টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব থেকে সরানো নিয়ে কিছুই জানতেন না রশিদ খান

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 1 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব থেকে সরানো নিয়ে কিছুই জানতেন না রশিদ খান

টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব থেকে সরানো নিয়ে কিছুই জানতেন না রশিদ খান

টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব থেকে সরানো নিয়ে কিছুই জানতেন না রশিদ খান

আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দেশটির অন্যতম সেরা তারকা রশিদ খান। চলতি বছরের শুরুতে রশিদকে টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেয় এসিবি। সে বিষয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকে আগে তাকে কিছুই জানানো হয়নি বলে দাবি করেছেন এই লেগ স্পিনার।

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে আফগানিস্তান বিদায় নেওয়ার পর রশিদের স্থলাভিষিক্ত করা হয় উদ্বোধনী ব্যাটার ইব্রাহিম জাদরানকে।

রেড বুল আয়োজিত ‘ক্রিকইনফো’র সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে রশিদ খান বলেন, "তখন ঠিক কী ঘটেছিল, তা এমনকি আমিও জানি না। বোর্ড যখন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয়, তখনই আমি অধিনায়কত্ব পরিবর্তনের বিষয়টি জানতে পারি।"

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের পারফরম্যান্স হতাশাজনক হলেও রশিদের নেতৃত্বে আফগানিস্তানের অতীত রেকর্ড বেশ উজ্জ্বল ছিল। যার মধ্যে অন্যতম বড় সাফল্য ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছানো। রশিদের অধীনে খেলা ৪৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মধ্যে ২৬টিতে জয় পায় আফগানিস্তান, হার ২২টিতে। 

আফগান অধিনায়ক হিসেবে কেবল আসগর আফগানের জয়ের হার রশিদের চেয়ে বেশি ছিল, তবে সে সময় আফগানিস্তান বেশিরভাগ ম্যাচই খেলেছিল তুলনামূলক নিচের সারির দলগুলোর বিরুদ্ধে।

হতাশা থাকলেও বিষয়টি পেছনে ফেলে সামনে তাকাতে চান রশিদ। তিনি বলেন, "আমার নেতৃত্বে আমরা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছি, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছি। তবে কিছু বিষয় নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। আমি এখন এসব পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছি। অধিনায়ক থাকি বা না থাকি, আফগানিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত। আমার দক্ষতা ও ক্ষমতা অনুযায়ী সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। নিজের নিয়ন্ত্রণে যা আছে দেশের হয়ে ভালো খেলা এবং দলকে জেতানো সেদিকেই এখন আমার মনোযোগ।"

এদিকে ইব্রাহিম জাদরানের পূর্ণাঙ্গ অধিনায়ক হিসেবে প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট ছিল ভারতের বিপক্ষে সম্প্রতি শেষ হওয়া তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। যেখানে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে আফগানিস্তান। উক্ত সিরিজে রশিদ খান ৯.৮২ ইকোনমি রেটে ১১৩ রান খরচ করে ৪টি উইকেট শিকার করেন।