ভারতীয় ক্রিকেটে আইপিএলের প্রভাব ব্যাখ্যা করলেন জিতেশ শর্মা

রিংকু

ভারতীয় ক্রিকেটে আইপিএল এর ইতিবাচক প্রভাব বাইরে থেকে খুব স্পষ্ট বোঝা যায়। অন্যদিকে খেলোয়াড়রাও এসব স্বীকার করে আসছেন সবসময়। এর আগে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১৯ বলে ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার জিতেশ শর্মা। রায়পুরে খেলা সেই ম্যাচ ছিল জিতেশের চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।

রিংকু সিং’য়ের সাথে ৫৬ রানের এক জুটি গড়েন জিতেশ। যেখানে জিতেশের ব্যাটে এসেছিল ৩ ছয় ও ১ চারের মার। ১৯ বল মোকাবিলা করে দ্রুতলয়ে ৩৫ টি রান তুলেছেন নিজের ও দলের খাতায়। অন্যদিকে রিংকু খেলেছিলেন ২৯ বলে ৪৬ রানের ইনিংস।

এই দুইজনের ব্যাটে ভারতের রান বাড়ে, সংগ্রহ গিয়ে ঠেকে ১৭৪ রানে। এটা ছিল এই সিরিজের জিতেশের প্রথম ম্যাচ। এর আগে এশিয়ান গেমস এর ম্যাচে এই ব্যাটারের অভিষেক ঘটেছিল।

সেদিনের ইনিংস খেলে জিতেশ আইপিএল এর ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন।

“হ্যাঁ আমি এটা বেশ উপভোগ করেছি। হ্যাঁ স্যার (আইপিএল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য ভাল প্রস্তুতি হিসেবে কাজ করে। পরিস্থিতি একই। আমি মনে করি, চাপও একইরকম। আইপিএলের কারণে, এই ধরনের পরিস্থিতিতে আপনি আগেও পড়েছেন। তাই এটা কিছুটা সহজই মনে হয়।”

“যখন আপনি চাপে পড়বেন, তখন আপনি নিজের চরিত্র সম্পর্কে জানবেন।”

পাঞ্জাব কিংসের হয়ে আইপিএলে জিতেশের পারফর্ম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। ২০২৩ আইপিএলে দলের হয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন জিতেশ। ১৫৬ স্ট্রাইক-রেটে ৩০৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন তিনি।

জিতেশ বলেন, তিনি সবসময়ই প্রস্তুত ছিলেন। যখন বেঞ্চে বসে থাকতেন, তখনো খেয়াল করতেন কোথায় কোথায় উন্নতির জায়গা আছে। যখন সুযোগ আসবে, তখন কীভাবে তা কাজে লাগাবেন- এসব ভাবনা তাঁর মাথায় উঁকি দিত সর্বদা।

“আমি কিছু চিন্তা করতাম না। আমি শুধু বোলারদের বিশ্লেষণ করতাম। এমনকি যখন বাইরে বসে থাকতাম, আপনি বোলারদের দেখতে পারছেন। আমি এটা সুযোগ হিসেবে দেখি। বাইরে বসে থাকায় কোনো অসুবিধা নেই আসলে। তবে আমি নিজেকে শতভাগ প্রস্তুত রাখি, যখন সুযোগ আসে।”

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

স্যার ভিভ রিচার্ডসের ছবি ক্যারিবিয়ান নোটে

Read Next

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশের মেয়েদের প্রথম জয়

Total
0
Share