সাকিব, মাহমুদউল্লাহ'র ব্যাটে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ
97 Repoter: 97admin
Publish: messages.not_available Update: 1 second ago-
1
Afghanistan Announce T20I Squad for India Series
-
2
Zimbabwe Announce T20I Squad, Ngarava and Taylor Dropped
-
3
Brydon Carse Dropped from England Squad Following Arrest Incident
-
4
Unofficial Test, Bangladesh A Suffer Innings and 413-Run Defeat to South Africa A
-
5
Adelaide Strikers Academy beat Bangladesh HP by 21 runs
সাকিব, মাহমুদউল্লাহ'র ব্যাটে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ
সাকিব, মাহমুদউল্লাহ'র ব্যাটে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ
অনেক হিসাব নিকাশের একটি ম্যাচ। তবে সেটাতে থাকতে হবে বাংলাদেশর জয়, তবেই সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে পারবে তারা। নিউজিল্যান্ডকে ২৬৫ রানে আটকে দিয়ে এদেশের ক্রিকেট ভক্তদের ভাবনা কেবলই জয়, কিন্তু বাংলাদেশের টপ অর্ডার ব্যর্থতায় ম্যাচ থেকে প্রায় ছিটকে গিয়েছিলো বাংলাদেশ। তবে সাকিব আর রিয়াদের অতিমানবীয় জোড়া শতকে ভর করে বাংলাদেশ পায় টুর্নামেন্টে প্রথম জয়ের স্বাদ। আর এখানেই বিদায় ঘন্টা বেজে যায় নিউজিল্যান্ডের।
সোফিয়া গার্ডেন, এদেশের ক্রিকেটে অনেক আপন এক নাম। সেই স্বপ্নের অস্ট্রেলিয়া বধের স্মৃতি নিয়ে মাশরাফি যখন টস করতে নামেন তখন খেলা শুরুর নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেছে। বৃষ্টির কারণে আউটফিল্ড ভেজা থাকায় এক ঘণ্টা দেরিতে খেলা শুরু হয়। টসে জিতে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ইউলিয়ামসনের ব্যাটিং এর সিদ্ধান্ত। আগের ম্যাচের একাদশ নিয়ে নিউজিল্যান্ড মাঠে নামলেও বাংলাদেশের দুই পরিবর্তন। ইমরুল কায়েসের পরিবর্তে গত ম্যাচে একাদশের বাইরে থাকা মোসাদ্দেক হোসেন এবং মেহেদি হাসান মিরাজের পরিবর্তে টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মত তাসকিন আহমেদ।
ব্লাকক্যাপসদের হয়ে মার্টিন গাপটিল ও লুক রনকির দুরন্ত সূচনা। ৭ ওভারেই ৪৬ রান, এর পরের বলেই তাসকিনের স্লোয়ারে মুস্তাফিজে তালুবন্দী হয়ে ফিরে যান রনকি। রুবেল টিকতে দেননি গাপটিলকে, এলবিডব্লিউ'র ফাঁদে কাটা পড়েন তিনি। গাপটিল ১ ছয় ও ৪ চারে ৩৫ বলে ৩৩ রান করেন। এরপর উইলিয়ামসন আর টেলর মিলে গড়েন ৮৩ রানের জুটি। দলীয় ১৫২ রানে উইলিয়ামসনের রান আউট, তার আগেই তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৩০তম অর্ধশতক। তিনি ৬৯ বলে ৫৭ রান করেন যার মধ্যে ৫টি চারের মার ছিল। এর পর দলকে টেনে নেন টেলর, দলীয় ২০১ রানে আউট হওয়ার আগে তুলে নেন অর্ধশতক। তাসকিনের বলে মুস্তাফিজের হাতে ধরা পড়ার আগে ৮২ বলে করেন ৬৩ রান। এরপরই আসে বাংলাদেশের বোলারদের নিজেদের ফিরে পাওয়ার মুহুর্ত। মোসাদ্দেকের স্পিনে একে একে আউট হন ব্রুম, নিশাম আর এন্ডারসন। শেষ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৬৫ রান করতে সমর্থ্য হয়। বাংলাদেশের পক্ষে মোসাদ্দেক ১৩ রানে ৩ উইকেট পান, এছাড়াও তাসকিন পান ২ উইকেট।
২৬৬ রানের টার্গেট ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ, হারলেই বিদায়। এমন পরিস্থিতিতে আবারও ব্যর্থ টপ অর্ডার। টিম সাউদির আগুন ঝরানো প্রথম স্পেলে তার মুখোমুখি হতেই খাবি খেয়েছে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই তামিম এলবিডব্লিউ, শুন্য রানে ১ম উইকেটের পতন। দলীয় ১০ রানে আউট পুরা টুর্নামেন্টে ব্যর্থ সাব্বির রহমান। তার পিছনেই প্যাভিলিয়নে হাটেন সৌম্য সরকার। তিনিও এলবিডব্লিউ এর ফাঁদে। আর সবগুলো উইকেটই পান টিম সাউদি। এরপর মুশফিকও হতাশ করেন দলকে। মিলনের ভিতরে ঢুকা বলে বোল্ড হন তিনি, দলের রান তখন ৩৩। এরপর সাকিব আর রিয়াদের ইতিহাস গড়া ইনিংস। নিজেদের দুঃসময়কে ঝেড়ে ফেলে দলের জন্য গড়লেন ইতিহাস। ৫ম উইকেটে সর্বকালের সেরা ২২৪ রানের জুটি। দু’জন পান শতকের দেখা। সাকিবের ৭ম ও রিয়াদের ৩য় সেঞ্চুরি। ১১৫ বলে ১১৪ রান করে সাকিব যখন আউট হন তখন জয়ের জন্য প্রয়োজন আর মাত্র ৯ রান। মোসাদ্দেককে সাথে নিয়ে বাকি কাজ সারেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, তিনি অপরাজিত থাকেন ১০৭ বলে ১০২ রানে। বাংলাদেশ পেয়ে যায় কাঙ্ক্ষিত পাঁচ উইকেটের জয়।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ
নিউজিল্যান্ড-২৬৫/৮, টেলর-৬৩, উইলিয়ামসন-৫৭, মোসাদ্দেক-১৩/৩, তাসকিন-৪৩/২
বাংলাদেশ-২৬৮/৫, সাকিব-১১৪, রিয়াদ-১০২, সাউদি-৪৫/৩
প্লেয়ার অফ দ্যা ম্যাচ- সাকিব আল হাসান
