যে মন্ত্রে হাসারাঙ্গার বিপক্ষে বারবার সফল হন মুশফিক
97 Repoter: 97admin
Publish: messages.not_available Update: 1 second ago-
1
Everyone had the belief that we could play good cricket- Mehidy Hasan Miraz
-
2
First Innings End with Bangladesh Taking a 228-Run Lead
-
3
Australia Show Signs of Fightback, End Day 3 Still 67 Runs Behind
-
4
Still Thinking About Victory, Hazlewoods Roar
-
5
Afghanistan thrash Ireland to win ODI series 4-0
যে মন্ত্রে হাসারাঙ্গার বিপক্ষে বারবার সফল হন মুশফিক
যে মন্ত্রে হাসারাঙ্গার বিপক্ষে বারবার সফল হন মুশফিক
মুশফিকুর রহিম প্রথম ব্যাটার হিসাবে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বিপক্ষে একশোর বেশি রান করেছেন একবারও উইকেট না হারিয়ে। হাসারাঙ্গাকে সামলানো নিয়ে মুশফিক বললেন, হাসারাঙ্গা যা করার চেষ্টা করে ওইটাই আমি গ্রহণ করে ফেলি। ওর বিপক্ষে খেলতে আমি সাচ্ছন্দ্যবোধ করি।
স্লগ, সুইপ, রিভার্স সুইপ খেলেন বলেই মুশফিক হাসারাঙ্গাকে খেলতে পারেন। তার করা ভালো বলগুলোই মুশফিক সুইপ খেলতে বেছে নেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বিপক্ষে ১০০ রানের বেশি করা একমাত্র ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। কোনো ফরম্যাটেই তাকে আউট করতে পারেননি এই লেগ-স্পিনার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হাসারাঙ্গা বনাম মুশফিকুর: ১৬৪ রান (১৬১ বল), ০ ডিসমিসাল।
বাংলাদেশ দলের ভারতীয় অ্যানালিস্ট শ্রীনিবাস চন্দ্রশেখর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালীন সময়েই তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্ট করেন, 'কিভাবে হাসারাঙ্গাকে খেলতে হয়? জানতে মুশফিকুর রহিমের সাথে যোগাযোগ করুন।' শ্রীনিবাসের এই প্রশ্ন ধরেই ম্যাচ শেষে মুশফিকুর রহিমকে জিজ্ঞেস করা- কোন মন্ত্রে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বিরুদ্ধে বারবার সফল হন মুশফিকুর রহিম?'আমার কাছে মনে হয় স্বাভাবিক। কিছু বোলার বলেন বা নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষ, অনেক সময় থাকে আপনি যদি ওদের সাথে খেললে আত্মবিশ্বাসী থাকেন। আবার অনেকে আছে ওর বলে বারবার আউট হয়ে যায়। ওরকম স্পেশাল কিছু না। ও যেটা করে আমি পিক করে ফেলি। এটাই আর কিছু না। সে আউটস্ট্যান্ডিং এবং ইমপ্যাক্টফুল বোলার। সে যত কম ইমপ্যাক্ট ফেলবে আমাদের জন্য তত ভালো। যখনই সুযোগ পাই ওর বিপক্ষে, আমি কমফোর্টেবল ফিল করি।''কেউ ফ্লিপার করবে, কেউ গুগলি করবে, কেউ লেগ স্পিন করবে। সব বল হাত দেখে পিক করা যায় না। সুইপ অপশন যদি থাকে, কাজটা সহজ হয়ে যায়। ভালো বলে স্কোরিং অপরচুনিটি থাকলে ব্যাটারের চাপ কমে যায়। ফিল্ড সেটআপ বদলে যায়, বোলারের চাপ বেড়ে যায়।' সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৮৪ বলে ৭৩ রানের হার-না-মানা ইনিংস খেলেই ৩৩ বল বাকি থাকতেই জিতিয়ে দেন দলকে, আর তাতেই সিরিজে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।
