অস্ট্রেলিয়া বধের শেষ ধাপে বাংলাদেশ, কম্বিনেশন বদলের আভাস
অস্ট্রেলিয়া বধের শেষ ধাপে বাংলাদেশ, কম্বিনেশন বদলের আভাস
অস্ট্রেলিয়া বধের শেষ ধাপে বাংলাদেশ, কম্বিনেশন বদলের আভাস
ডারউইনে স্বাগতিকদের ধরাশায়ী করার পর এবার অজিদের মাটিতে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার শেষ মঞ্চে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। অস্ট্রেলিয়াকে তাদেরই ঘরের মাঠে সিরিজ হারানোর রোমাঞ্চকর হাতছানি সামনে রেখে শনিবার ম্যাকাই টেস্টে মুখোমোখি হচ্ছে বাংলাদেশ।
ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে উইকেটের কন্ডিশন ও বোলিং বিভাগের প্রস্তুতি নিয়ে নিজের মতামত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন টাইগার দলপতি। ‘উইকেট দেখে ভালো মনে হয়েছে। আমরা যে উইকেটে অনুশীলন করেছি সেখানে বাউন্স একটু বেশি ছিল। স্কোয়াডে থাকা পাঁচ পেসারই প্রস্তুত আছে। একই সঙ্গে আমাদের দুই স্পিনারও রয়েছে, যারা যেকোনো কন্ডিশনে ভালো বোলিং করতে পারে।’
পিচের চূড়ান্ত মেজাজ মেপে একাদশ সাজানোর সিদ্ধান্ত এখনো ঝুলিয়ে রেখেছেন অধিনায়ক। সকালে মাঠের অবস্থা দেখেই চূড়ান্ত রণকৌশল নির্ধারণ করা হবে বলে তিনি জানান। ‘ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে আরও কিছু সময় আছে। সকালে আবার উইকেট দেখব। দলের জন্য যে সিদ্ধান্ত সবচেয়ে ভালো হবে, সেটাই নেওয়ার চেষ্টা করব।’
ম্যাকাইয়ের বাতাসে পেসারদের জন্য বাড়তি সুবিধা লুকিয়ে আছে বলে বিশ্বাস শান্তর। সুইং আর রিভার্স সুইং কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করার দারুণ সম্ভাবনা দেখছেন তিনি।
প্রথম টেস্টের অভাবনীয় সাফল্য দলকে মানসিক আত্মবিশ্বাস যোগালেও অতীত সাফল্য আঁকড়ে বসে থাকতে চান না দলপ্রধান। আগের ম্যাচ পেছনে ফেলে খেলোয়াড়দের নতুন চ্যালেঞ্জে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ‘এ ধরনের জয় অবশ্যই আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। তবে পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে দ্রুত নতুন চ্যালেঞ্জের দিকে মনোযোগ দেওয়া জরুরি। গত দুই দিনের অনুশীলনে সবাই ভালোভাবে ফিরে এসেছে এবং কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। ডারউইনের জয় এখন অতীত।’
নতুন ভেন্যুর আবহাওয়া আর উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে দলীয় আলোচনার ওপর জোর দিয়েছেন অধিনায়ক, যেন শিষ্যরা মাঠে নেমে তাদের সেরা ছন্দ ধরে রাখতে পারে। ‘এই কন্ডিশনে কীভাবে নিজেদের মানিয়ে নেওয়া যায়, তা নিয়ে দলের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। আশা করি, সবাই নতুন উদ্যমে মাঠে নামবে এবং আবারও ভালো ক্রিকেট খেলতে পারবে।’
