খুশি, তবে সিরিজ জিততে পারলে আরও ভাল লাগত: শান্ত

বাংলাদেশ 4

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথম ওডিআই সংস্করণে প্রথন জয় বাংলাদেশের জন্য। সে জয়ও বিশেষ কিছু হয়ে থাকছে নানা কারণে। মাত্র ৯৮ রানে প্রতিপক্ষকে অলআউট করে দেওয়া, বোলারদের দুর্দান্ত ছন্দ, নাজমুল হোসেন শান্ত’র অধিনায়কত্বে প্রাপ্ত জয়– এমন কতকিছুই না বলা যায়। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে শান্ত মনে করিয়ে দিলেন, সিরিজ জিততেই এসেছিলেন তাঁরা৷

শান্ত’র অধিনায়কত্বে ঘরের মাটিতে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে জয় লাভ করেছে বাংলাদেশ, যা চলমান সিরিজের আগের কথা। এবার কিউইদের মাটিতে গিয়ে প্রথমবারের মতো ওডিআই ম্যাচে জয় লাভ করল টাইগাররা।

শান্ত গর্বিত হচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু মনে করিয়ে দিলেন সিরিজ জিততেই নিউজিল্যান্ডে এসেছিল দল।

“ইতিহাস চিন্তা করলে অবশ্যই গর্বের ব্যাপার। তবে আমাকে জিজ্ঞেস করলে বলব, সিরিজ জিততে এসেছিলাম। এটা আমি মিন করেই বলেছিলাম। প্রথম ম্যাচ একটু আনলাকি ছিলাম, বৃষ্টির কারণে বোলিং অপশন শেষ হয়ে গিয়েছিল। অবশ্যই জিততে পেরে খুশি তবে সিরিজ জিততে পারলে আরও ভালো লাগত।”

বাংলাদেশের পেসারদের থেকে আজ প্রাপ্তি অনেক বেশি। মাত্র ৯৮ রানে কিউইদের অলআউট করে দেওয়ার কৃতিত্ব শরিফুল ইসলাম, তানজিম সাকিব’দের। উভয়ই ৩ টি করে উইকেট পেয়েছেন। সৌম্য সরকারের করা ৬ ওভারেও এসেছে ৩ টি উইকেট। নির্দিষ্ট কাউকে কৃতিত্ব দিতে চান না শান্ত, “যাকে যখন বোলিংয়ে এনেছি সবাই সবার দায়িত্ব পালন করেছে। শরিফুল দ্বিতীয় স্পেলে এসে যখন ব্রেক থ্রু দিয়েছে সেটা মোমেন্টাম আমাদের দিকে নিয়ে এসেছে। আমি নির্দিষ্ট কাউকে কৃতিত্ব দিতে চাই না। প্রত্যেক বোলার দায়িত্ব নিয়ে বল করেছে, পরিকল্পনামাফিক বল করেছে।”

আলাদা কোনো সহায়তা ছিল না উইকেটে। তবে সকালে পেস বোলারদের জন্য বেশ উপযোগী ছিল নেপিয়ারের পিচ। অধিনায়ক বলেন,

“উইকেটে কোনো পাশ থেকে বাড়তি কোনো সহায়তা ছিল না। শুধু টেকটিক্যাল চেঞ্জ করা হয়েছে। সকালে পেস বোলারদের অনেক সহায়তা ছিল। আমি এটাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি, কতক্ষণ পেস বোলারদের চালু রাখা যায়। আলাদা কোনো সহায়তা ছিল না উইকেটে।”

পুরো সিরিজ জুড়েই প্রক্রিয়া মেনে চলার চেষ্টা করেছে বাংলাদেশ। তাতে সাফল্য মাঝে ধরা দিয়েছে, অনেক সময় ভাগ্যের সহায়তা মেলেনি, তবে প্রক্রিয়া ঠিক রাখার চেষ্টা করেছে দল। ফলে সাফল্যের কাছেও ফিরেছে শেষ ম্যাচে।

“পুরো সিরিজে আমরা প্রক্রিয়া মেনে চলার চেষ্টা করেছি। লম্বা সময় ধরে ভালো বোলিং করায় উইকেট অটোমেটিক পড়ছিল। ১০০ বা ৯৮ রানে অলআউট করে ফেলব এমন আশা নিয়ে আসিনি। ভালো জায়গায় কত লম্বা সময় ধরে বল করতে পারি এটাই পরিকল্পনা ছিল। বোলাররা এটাই করেছে। আগের দুই ম্যাচ হারের পর বোলাররা যেভাবে কাম ব্যাক করেছে, খুবই গর্ব বোধ হচ্ছে।”

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

পাকিস্তানের চোটের মিছিলে যোগ দিলেন নওমান আলি

Read Next

বাংলাদেশের শক্তি আর নিজেদের দুর্বলতার গল্প শোনালেন ল্যাথাম

Total
0
Share