'টেস্টে উন্নতি করতে আসি নাই, জিততে আসছি'
97 Repoter: 97admin
Publish: messages.not_available Update: 1 second ago-
1
Top End T20, Bangladesh HP Secure Third Consecutive Win
-
2
ECB Investigates Nightclub Incident, England Pacer Brydon Carse in Trouble
-
3
Afghanistan Announce T20I Squad for India Series
-
4
ICC Code of Conduct Breach, Yashasvi Jaiswal and Asitha Fernando Face Sanctions
-
5
Australias Alex Carey Praises Shoriful and Bangladesh Despite Two-Day Test
'টেস্টে উন্নতি করতে আসি নাই, জিততে আসছি'
'টেস্টে উন্নতি করতে আসি নাই, জিততে আসছি'
অল্প রানে দুই দলের গুটিয়ে যাওয়ার গল্প নিয়েই শেষ হলো ঢাকা টেস্ট। সিলেট টেস্টে অন্তত কিছু আশার সঞ্চার দেখা গিয়েছে দুই দলের মধ্যে। ঢাকা টেস্টে তাঁর সিকি পরিমাণও ছিল না। প্রথম টেস্টে জয়ের পর, দ্বিতীয় টেস্টে হারের স্বাদ পেতে হলো নতুন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত'র অধীনে থাকা বাংলাদেশ দলকে।
ঢাকা টেস্টের শুরুর দিন থেকে নানা সমালোচনা ও আলোচনা চলছিল। সেই স্লো উইকেট, স্পিনের সুবিধা ইত্যাদি নানারকম কথামালা চালু ছিল। প্রথম দিনে বাংলাদেশ দল অলআউট হওয়ার পরে, নিউজিল্যান্ডের ৫ উইকেট পতন– অর্থাৎ টেস্টের এক দিনে ১৫ উইকেট হারিয়ে বসেছিল দুই দল। প্রশ্ন আসে, বাংলাদেশের ‘হোম অ্যাডভান্টেজ’ ও এর প্রক্রিয়া নিয়ে। উন্নতি করা আর জিতে ফেরা'র মধ্যবর্তী জায়গা থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসে উত্তর করলেন শান্ত।“টেস্ট ক্রিকেটে তো আমরা ইম্প্রুভ করতে আসি নাই, জিততে আসছি। এইখানে জেতার জন্য আমাদের প্রস্তুতিটা কেমন হওয়া উচিত, তা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই ধরনের অ্যাডভান্টেজ অবশ্যই নেওয়া উচিত।”“যা আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে মনে হয় যে, আমরা যখন প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে খেলি, সেখানে আমরা ভালো উইকেটে বা এমন কন্ডিশন বানায়ে প্র্যাকটিস করতে পারি। যখন আমরা হোমে খেলব, আমরা এনসিএলে এমন উইকেটে খেললাম। আবার অ্যাওয়ের জন্য দুই তিনটা উইকেট আমরা এভাবে বানালাম। কিন্তু আমার মনে হয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্র্যাকটিসের জায়গা না। এখানে ইমপ্রুভ করারও কিছু নাই যে ভালো উইকেটে খেলে আমরা ভালো ম্যাচ খেললাম। এখানে আমরা জেতার জন্য আসি।” শান্ত পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন তাঁর মতামত ও পরিকল্পনা। উন্নতি নয়, বরং জেতার চাহিদা নিয়েই দল মাঠে নামে। যদি দেশের বাইরের উইকেট নিয়ে চিন্তা করতে হয়, তবে সেরকম উইকেটও দেশে বানানো যেতে পারে– তবে ‘হোম অ্যাডভান্টেজ’কে স্বাভাবিকভাবেই দেখতে চান বাংলাদেশের এই দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিনায়ক। প্রসঙ্গ আসে সিলেট টেস্টের উইকেট নিয়ে। শান্ত বলেন, “সিলেটের উইকেট’টায় বোলারদের জন্য খুব বেশি হেল্প যে ছিল, তা বলব না। বোলাররা বোলিং করেছে, ব্যাটাররাও কষ্ট করে রান করেছে। দুই ধরনের হেল্পই ছিল।” “এই টেস্টের কথা যদি বলি, আমরা ব্যাটাররা খুব একটা ভালো ব্যাটিং করিনি। প্রথম ইনিংসে ২৩০-২৪০ রানের উইকেট ছিল। ঐ জায়গায় আমরা রানটা কম করার কারণে মনে হইছে, উইকেটটা অনেক খারাপ। অবশ্যই নতুন বলে চ্যালেঞ্জ ছিল, প্রত্যেকটা সিচুয়েশনই থাকে, যখন আমরা অ্যাওয়েতে খেলি, তখনও নতুন বলের চ্যালেঞ্জটা থাকে। তো এখানে আলাদা কিছুই ছিল না। আমরা ব্যাটিংটা আরেকটু বেটার করলে হয়তো এই সিচুয়েশনটা ক্রিয়েট হইত না।”
