গেইলের ইতিহাস গড়ার দিনে জিতলো ব্যাংগালোর
97 Repoter: 97admin
Publish: messages.not_available Update: 1 second ago-
1
Cameron Green Set to Miss Second Test Against South Africa, Return for Third Test Uncertain
-
2
Bangladesh Women Lose to Sri Lanka by 4 Runs in Thrilling Tri-Nation Series Final
-
3
Aiden Markram Set to Rejoin South Africa Ahead of Second Test
-
4
Pathum Nissanka Ruled Out of ODI Tri-Series, Lahiru Udara Named Replacement
-
5
Litton Sees Tri-Series as Preparation for World Cup and Asia Cup
গেইলের ইতিহাস গড়ার দিনে জিতলো ব্যাংগালোর
গেইলের ইতিহাস গড়ার দিনে জিতলো ব্যাংগালোর
চাইলে দুজনকে মানিকজোড় বলতেই পারেন। টি-টোয়েন্টিতে সর্বাধিক ১০ বার ১০০ এর বেশি রানের জুটি গড়েছেন দুজন। দশমবারের মতো শতরানের জুটি গড়ার ম্যাচে ভিরাট কোহলি-ক্রিস গেইলের রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাংগালোর ২১ রানে হারিয়েছে গুজরাট লায়ন্স কে।
রাজকোটে টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন গুজরাট লায়ন্সের দলনায়ক সুরেশ রায়না। ৩ রান করলে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১০,০০০ রানের মালিক হবেন এমন সমীকরণ নিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ভিরাট কোহলিকে সাথে নিয়ে ব্যাট করতে নামেন ক্রিস গেইল। প্রথম ওভারেই ২ বল মোকাবেলা করে পেয়ে যান দুই রান। পরবর্তী ১ রান পেতে অপেক্ষা করতে হয় ১৬ বল! ৪র্থ ওভারের ৩য় বলে বাসিল থাম্পির বলে ১ রান নিয়ে ইতিহাস গড়েন ক্রিস গেইল। টি-টোয়েন্টিতে ১০,০০০ রানের মাইলফলক ছোয়া ১ম ব্যাটসম্যান বনে যান তিনি।
১ম ৫ বল থেকে করেছিলেন ৩ রান। তবে ১০,০০০ রান পূর্ণ করার পরেই নিজের চিরচেনা রূপ ধারণ করেন ক্রিস গেইল। পরবর্তী ৩৩ বলে করেন ৭৪ রান! ৪ মারেন ৫টা, ছয় তারচেয়েও দুইটা বেশি(৭টা)। স্ট্রাইক রেট ২০২.৬৩! এই আইপিএলে যেকটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন তাতে ঠিক নিজেকে নিজের মতো করে উপস্থাপন করতে পারেননি। এই ম্যাচে পারলেন। পেরেছেন তার দলের অধিনায়ক ভিরাট কোহলিও। গত আসরে এই গুজরাট লায়ন্সের বিপক্ষেই দুইটি সেঞ্চুরি করেছিলেন ভিরাট কোহলি। আর এদিন থামেন ৬৪ রান করে।
ভিরাট কোহলি ও ক্রিস গেইল শুরুটা দারুণ করেছিলেন। আর শেষটা দারুণ করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন ট্রেভিস হেড ও কেদার জাদব। হেড ১৬ বল খেলে অপরাজিত থাকেন ৩০ রান করে আর সমান ১৬ বলে খেলে ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন কেদার জাদব। ২ উইকেট হারিয়েই রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাংগালোরের স্কোরবোর্ডে তাই জমা হয় ২১৩ রান। রবীন্দ্র জাদেজা ৪ ওভারে হজম করেন ৫৭ রান!
২১৩ রানের পাহাড় টপকাতে শুরুটা ভালো হবার দরকার ছিলো গুজরাট লায়ন্সের। তেমনটা হয়নি। পাওয়ান নেগির করা ১ম ওভারে রান আসে মাত্র ১। দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে চাহালকে নিজের উইকেট বিলিয়ে দেন ডোয়াইন স্মিথ। ২ ওভার শেষে গুজরাট লায়ন্সের স্কোরবোর্ড ছিলো যাচ্ছেতাই, ৪/১! সেখান থেকে পাল্টা আক্রমণ করা শুরু করেন ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম ও সুরেশ রায়না। শ্রিনাথ আরভিন্দের করা ৩য় ওভারে দুই ৬, এক চারে আসে ১৯ রান। চালিয়ে খেলতে থাকা গুজরাট দলপতি রায়নাকেও ফেরান চাহাল। ৮ বলে দুইটি করে চার ও ছয়ে ২৩ রান করেন রায়না।
৩৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলা গুজরাট লায়ন্স দিশা পায় ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম- অ্যারন ফিঞ্চের তৃতীয় উইকেট জুটিতে। দুজনে মাত্র ৩৪ বলে যোগ করেন ৬৬ রান। যেখানে ফিঞ্চের অবদান ছিলো ১৫ বলে ১৯ রান। পাওয়ান নেগির বলে দলীয় ১০৩ রানের মাথায় স্ট্যাম্পড আউট হন। ৮ বল পর নিজের প্রথম ওভারে ১৯ রান হজম করা শ্রিনাথ আরভিন্দ ফেরান ফর্মে থাকা দীনেশ কার্তিককে। বাকি ৫৪ বলে ১০৮ রান করবার আশাও গুজরাট লায়ন্স করতে পারছিলো ক্রিজে তখনও ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম থাকাতে। জাদেজাকে সাথে নিয়ে ২২ বলে ৩১ রান যোগও করেন। তবে চাহালের বল উড়িয়ে মারতে যেয়ে মিলনের হাতে ধরা পড়লে আউট হন ম্যাককুলাম। কার্যত তখনই শেষ হয়ে যায় গুজরাট লায়ন্সের জয়ের আশা। শেষদিকে ইশান কিশানের ক্যামিওতে পরাজয়ের ব্যবধান কমেছে তবে আক্ষেপ বেড়েছে গুজরাট লায়ন্সের।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাংগালোর ২১৩/২(২০), গেইল ৭৭, কোহলি ৬৪।
গুজরাট লায়ন্স ১৯২/৭(২০), ম্যাককুলাম ৭২।
রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাংগালোর ২১ রানে জয়ী।
