অবসরের পর মুশফিককে কোচের ভূমিকায় দেখতে চায় বিসিবি
-
1
শ্রেয়াস-অভিষেকের তাণ্ডব ভেস্তে দিল বৃষ্টি
-
2
কাতার জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে দুই প্রবাসী বাংলাদেশি ক্রিকেটার
-
3
ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডেতে ওপেনিংয়ে বেথেল, ইংল্যান্ড দলে দুই নতুন মুখ
-
4
চোট-অসুস্থতায় বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে অভিষেক উইজেসুন্দরার
-
5
ক্যান্সার আক্রান্ত অনূর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেটার মেহেদীর পাশে দাঁড়াল বিসিবি
অবসরের পর মুশফিককে কোচের ভূমিকায় দেখতে চায় বিসিবি
অবসরের পর মুশফিককে কোচের ভূমিকায় দেখতে চায় বিসিবি
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে মেন্টর ও কোচিং দায়িত্বে যুক্ত করার পর এবার একই ধরনের ভূমিকায় মুশফিকুর রহিমকেও দেখতে চায়। মুশফিক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে পুরোপুরি অবসর নেওয়ার পর তিনি আগ্রহী হলে তাকে বিসিবির কোচিং কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বোর্ডের গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান ফাহিম সিনহা।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ‘এ’ দলের অস্ট্রেলিয়া সফরের ব্যাটিং কোচ হিসেবে মাহমুদউল্লাহকে নিয়োগ দেয় বিসিবি। এর আগে তিনি অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মেন্টরের দায়িত্বও পালন করেছেন। এরপর থেকেই মুশফিকও ভবিষ্যতে একই পথে হাঁটবেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
বর্তমানে মুশফিক কেবল টেস্ট ক্রিকেট খেলছেন। পাশাপাশি দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটেও নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন।
ক্রিকবাজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফাহিম সিনহা বলেন, “মাহমুদউল্লাহ, মুশফিক যারা এত বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছে এবং দেশের হয়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পারফর্ম করেছে, তাদের অভিজ্ঞতা নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা আমাদের দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, “মুশফিক যদি কোচিংয়ে আগ্রহী হয় বা ক্রিকেটের সঙ্গে কাজ করতে চায়, তাহলে অবশ্যই আমরা তাকে যুক্ত করতে চাই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এত বছরের অভিজ্ঞতা এবং আধুনিক ক্রিকেটকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ সে পেয়েছে। তাকে যদি আমরা আমাদের কাঠামোয় আনতে না পারি, সেটি আমাদেরই ব্যর্থতা হবে।”
এদিকে স্থানীয় কোচদের দক্ষতা মূল্যায়ন ও উন্নয়নে তিন সদস্যের একটি কারিগরি কমিটি গঠনের কথাও জানিয়েছেন ফাহিম সিনহা। এই কমিটিতে থাকছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, মিজানুর রহমান বাবুল এবং সোহেল ইসলাম।
তার ভাষ্য, কোচদের জন্য কর্মশালার আয়োজন করা হবে, যেখানে কী পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর (কেপিআই) বাস্তবায়ন শেখানো হবে। এরপর থেকেই তাদের পারফরম্যান্স মূল্যায়নের একটি নিয়মিত ব্যবস্থা চালু হবে। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের কোচদের তদারকির জন্যও অভিজ্ঞ কোচদের দায়িত্ব দেওয়া হবে।
এ ছাড়া জেলা পর্যায়ের কোচদের বেতন অন্তত ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন বিসিবির এই পরিচালক। তিনি বলেন, নতুন গ্রেডিং পদ্ধতি চালু করা হবে, যেখানে জেলা, বিভাগীয় ও কেন্দ্রীয় কোচদের যোগ্যতা ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিভিন্ন গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৃদ্ধি ও মূল্যায়ন না হওয়ায় বর্তমান কাঠামোকে অপ্রতুল উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে কোচদের জন্য আরও কার্যকর ও আকর্ষণীয় ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।
