১৯ তম ম্যাচে এসে অধরা জয়ের দেখা

১৯ তম ম্যাচে এসে অধরা জয়ের দেখা

২০০৮ সালের ৯ অক্টোবর, নিউজিল্যান্ডকে ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথমবার হারায় বাংলাদেশ দল। মিরপুরে ড্যানিয়েল ভেট্টোরির দলকে ৭ উইকেটে হারায় মোহাম্মদ আশরাফুলের দল। এরপর আরও ৯ টি ৫০ ওভারি ম্যাচে কিউইদের হারিয়েছে টাইগাররা। তবে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে জয় অধরা ছিল আজকের আগে।

অবশেষে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে তাঁদের বিপক্ষে খেলা ১৯ তম ম্যাচে এসে প্রথম ওয়ানডে জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ। সবমিলে ৪৫ তম ম্যাচে টাইগারদের ১১ তম জয়।

কিউইদের তাঁদের মাটিতে প্রথমবার ওয়ানডেতে হারানোর দিনে ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়েছে টাইগাররা। সৌম্য সরকারের রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফেরা ছাড়া এদিন সবটাই ছিল বাংলাদেশময়। ৯ উইকেটের জয়ে একমাত্র আউট হওয়া ব্যাটার এনামুল হক বিজয়।

নেপিয়ারের ম্যাকলিন পার্কে এদিন টসে হেরে আগে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ড। তানজিম হাসান সাকিব, শরিফুল ইসলামদের বোলিং তোপের সঙ্গে যুক্ত হয় পার্ট টাইমার সৌম্য সরকারের বোলিং। ৩ জনই নেন ৩ টি করে উইকেট।

মুস্তাফিজুর রহমান বাকি উইকেট টা নিলে ৩১.৪ ওভারে ৯৮ রান তুলেই অলআউট হয় স্বাগতিকরা। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে তো বটেই, সবমিলে ৫০ ওভারি ফরম্যাটে এই প্রথম ১০০ এর নিচে বাংলাদেশের বিপক্ষে অলআউট হল কিউইরা।

নিউজিল্যান্ডকে গুড়িয়ে দিতে ৭ ওভারে ৩ উইকেট নিতে কেবল ১৪ রান হজম করেন তানজিম হাসান সাকিব, দেন ২ মেডেন। সমান সংক্যাক ওভারে মেডেনের দেখা না পেলেও মাত্র ২২ রান হজম করে ৩ উইকেট নেন শরিফুল। ৬ ওভারে ১ মেডেন সহ ১৮ রান খরচে ৩ উইকেট- সৌম্যর ওয়ানডেতে ক্যারিয়ার সেরা।

জবাব দিতে নেমে চোখের সমস্যার কারণে মাঠ ছাড়তে হয় সৌম্য সরকারকে (১৬ বলে ৪)। তবে এনামুল হক বিজয় (৩৩ বলে ৩৭) ও নাজমুল হোসেন শান্ত (৪২ বলে অপরাজিত ৫১) বাংলাদেশের কাজ সহজ করে দেন।

বিজয়ের উইকেট হারিয়ে ১৫.১ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। দেখা পায় অধরা জয়ের। 

দাপুটে বোলিং পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরা হন তানজিম হাসান সাকিব। সিরিজে ২২০ রান করে সিরিজসেরা হন নিউজিল্যান্ড ওপেনার উইল ইয়াং।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

শরিফুল-সাকিবদের বোলিং তোপে ৯৮ তেই শেষ নিউজিল্যান্ড

Read Next

আগের দিনের ভুল আজ করতে চাননি ম্যাচসেরা সাকিব

Total
0
Share