লিটনের দাপুটে ব্যাটিংয়ে জয়রথ থামল সিলেটের

লিটনের দাপুটে ব্যাটিংয়ে জয়রথ থামল সিলেটের
Vinkmag ad

এবারের বিপিএলে জয়ের পথ থেকে থামতেই চাচ্ছিল না সিলেট স্ট্রাইকার্স। রীতিমতো উল্কার গতিতে উড়ছিল। আকাশে ওড়া দলটিকে অবশেষে মাটিতে নামাল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। লিটনের দাপুটে ৭০ রানের ইনিংসে সিলেটকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিল কুমিল্লা। ব্যাক টু ব্যাক ম্যাচ সেরার পুরস্কার উঠল লিটনের হাতে।

মাশরাফির সিলেট স্ট্রাইকার্সের জয়রথ থামানোই যাচ্ছিল না। উড়েই চলছিল তারা। কিন্তু হোঁচট খেলে নিজেদের ৬ষ্ঠ ম্যাচে এসে। সেই উড়তে থাকা সিলেটকে এক ঝটকায় মাটিতে নামিয়ে এনেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। আগের ম্যাচে ২২ বলে ৪০ করে দলকে জেতানো লিটন দাস আজও জিতিয়েছেন দলকে; ৭০ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে।

শুরুতে টানা উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়লেও শেষ পর্যন্ত থিসারা পেরেরার ৪৩* এবং ইমাদ ওয়াসিমের ৪০* রানে ভর করে লড়াই করার পুঁজি পেয়েছে সিলেট স্ট্রাইকার্স। ৭ উইকেটে সংগ্রহ ১৩৩ রান। কিন্তু লিটনের অনবদ্য ৭০ রানের ইনিংসের পর জনসন চার্লসের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে এক ওভার হাতে রেখেই কুমিল্লার ৫ উইকেটের জয়। 

এর আগে টস হেরে ব্যাট চরম বিপর্যয়ে পড়ে সিলেট স্ট্রাইকার্স। প্রথম পাওয়ার-প্লের ৬ ওভারে ৩৫ রান স্কোরবোর্ডে তুলতেই হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। স্বদেশী মোহাম্মদ হারিসকে ফিরিয়ে প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দেন হাসান আলি। এরপর আবু হায়দার রনি ফেরান তিনে নামা আকবর আলিকে (১)। ৯ রান করতেই হাসান আলির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে ফেরত যান জাকির হাসান।

১৫ বলে ১৬ রানে মুশফিক উইকেট হারান মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর বলে। এক বল পরেই নাজমুল হোসেন শান্তকে (১৩) বোল্ড করেন মুগ্ধ। আরও এক বল পর রান আউটের শিকার শরিফুল্লাহ (১)। ইনিংসের ৯তম ওভারে মোট তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় সিলেট স্ট্রাইকার্স।

রানের খাতা খোলার আগেই মাশরাফি মর্তুজা হয়েছেন বোল্ড। দলীয় ৫৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলা সিলেট শিবিরে এরপর স্বস্তি ফেরে দুই বিদেশি তারকা ইমাদ ওয়াসিম ও থিসারা পেরেরার ব্যাটে। অষ্টম উইকেট জুটিতে ইমাদ-পেরেরা মিলে তুলেছেন ৮০ রান। আর তাতেই সিলেট স্ট্রাইকার্সের স্কোরবোর্ডে ১৩৩ রান।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে লিটন-রিজওয়ানের দারুণ সূচনায় পাওয়ার-প্লেতে আসে ৪৯ রান। তবে ইনিংসের ৮তম ওভারের শুরুতেই ডাবল নিতে যেয়ে রান আউটে কাটা পড়েন রিজওয়ান। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে ১৮ বলে ১৫ রান করেন রিজওয়ান।

শরিফুল্লাহ’র করা ইনিংসের ১৪তম ওভারে ৩ ছয় ও ১ চারে মোট ২৪ রান নিয়ে ফিফটি পূর্ণ করেন লিটন। শরিফুল্লাহ আগের ওভারেই ফিরতি ক্যাচ নিয়ে ফেরান ১৮ রানে থাকা অধিনায়ক ইমরুল কায়েসকে।

ব্যক্তিগত ৭০ রানে থাকা লিটনকে শেষপর্যন্ত বিদায় করেন মাশরাফি মর্তুজা। ৪২ বলে লিটনের এই ইনিংসটা সাজানো ৭ চার ও ৪ ছক্কায়। খুশদিল শাহকে (৩) ইনিংস বড় করতে দেননি মাশরাফি মর্তুজা; দারুণ বোলিংয়ে দখলে নেন নিজের দ্বিতীয় উইকেট।

জয়ের জন্য কুমিল্লার শেষ ১৮ বলে প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। জনসন চার্লস ও মোসাদ্দেক হোসেনের ব্যাটে চড়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় কুমিল্লা।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

ওয়াহাব, তামিমের তান্ডবে উড়ে গেল রংপুর

Read Next

বিশ্বকাপের খেলা তাড়াতাড়ি শুরু করার পক্ষে রোহিত

Total
1
Share