনের ত্রিদেশীয় সিরিজের পারফর্মেন্সটা ছিল বেশ দুরন্ত। বর্তমান পারফর্মেন্স আর পূর্ব অভিজ্ঞতাই রুবেল হোসেনকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসরে ভালো করার আত্মবিশ্বাস যোগাবে।
সাকিব আল হাসানঃ সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অনেক অর্জনের নাম। টেস্ট ক্রিকেটে রেগুলার পাঁচ উইকেট পাওয়া, ওয়ানডে ম্যাচে সবাইকে ছাপিয়ে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হওয়া , সিরিজ গুলোতে ম্যান অফ দ্যা সিরিজ, তিন ফরম্যাটেই নম্বর-ওয়ান অলরাউন্ডারের পুরষ্কার এসব জিনিসগুলাকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাথে পরিচয় করিয়ে যাচ্ছেন বহু থেকে বহুবার। ম্যাচের পরিস্থিতি অনু্যায়ী খেলার ধরন পরিবর্তন করা, মাথা খাটিয়ে বোলিং করা এই ব্যাপারগুলোতে সাকিব তার পারদর্শিতা দেখিয়েছে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে।
সাল ২০০৬। তারিখটা ৬ই আগস্ট। বাংলাদেশ ক্রিকেটে আগমন ঘটলো বাঁহাতি এক অলরাউন্ডারের । স্কোরকার্ড দেখে জানা গেলো ছেলেটির নাম সাকিব আল হাসান। জিম্বাবুয়ের হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক। ওই পারফর্মেন্স খুব আহামরি কিছু ছিল না। এলটন চিগুম্বুরার উইকেট আর ৩০ রান। তবে অভিষেকের পরের সময়ের বাকি গল্পটা সাক্ষ্য দেয় ভিন্ন এক সাকিবের। ২০১০ সালে প্রথমবারের মত পুরোপুরি প্রকাশ করলেন তিনি আসলে কি। একা হাতে হোয়াইটওয়াশ করলেন নিউজিল্যান্ডকে, যেটা আতহার আলী খানের মুখের জাদুতে হয়ে গেলো বাংলাওয়াশ। কিন্তু কিউই কোন খেলোয়াড়কে সিরিজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা যে সাকিবওয়াশড হয়েছে, তা বলতে দ্বিধা বোধ করবেন না। সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ দলের প্রধান অস্ত্র। সুপারম্যান সাকিব সব ধরনের ফরম্যাটে বিশ্বের ‘নাম্বার ওয়ান’ অলরাউন্ডার। বোলিং এবং ব্যাটিং দুই ক্ষেত্রেই সাকিব বাংলাদেশের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। সাকিব ওডিআই ক্রিকেটে ১৭৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। সাকিব খুবই বিপদজ্জনক খেলোয়াড় যে বিপক্ষ দলকে গুঁড়িয়ে দিতে পারে। ১৭৩ ম্যাচ খেলে সংগ্রহ করেছেন ২২৪টি উইকেট। বেস্ট পারফর্মেন্স ছিল ২০১৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৪৭ রানে ৫ উইকেট। তার বোলিং গড় ২৮.৭৪ এবং ইকনোমি ৪.৩৮। ক্যারিয়ারে ৫ উইকেট শিকার করেছেন ওই একবারই আর ৪ উইকেট অর্জনের ইতিহাস লিখেছেন ৭ বার। সাকিব আল হাসানের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রায় ১১ বছরের অভিজ্ঞতাই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসরে ভালো নৈপুণ্য প্রদর্শন করার আত্মবিশ্বাস যোগাবে।
মেহেদী হাসান মিরাজঃ অনুর্ধ্ব-১৪ টুর্নামেন্টের পর অনুর্ধ্ব-১৫ টুর্নামেন্টেও ডাক পান মিরাজ। তারপর আস্তে আস্তে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে থাকেন তিনি। অনুর্ধ্ব-১৯ দলে জায়গা করে নিয়ে দলের নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগও চলে আসে তাঁর সামনে এক সময়। আর অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টে থেকেই মেহেদী হাসান মিরাজের নামটি জানতে পারেন অনেকে। এরপর তাঁর পারফরম্যান্স দিয়েই তিনি জাতীয় দলে জায়গা করে নেন। এরপর জাতীয় দলে অভিষেকে তাঁর পারফরম্যান্স দেখেছে বিশ্ববাসী। ইংলিশদের বিপক্ষে গত অক্টোবরে টেস্টে অভিষেক ঘটে তরুণ এই অলরাউন্ডারের। অভিষেকেই বাজিমাত করেন, প্রথম টেস্টে ৭ উইকেট এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১২ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন তরুণ তুর্কি মিরাজ। টেস্টে নিয়মিত পারফর্মের পর মার্চে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ডাক পান ওয়ানডে দলে।
অভিষেক ম্যাচেই ২ উইকেট শিকার করে ক্যারিয়ারের শুভসূচনা করেন। অভিষেকেই বাংলাদেশের হয়ে এমন চমক দেখিয়েছেন কখন, কে, কবে! শুরুতেই বাজিমাত করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয়া অভিষেক আর বাঘের হুঙ্কারে তছনছ সিংহ শিবির। মেহেদি হাসান মিরাজের রাজসিক অভিষেকের গল্পগুলো এমনই। যাদুকরী অভিষেকের পর দলে আসন মোটামুটি পাকাপোক্ত করেছেন। মর্যাদার টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলেও ইতোমধ্যেই জায়গা করে নিয়েছেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে মিরাজ ৫ ম্যাচ খেলে শিকার করেছেন ৪ উইকেট। ৫ ম্যাচের ক্যারিয়ারে বল হাতে তার ইকোনমি গড় ৪.৯২। যে দেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শুরু হয়েছিল মিরাজের সেই দেশের বিপক্ষেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসরে টাইগার একাদশে সুযোগ পেলে দেশের জন্য ভালো কিছু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই ১৯ বছর বয়সী অলরাউন্ডার।
