অলিম্পিকে ফিরছে ক্রিকেট, দল সংখ্যা ও কোয়ালিফিকেশন ফরম্যাট ঘোষণা
-
1
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছেন বেন স্টোকস
-
2
প্রথম দিনেই ১৪০ রানে গুটিয়ে গেল বাংলাদেশ, চালকের আসনে জিম্বাবুয়ে
-
3
ভারতকে ১ রানে হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়
-
4
লর্ডসের সম্মানজনক এমসিসি আজীবন সদস্যপদ পেলেন তামিম ইকবালসহ ৫ ক্রিকেটার
-
5
শেষ ওভারের নাটকীয়তায় বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা
অলিম্পিকে ফিরছে ক্রিকেট, দল সংখ্যা ও কোয়ালিফিকেশন ফরম্যাট ঘোষণা
অলিম্পিকে ফিরছে ক্রিকেট, দল সংখ্যা ও কোয়ালিফিকেশন ফরম্যাট ঘোষণা
দীর্ঘ বিরতির পর অবশেষে অলিম্পিকের মঞ্চে ফিরছে ক্রিকেট। ২০২৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিতব্য অলিম্পিক গেমসের ক্রিকেট ইভেন্টের যোগ্যতা অর্জন এবং ম্যাচের ফরম্যাট আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল ও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি।
আজ এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ছেলে ও মেয়ে উভয় বিভাগেই ৬টি করে দেশ অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে আফ্রিকা, এশিয়া, ইউরোপ এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রথম ৪টি নারী দল চূড়ান্ত চলতি ২০২৬ আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে প্রথম চারটি দল হিসেবে সরাসরি অলিম্পিকের টিকিট কেটেছে অস্ট্রেলিয়া, গ্রেট ব্রিটেন , ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা ও ওশেনিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থানে থাকা যোগ্য দল হিসেবে তারা এই সুযোগ পেয়েছে। মহাদেশীয় কোটা অনুযায়ী প্রতি মহাদেশ থেকে সর্বোচ্চ একটি করে দল এই ধাপে সুযোগ পেয়েছে।
স্বাগতিক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র পুরুষ ও নারী উভয় ইভেন্টেই সরাসরি খেলার সুযোগ পাবে। তবে এর জন্য একটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। ৩০ জুন ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে যেকোনো সময়ে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ১৫-এর মধ্যে থাকতে হবে মার্কিন দলগুলোকে। যদি তারা এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে সেই কোটা র্যাঙ্কিংয়ের পরবর্তী যোগ্য দলের কাছে চলে যাবে।
ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের সমন্বয়ে গঠিত 'ওয়েস্ট ইন্ডিজ' কোনো একক অলিম্পিক কমিটি না হওয়ায় তারা সরাসরি অলিম্পিকে অংশ নিতে পারবে না। তবে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে তারা যদি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ৮টি অনুত্তীর্ণ দলের মধ্যে থাকে, তবে ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য একটি বিশেষ বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে বিজয়ী দেশ অলিম্পিক কোয়ালিফায়ারে খেলার সুযোগ পাবে।
পুরুষদের ইভেন্টে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিং অনুযায়ী আফ্রিকা, এশিয়া, ইউরোপ এবং ওশেনিয়া মহাদেশের শীর্ষ দলগুলো সরাসরি অলিম্পিকের টিকিট পাবে।
উভয় বিভাগের ষষ্ঠ ও শেষ দলটিকে নির্ধারণ করতে ২০২৭ সালে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হবে 'আইসিসি অলিম্পিক কোয়ালিফায়ার'। ৮টি দল নিয়ে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের শীর্ষ দল অলিম্পিকে যাওয়ার শেষ সুযোগ পাবে।
স্কোয়াড:প্রতিটি দল ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করতে পারবে।
গ্রুপ পর্ব: ৬টি দলকে ৩টি করে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল একে অপরের মুখোমুখি হবে। এরপর বিপরীত গ্রুপের সমপর্যায়ের নয় এমন দলের সাথে আরও দুটি করে ম্যাচ খেলবে।
মেডেল নির্ধারণ: পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুই দল স্বর্ণ ও রৌপ্য পদকের জন্য ফাইনাল খেলবে। আর তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা দল দুটি লড়বে ব্রোঞ্জ পদকের জন্য।
ভেন্যু ও ম্যাচ সংখ্যা: পুরুষ ও নারী বিভাগ মিলিয়ে সর্বমোট ২৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। সব ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের পোমোনা শহরের বিশেষ ক্রিকেট ভেন্যুতে।
