টেস্টে মানসিক প্রস্তুতিই বড় চ্যালেঞ্জ- সিমন্স
-
1
গায়ানায় মিরাজ-তাহির জাদুতে গুড়িয়ে গেল সেন্ট লুসিয়া, ৪ উইকেটের জয় গায়ানার
-
2
বিসিসিআইয়ের নতুন অ্যাসোসিয়েট পার্টনার ক্যাম্পা, এসবিআই লাইফ ও চ্যাটজিপিটি, চুক্তি ১৩০ কোটি রুপিরও বেশি
-
3
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের জন্য ভারত এ দল ঘোষণা, দুই ফরম্যাটে অধিনায়ক পাডিক্কাল ও গায়কোয়াড়
-
4
সিপিএলে মিরাজের স্বপ্নের অভিষেক, শিকার ৩ উইকেট
টেস্টে মানসিক প্রস্তুতিই বড় চ্যালেঞ্জ- সিমন্স
টেস্টে মানসিক প্রস্তুতিই বড় চ্যালেঞ্জ- সিমন্স
পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজকে সামনে রেখে প্রস্তুতিতে ব্যস্ত বাংলাদেশ দল। বছরের প্রথম লাল বলের সিরিজ ঘিরে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে দলের বর্তমান অবস্থা ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। সেখানে উঠে আসে অতীত নয়, বর্তমানেই মনোযোগ দেওয়ার বার্তা।
২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে সিরিজ জয়ের অভিজ্ঞতা থাকলেও সেটিকে এবার আলাদা গুরুত্ব দিতে চান না কোচ। তার মতে, প্রতিটি সিরিজই নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে এবং পুরোনো ফলাফল কোনো প্রভাব ফেলে না। এ প্রসঙ্গে ফিল সিমন্স বলেন,
“পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করাটা অতীত। সেটা গত হয়ে গেছে। আমরা এই সিরিজে নতুন ইতিহাস গড়তে চাই।”
তরুণ পেসার নাহিদ রানার উন্নতি ও ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন বাংলাদেশ কোচ। তার ভাষায়, এই ক্রিকেটারের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো খেলার পরিস্থিতি দ্রুত বুঝে নেওয়া এবং দায়িত্ব অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া। নাহিদ সম্পর্কে তিনি বলেন,
“নাহিদ রানার সব থেকে ভালো ব্যাপার হলো তার বুঝার সক্ষমতা। সে জানে সে কোথায় আছে এবং তার কি কাজ।”
অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমকে নিয়েও আলাদা করে মূল্যায়ন করেন সিমন্স। শততম টেস্টের মতো মাইলফলক ম্যাচেও তার প্রস্তুতি ও মনোযোগে কোনো পরিবর্তন আসে না বলে জানান তিনি। মুশফিক প্রসঙ্গে কোচ বলেন,
“মুশফিককে আমি অল্প সময় ধরে চিনি, তবে এই সময়েই বুঝেছি তার জন্য এটি ১ নম্বর টেস্ট হোক, ৫০তম হোক বা ১০০তম- সবই সমান। সে যেভাবে টেস্ট ম্যাচের আগে প্রস্তুতি নেয়, সেভাবেই চালিয়ে যাবে। সে তার ১০১তম ম্যাচটিকেও আগের সব ম্যাচের মতোই গুরুত্ব দিয়ে দেখবে।”
সাদা বল থেকে লাল বলের ক্রিকেটে মানিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে মানসিক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন প্রধান কোচ। তবে তার মতে, বর্তমান দলে যারা দীর্ঘদিন ধরে লাল বলের অনুশীলনে আছে, তাদের জন্য এই পরিবর্তন কঠিন হবে না। এ বিষয়ে তিনি বলেন,
“টেস্ট ক্রিকেট মূলত একটি মানসিক পরিবর্তন। তবে একই সঙ্গে দলে এমন অনেক খেলোয়াড় আছে যারা সাদা বলের ক্রিকেটে ছিল না এবং গত কয়েক মাস ধরে লাল বল (টেস্ট ক্রিকেট) নিয়েই কাজ করছে। তাই আমি মনে করি ফরম্যাট পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়াটি আপনার ধারণার চেয়েও সহজ হবে।”
