আইসিসির বর্ষসেরা নারী ইমার্জিং ক্রিকেটারের শর্টলিস্টে মারুফা

মারুফা 1

উইমেন’স ইমার্জিং ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার ২০২৩- এর সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। যেখানে ৪ জন নারী ক্রিকেটারের মধ্যে সুযোগ পেয়েছেন বাংলাদেশের উদীয়মান পেসার মারুফা আক্তার। বাকি তিন ক্রিকেটার; ব্যাটার ফোবি লিচফিল্ড, পেসার লওরেন বেল, অলরাউন্ডার ডার্সি কার্টার।

২০২৩ বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের জন্যই সাফল্যমণ্ডিত এক বছর। ভারতের বিপক্ষে সিরিজে সমতা, পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়, দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে জয় ও ভালো খেলার ধারাবাহিকতা রক্ষা- এসবের মধ্য দিয়ে পুরো বছর পার করেছে মারুফারা।

গতবছর ওডিআইতে ২৪.৭৭ গড়ে ৯ উইকেট, টি-টোয়েন্টিতে ২৩.৩০ গড়ে ১০ উইকেট শিকার করেছেন মারুফা। এই ক্রিকেটার আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে মাত্র কয়েকটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন। তবে মূল চমক দেখিয়েছেন টুর্নামেন্টে। যখন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে পরপর দুই বলে দুই উইকেট তুলেছিলেন। পাশাপাশি ম্যাচটি শেষ করেন ২২ রান দিয়ে ৩ উইকেট সংগ্রহ করে। যেটি কিনা তার মাত্র তৃতীয় আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ছিল।

এরপরের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার বেথ মুনির উইকেট তুলতে সক্ষম হন মারুফা। ছয়ের কিছু বেশি ইকোনমি নিয়ে ৪ উইকেট সংগ্রহ করে টুর্নামেন্ট শেষ করেন তিনি। পরবর্তীতে বছরের মাঝামাঝি সময়ে ভারতের বিপক্ষে বোলিং এন্ড থেকে ছুটে আসা মারুফা মুগ্ধ করেছেন বারবার। যা দক্ষিণ আফ্রিকা সফর পর্যন্ত তার নিয়মিত দলের সুযোগ পাওয়ার বিষয়টিতেও প্রমাণ হয়।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর ঘরের মাটিতে প্রথমবারের মতো ভারতকে ওডিআই ম্যাচে হারানোর স্বাদ লাভ করে বাংলাদেশের মেয়েরা। প্রথমে ব্যাট করতে নামা লাল-সবুজের দল ১৫২ এর বেশি সংগ্রহ করতে পারেনি সে ম্যাচে। তবে মারুফার দুর্দান্ত বোলিং, ৪ টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেওয়ার পর- ভারতকে বৃষ্টি আইনে ৪০ রানে পরাজিত করে বাংলাদেশ। ২৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট সংগ্রহ করা, এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মারুফার সেরা বোলিং ফিগার।

উদীয়মান খেলোয়াড়ের এই সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার লিচফিল্ড। মাত্র ২০ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার ব্যাট হাতে স্বপ্নের মতো সময় কাটিয়েছেন গত বছর। বিশেষ করে ওডিআই ক্রিকেটের কথা বললে, ৪৯.১৪ গড়ে রান করেছেন ৩৪৪। পাশাপাশি টেস্টে ৮৭ রান ও টি-টোয়েন্টিতে ৮৮ রান করেছেন তিনি।

ইংল্যান্ডের বেল, যিনি এই তালিকায় মারুফার মতোই পেসার। লম্বা গড়নের বোলার হওয়ার ফলে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের কাবু করতে বেশ সিদ্ধহস্ত। গত বছর টেস্টে ৬, ওডিআইতে ৭ ও টি-টোয়েন্টিতে ৯ উইকেট তুলেছেন তিনি।

কার্টার, এই স্কটিশ অলরাউন্ডার নিজের ব্যাট-বলের পারফরম্যান্স দিয়ে ২০২৩ নিজের করে নিয়েছেন। তিনি অনূর্ধ-১৯ দলের খেলোয়াড় ছিলেন বেশিদিন নয়। খুব তাড়াতাড়ি জাতীয় দলে ডাক পেয়ে নিজের প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন দুই দিকেই। টি-টোয়েন্টিতে ব্যাট হাতে ২২ এর বেশি গড় নিয়ে ২২৪ রান করেছেন, বল হাতে একই সংস্করণে তুলেছেন ১৩ টি উইকেট।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

ধনঞ্জয়া ডি সিলভা শ্রীলঙ্কার টেস্ট অধিনায়ক

Read Next

অ্যারন ফিঞ্চ টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার শেষ করতে চলেছেন

Total
0
Share