দুর্নীতির দায়ে আবারও শাস্তি পেতে যাচ্ছেন মারলন স্যামুয়েলস

মারলন স্যামুয়েলস
Vinkmag ad

ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার মারলন স্যামুয়েলস দুর্নীতিবিরোধী কোড লঙ্ঘনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনা ট্রাইব্যুনালের অভিযোগটি আবুধাবি টি-টেন এর ২০১৯ সংস্করণের সাথে সম্পর্কিত। দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় স্যামুয়েলস শাস্তি পেতে যাচ্ছেন দ্বিতীয়বার।

একটি স্বাধীন দুর্নীতিবিরোধী ট্রাইব্যুনাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাক্তন ব্যাটসম্যান মারলন স্যামুয়েলসকে এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) দুর্নীতিবিরোধী কোডের অধীনে চারটি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করেছে। স্যামুয়েলসকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে আইসিসি দ্বারা অভিযুক্ত করা হয়েছিল, তিনি শুনানির অধিকার প্রয়োগ করার পরে দোষী সাব্যস্ত হন।

অভিযোগগুলি আবুধাবি টি-টেন লিগের ২০১৯ সংস্করণের সাথে সম্পর্কিত, এই টুর্নামেন্ট ইসিবি-র অধীনে অনুষ্ঠিত হয়। স্যামুয়েলসকে কর্ণাটক টাস্কার্স স্কোয়াডে রাখা হয়েছিল, কিন্তু তার ম্যাচ খেলা হয়নি। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কোডের ২.৪.২, ২.৪.৩, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ নম্বর ধারা ভেঙেছেন স্যামুয়েলস।

স্যামুয়েলসের বিরুদ্ধে ইসিবির দুর্নীতিবিরোধী কোডের এই চারটি ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছিল:

অনুচ্ছেদ ২.৪.২ – মনোনীত দুর্নীতি দমন কর্মকর্তার কাছে তথ্য প্রকাশ করতে ব্যর্থ হওয়া, কোনো উপহার, অর্থপ্রদান, আতিথেয়তা বা অন্যান্য সুবিধার প্রাপ্তি যা অংশগ্রহণকারী বা ক্রিকেট খেলাকে অসম্মানিত করতে পারে এমন পরিস্থিতিতে দেওয়া বা নেওয়া হয়েছিল।

অনুচ্ছেদ ২.৪.৩ – মার্কিন ডলার ৭৫০ বা তার বেশি মূল্যের আতিথেয়তার মনোনীত দুর্নীতিবিরোধী অফিসিয়াল রসিদ প্রকাশ করতে ব্যর্থ হওয়া।

অনুচ্ছেদ ২.৪.৬ – মনোনীত দুর্নীতি দমন কর্মকর্তার তদন্তে সহযোগিতা করতে ব্যর্থ হওয়া।

অনুচ্ছেদ ২.৪.৭ – তদন্তের সাথে প্রাসঙ্গিক হতে পারে এমন তথ্য গোপন করার মাধ্যমে মনোনীত দুর্নীতি দমন কর্মকর্তার তদন্তে বাধা বা বিলম্ব করা।

ট্রাইব্যুনাল তাকে চারটি ক্ষেত্রেই দোষী সাব্যস্ত করেছে – প্রথমটি সংখ্যাগরিষ্ঠতার সিদ্ধান্তে এবং অন্য তিনটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে।

স্যামুয়েলস ২০২০ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন, ৭১টি টেস্ট, ২০৭টি ওয়ানডে এবং ৬৭টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। যেখানে তিনি ১১ হাজারের মতো আন্তর্জাতিক রান এবং ১৭টি সেঞ্চুরি করেছেন। ২০১২ এবং ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে সর্বোচ্চ স্কোর করেছিলেন।

তিনি তার খেলোয়াড়ি জীবনে বিতর্কের জন্য অপরিচিত ছিলেন না। দুর্নীতির দায়ে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন ২০০৮ সালে।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি দলে নতুনের ছড়াছড়ি

Read Next

পিসিবিকে ভিডিও সরিয়ে ইমরানের কাছে ‘ক্ষমা চাই’তে বললেন আকরাম

Total
0
Share