রিয়াদের ব্যর্থতার দিনে আলো ছড়ালেন সৌম্য, মুমিনুল

সৌম্য মুমিনুল সোহান

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) স্পেশাল সিরিজ, এশিয়ান গেমস স্কোয়াডের মুখোমুখি বাংলাদেশ টাইগার্স। এ ম্যাচ দিয়েই দীর্ঘ বিরতির পর মাঠের লড়াইয়ে নামেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ব্যর্থ হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩৯ বলের ধীরগতির ইনিংসে রিয়াদের ব্যাটে কেবল ২৬ রান। তবে আলো ছড়ালেন ওপেনার সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক ও নুরুল হাসান সোহান। সৌম্য ফিফটি মিস করলেও মুমিনুল, সোহানের ব্যাটে দেখা যায় জোড়া অর্ধশতক।

চট্টগ্রামের জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে এশিয়ান গেমস স্কোয়াডের দেওয়া ২৭৩ রানের টার্গেট টপকাতে নেমে ৪৩.২ ওভারেই ৬ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ টাইগার্স। সামনে ঘরের মাঠে জাতীয় দলের নিউজিল্যান্ড সিরিজ। বিশ্বকাপের আগে কাউকে পরখ করে দেখার শেষ সুযোগও এটি। জাতীয় দলে ফেরার আগে পূর্ণ প্রস্তুতির স্বাদ দিতেই অভিজ্ঞ রিয়াদ, সৌম্যকে এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কিন্তু প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে ব্যাট হাতে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩৯ বল খেলে মাত্র ২ বাউন্ডারিতে তিনি করেছেন ২৬ রান। লেগ-স্পিনার রিশাদ হোসেনের বলে সুইপ খেলতে গিয়ে সার্কেলের মধ্যেই সাইফ হাসানের হাতে তুলেছেন সহজ ক্যাচ। পুরো ইনিংসেই রিয়াদ উইকেটে ছিলেন নড়বড়ে। আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে খেলেছেন খুব কম বলই।  

দীর্ঘদিন পর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরে অভিজ্ঞ রিয়াদ ব্যর্থ হলেও দাপট দেখালেন সৌম্য সরকার। আরেক ওপেনার রনি তালুকদার আউট হয়েছেন ১০ রান করতেই। এরপর সৌম্য সরকার আর তিনে নামা মুমিনুল হকের জুটিতে এগোয় বাংলাদেশ টাইগার্স। সৌম্য সরকার এদিন ছিলেন নিজের চেনা ছন্দে, উইকেটের চারপাশেই খেলেন দারুণ সব স্ট্রোক্স। তবে ফিফটি পূর্ণ করার আগেই সৌম্য বিদায় নেন ৪৬ বলে ৪০ করে। তার এই ইনিংস সাজানো ছিল ৪ চার ও ১ ছক্কায়। মুমিনুল অবশ্য ফিফটি হাঁকিয়ে আউট হন ব্যক্তিগত ৭৬ রানে।

তবে এদিন ব্যাট হাতে ক্যামিও খেলেছেন উইকেটকিপার ব্যাটার নুরুল হাসান সোহান। মাত্র ৪৫ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় তার ব্যাট থেকে আসে ৬৫ রান। শেষদিকে ইরফান শুক্কুরের ৩৯ রানের হার-না-মানা ইনিংসে সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ টাইগার্স।

এর আগে এশিয়ান গেমসের স্কোয়াডের হয়ে ওপেনিংয়ে নেমে জাকির হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন দারুণ শুরু করেছিলেন। তবে ৪০ রানের জুটি ভাঙে ব্যক্তিগত ১৮ রানে ইমনের বিদায়ে। এরপর জাকির হাসান ইনিংস টেনে নিয়ে যান শাহাদত হোসেন দিপুকে নিয়ে, দুজনেই পেয়ে যান ফিফটির দেখা। এই জুটির সংগ্রহ আরও ১২৯ রান। সমান ৮৪ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন দুজনেই।

মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ব্যর্থ হলেও শেষদিকে ইয়াসির আলি রাব্বি ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর ফিনিশিংয়ে বড় সংগ্রহ পেয়েছে। মোসাদ্দেক ১০ বল খেলে পেয়েছেন কেবল ৫ রান। ইয়াসির রাব্বির ব্যাট থেকে ১১ বলে ২২ রানের ক্যামিও। বল হাতে এদিন বাংলাদেশ টাইগার্সের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট খালেদ আহমেদের।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

রাতে একাদশ ঘোষণা করে আজ আবার পরিবর্তন করল পাকিস্তান!

Read Next

সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলাপে আগ্রহী নন সাকিব

Total
0
Share