আইসিসি ও ম্যাচ রেফারিদের ‘পিচ রেটিং’ নিয়ে খুশি নন রোহিত

রোহিত

কেপটাউনে দ্বিতীয় টেস্ট জেতার পর ভারতীয় অধিনায়ক বেশ ক্ষোভ ঝাড়লেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) অথবা যে ম্যাচ রেফারিরা মাঠ পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন- তাঁদের ব্যাপারে খুশি হতে পারছেন না রোহিত শর্মা। বিশেষ করে নিজ দেশ ভারতে শেষ হওয়া বিশ্বকাপে আইসিসি থেকে দেওয়া পিচের মান সন্তুষ্ট করতে পারেনি দলীয় অধিনায়ককে। যেখানে ইতিহাসের সবচেয়ে কম সময়ে কেপটাউন টেস্ট শেষ হয়ে গেছে- সেখানে রোহিতের প্রশ্ন, আইসিসি বা ম্যাচ রেফারি এই পরিস্থিতিগুলোতে কী ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ হয়ে যায় কি না।

দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচ জেতার পর দক্ষিণ আফ্রিকা কেপটাউন টেস্টেও জয়ের স্বপ্ন দেখছিল। কিন্তু প্রথমদিনের খেলায় দুই দল একবার করে অলআউট হয়ে যায়, মোট উইকেট পড়ে ২৩ টি। শেষপর্যন্ত মাত্র ৬৪২ বলে দ্বিতীয় দিনে এসে এই ম্যাচটি ভারতের পক্ষে যায়। সফরকারী দল ৭ উইকেটে জিতে সিরিজে সমতা ফেরায়।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে রোহিত বলেন,

“আমি বোঝাতে চাচ্ছি, আমরা দেখলাম এই ম্যাচে কি ঘটল! পিচ কী ধরনের খেলা দেখাল, আর সবকিছুই।”

“আমি সত্যি বলতে এই ধরনের পিচে খেলতে কিছু মনে করি না। যতক্ষণ না সবাই তাঁদের মুখটা বন্ধ রাখবে ভারতে গিয়ে এবং ভারতীয় পিচ সম্পর্কে বেশি কথা বলবে না। আমি সত্যি বলছি।”

“কারণ আপনি এখানে আসেন (টেস্ট ক্রিকেটে) নিজেকে চ্যালেঞ্জ করতে। হ্যাঁ এটা খুব ভয়ংকর। এটা চ্যালেঞ্জিং। তো যখন কেউ ভারতে আসবে, এটা একইরকম চ্যালেঞ্জিং হওয়ার কথা। দেখুন, আপনি যখন এখানে টেস্ট ক্রিকেট খেলতে আসেন, একটা আল্টিমেট প্রাইজ, আমরা টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে বলি আল্টিমেট প্রাইজ, টেস্ট ক্রিকেট সর্বোচ্চ স্থানে আছে এবং এই কথাগুলো। আমার মনেহয় এটা জরুরি যে, আমরা এর উপর বিশ্বাসও করছি।”

“আপনি যখন কারও বিপক্ষে যাবেন, এরকম চ্যালেঞ্জ দেখবেন, আপনি আসবেন এবং তা মোকাবিলা করবেন। ভারতে এটাই ঘটে কিন্তু ভারতে প্রথম দিনেই যদি পিচে কিছুটা টার্ন করে- লোকেরা বলা শুরু করে ‘ধুলোবালি’, ‘ধুলোবালি’- এখানের পিচে অনেক বেশি ক্র্যাক। লোকজন সেসব দেখে না।”

রোহিত যোগ করেন, “আমার মনেহয় এটা জরুরি যে প্রতিটা জায়গায় নিরপেক্ষ থাকা।”

“আমি এখনো বিশ্বাস করতে পারি না, বিশ্বকাপ ফাইনালের পিচ ‘বিলো এভারেজ’ হিসেবে গণনা করা হয়েছে। একজন ব্যাটার সেখানে হান্ড্রেড করেছে ফাইনালে। সেটা কীভাবে একটা খারাপ পিচ হয়? তো এই ব্যাপারগুলো আইসিসি, ম্যাচ রেফারি- তাঁদের খেয়াল করা দরকার। পিচের মান ঠিক করা দরকার, তাঁরা কী দেখে সে অনুযায়ী, দেশ অনুযায়ী নয়। আমার মনেহয় এটা বেশ জরুরি।”

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: ‘ডি’ গ্রুপে বাংলাদেশ

Read Next

সিডনি টেস্ট: চাপে পাকিস্তান, শেষ ১০ রান তুলতে নেই ৫ উইকেট!

Total
0
Share