খুলনার টানা তিন হার

featured photo updated v 18
Vinkmag ad

রাতের ম্যাচে সাগরিকায় খুলনার টাইগার্সের চরম ভরাডুবি। তামিম, সাব্বিরসহ পাঁচ ব্যাটারের স্কোর এক সংখ্যায়, তবুও দলের সংগ্রহ ১৩০। শোয়েব মালিক ব্যাট হাতে দেখিয়েছেন দাপট। ৩ বল বাকি থাকতে রংপুর রাইডার্সের ৪ উইকেটের জয়।

চট্টগ্রাম পর্বের ২য় ম্যাচে রংপুরের অধিনায়ক সোহানের আমন্ত্রণে ব্যাট করতে নামে খুলনা টাইগার্স। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট বিসর্জন তামিম ইকবালের (১) আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের বলে তাকেই দিয়েছেন ফিরতি ক্যাচ। আগের দুই ম্যাচে ৭ ও ৫ করা শারজিল খান আজ আউট হয়েছেন ১২ রানে। তার মতোই ব্যর্থতার বৃত্তে হাবিবুর রহমান সোহান। ১১ বলের ইনিংসে কেবল ১টি চারই সোহানের আজকের সম্বল।

১৮ রান করতেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলা খুলনা এরপর ঘুরে দাঁড়ায় আজম খান ও অধিনায়ক ইয়াসিরের ব্যাটে। এই দুইয়ের ৫৮ রানের জুটিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও এক ওভারেই রবিউল তুলে নেন জোড়া উইকেট। ইয়াসির ২২ বলে ২৫ করলেও সাব্বির নেমেই হারান উইকেট। দুই বল খরচেই সাব্বিরকে বিদায় করেন রবিউল।

খুলনা টাইগার্সের ব্যাটারদের জন্য আজ এক আতঙ্কের নাম ছিল রবিউল! আমাদ বাট ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে ফিরিয়ে দখলে নেন ৪ উইকেট। মাঝে নাহিদুল ৮ বলে ১৫ ও সাইফউদ্দিনের ব্যাট থেকে আসে ২২ রান। রবিউলের সঙ্গে হাসান মাহমুদ ও রাকিবুলের দাপুটে বোলিংয়ে অসহায় আত্মসমর্পণ করে ১৩০ রানেই গুটিয়ে যায় খুলনা টাইগার্স।

তরুণ পেসার রবিউল হক ২২ রান খরচায় তুলে নেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট। এছাড়া জোড়া শিকার পেয়েছেন হাসান মাহমুদ, রাকিবুল হাসান ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই।

ছোট লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই রংপুরের বিপর্যয়। ফর্মের তুঙ্গে থাকা ওপেনার রনি তালুকদার ৭ বলে ১ করে আউট। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে ভাঙে স্টাম্প। তিনে নামা মেহেদী হাসান আসেন বিপিএলে অভিষেক হওয়া পাকিস্তানি তরুণ সাইম আইয়ুবকে সঙ্গ দিতে। জুটি বিশ পেরোতেই ওয়াহাব রিয়াজ এক ওভারে করেন জোড়া শিকার।

ওয়াহাব নিজের প্রথম ওভারে এসেই ১৪ রানে থাকা মেহেদীকে বানান ক্যাচ, স্বদেশী তরুণ আইয়ুবকে ফেলেন লেগ বিফোরের ফাঁদে। অভিষেকটা রাঙাতে পারেননি ২০ বছর বয়সী সাইম আইয়ুব, করেছেন কেবল ১০।

বল হাতে নিয়েই নাসুম আহমেদের ভেলকি। দারুণ খেলতে থাকা মোহাম্মদ নাইমকে বিদায় করেন ২১ রানে। অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানের ব্যাট থেকে আসে ১০ রান। কিন্তু শোয়েব মালিক একাই দাপট দেখিয়ে যান আরেক প্রান্তে থেকে। দলকে প্রায় জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়ে তিনি উইকেট হারান ব্যক্তিগত ৪৪ রানে।

শেষপর্যন্ত ৬ উইকেট হারিয়ে ৩ বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেটের জয়ে টেবিলের দুইয়ে উঠে আসে রংপুর রাইডার্স।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

‘সবই আল্লাহ্‌ জানে, আমাকে কতদূর নিয়ে যাবে’

Read Next

উইজডেনের বর্ষসেরা টেস্ট স্পেলের শীর্ষে এবাদতের ৬ উইকেট

Total
3
Share