ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টিতেও ইংল্যান্ডকে পাত্তা দিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

নিজেদের মাটিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৫ ম্যাচ সিরিজের শেষ ম্যাচে ৪ উইকেটের জয়ে, ৩-২ এ থেকে সিরিজ শেষ করল স্বাগতিকরা। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টায় সব উইকেট হারিয়ে রান ওঠে ১৩২। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪ বল বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল।

১৩৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা। নিজেদের মাটিতে খুব সহজ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইংলিশদের মতোই ক্রিজে থিতু হওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছিল উইন্ডিজদের জন্যও।

প্রথম উইকেট, ব্রান্ডন কিং ফিরলে, নিকোলাস পুরানও টিকতে পারেননি খুব বেশিক্ষণ। তবে দলীয় ৫৪ রানে যখন জনসন চার্লস ফিরেছেন, তখন তাঁর ব্যাটে ২৭ রান এসেছে।

শাই হোপের সাথে শার্ফেন রাদারফোর্ডের জুটি ম্যাচের ভাগ্য উইন্ডিজদের দিকে ঘুরিয়েছে। দুজন মিলে ৪১ রানের জুটি তৈরি করেন। রাদারফোর্ড ২৪ বলে ৩০ রানে ফিরলেও, হোপ ছিলেন শেষ পর্যন্ত।

চার বল বাকি থাকতে ছক্কা মেরে ম্যাচ জয়ী রান এনেছেন হোপ। অপরাজিত ছিলেন ৪৩ বলে ৪৩ রানে।

ইংল্যান্ডের পক্ষে রিস টপলি ও আদিল রশিদ ২ টি করে উইকেট পেয়েছেন। স্যাম কারেন ও ক্রিস ওকস ১ টি করে উইকেট নিয়েছেন।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নামে ইংল্যান্ড। দলীয় ২৪ রানে জস বাটলারের উইকেট হারানোর পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট খুইয়েছে ইংলিশরা। আরেক ওপেনার ফিল সল্ট অবশ্য দলীয় ৬০ রান পর্যন্ত ক্রিজে থেকে ব্যক্তিগত ৩৮ রান করে ফিরেছেন, যা ছিল ইনিংস সর্বোচ্চ।

গুদাকেশ মতি যেমন সল্টকে ফিরিয়েছেন, ক্রিজে থিতু হতে থাকা লিয়াম লিভিংস্টোনের উইকেটও তুলেছেন এই স্পিনার। লিভিংস্টোন ফিরেছেন ২৮ রানে। পরবর্তীতে মইন আলির ২১ বলে করা ২৩ রান ছিল ব্যক্তিগত ভদ্রস্থ।

পরের ব্যাটারদের আর তেমন কোনো অবদান দেখা যায়নি। ফলে ১৯.৩ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৩২ রানে গিয়ে থামে ইংল্যান্ডের স্কোর।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলার মতি সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেছেন। আন্দ্রে রাসেল, আকিল হোসেন, জেসন হোল্ডার প্রত্যেকে ২ উইকেট করে নিয়েছেন।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

বাংলাদেশ সিরিজে নেই উইলিয়ামসন, জেমিসন

Read Next

শ্রীলঙ্কা সফরের জিম্বাবুয়ের হেড কোচ ওয়াল্টার চাওয়াগুতা

Total
0
Share