লজ্জার রেকর্ড শেষে তামিমের সেঞ্চুরিতে স্বস্তি রাজশাহীর

তানজিদ হাসান তামিম, বিসিবি একাদশের পক্ষে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেঞ্চুরি
Vinkmag ad

খুলনার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয় রাজশাহী। ফলো অনে পড়ে ইনিংস হার যখন চোখ রাঙাচ্ছে তখন তানজিদ হাসান তামিমের অপরাজিত সেঞ্চুরি। আর তাতে চলমান ২৪তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) শেষ রাউন্ডে খানিক স্বস্তি দলটির। যদিও হাতে ৫ উইকেট নিয়ে এখনো ১০ রান করতে হবে ইনিংস হার এড়াতে।

টায়ার-২ এর আরেক ম্যাচে বরিশালের বিপক্ষে ঢাকা মেট্রোকে স্বস্তি এনে দেন দুই বোলার রাকিবুল হাসান ও কাজী অনিক। ব্যাটারদের ব্যর্থতার ভীড়ে দুজনেই হাঁকান ফিফটি। দ্বিতীয় দিন শেষে বরিশালের অবশ্য লিড ৯২ রানের।

খুলনা-রাজশাহী (শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, খুলনা)

ইমরুল কায়েসের সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে খুলনার ২৬৬ রানের জবাব দিতে নেমে বড় লজ্জায় রাজশাহী। ৫৪ রানে গুটিয়ে ফলো অনে পড়ে। দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য তানজিদ আহসান তামিমের সেঞ্চুরিতে ইনিংস হার এড়ানোর পথে আছে।

২ উইকেটে ৩ রান তুলে প্রথম দিন শেষ করেছিল রাজশাহী। আজ দ্বিতীয় দিন আর ৫১ রান তুলতেই হারাতে হয় বাকি ৮ উইকেট। সর্বোচ্চ ১৩ রান প্রীতম কুমারের ব্যাটে। বিশ্বকাপ শেষে দেশে ফিরে মাঠে নামা নাজমুল হোসে শান্ত করেছেন ২ রান।

রাজশাহীর এই ৫৪ রান জাতীয় লিগে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ।

খুলনার হয়ে ৪.৫ ওভারের স্পেলে ৫ রান খরচায় ৪ উইকেট সৌম্যের। ১০ রান খরচায় ৩ উইকেট জিয়াউর রহমানের।

২২২ রানে পিছিয়ে পড়ে ফলো অন করা রাজশাহী দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য উন্নতি করেছে। দুই ওপেনার জহরুল ইসলাম ২৫ ও জুনায়েদ সিদ্দিকী করেন ১৮ রান। শান্ত এ দফায়ও হয়েছেন ব্যর্থ, থামেন ১১ রানে। মাঝে তৌহিদ হৃদয় ফেরেন খালি হাতে।

১১২ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পঞ্চম উইকেট জুটিতে প্রীতম কুমারকে নিয়ে ৯০ রানের জুটি তামিমের। ইমরুল কায়েসের বলে ৩১ রান করা প্রীতম আউট হলে দিনের খেলা শেষ হয়। ততক্ষণে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ১২৭ বলে ৮ চার ৩ ছক্কায় ১০৮ রানে অপরাজিত আছেন তামিম।

৫ উইকেটে ২০২ রান তাদের স্কোরবোর্ডে। ইনিংস হার এড়াতে এখনো প্রয়োজন ১০ রান। এই ইনিংসেও এখন অব্দি সর্বোচ্চ ২ উইকেট সৌম্যর।

বরিশাল-ঢাকা মেট্রো (সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সিলেট)

চলমান রাউন্ডে এখনো নিরুত্তাপ ম্যাচ এটি। প্রথম ইনিংসে বরিশালের ২১১ রানের জবাবে প্রথম দিন ২ উইকেটে ১৯ রান তুলে দিন শেষ করেছিল ঢাকা মেট্রো। সাদমান ইসলাম ৮ ও রাকিবুল হাসান ৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।

আজ দুজনে ভালো সময়ই কাটান ক্রিজে। ২৫ রান করে সাদমান আউট হলেও ফিফটি হাঁকান রাকিবুল। ৬৩ বলে ৭ চার ৩ ছক্কায় ৬৩ রানের ইনিংসটি সাজান এই বাঁহাতি। মাঝে অবশ্য বলার মতো স্কোর নেই কারও। শেষদিকে আরেক পেসারের ফিফটিতে মান বাঁচল ঢাকা মেট্রোর। ৭৪ বলে ৪ চার ৩ ছক্কায় ৬৩ রান কাজী অনিকের।

২২২ রানে অলআউট হয়ে ১১ রানের লিড পায় মেট্রো। বরিশালের হয়ে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট সালমান হোসেন ইমনের। রুয়েল মিয়া নেন ৪ উইকেট।

নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা বরিশাল দিন শেষ করে ২ উইকেটে ১০৩ রান তুলে। দুই ওপেনার আবু সায়েম ও ইফতেখার ইফতি করেন যথাক্রমে ২৩ ও ৩৯ রান। ২৬ রানে ফজলে মাহমুদ ও ৬ রানে অপরাজিত আছেন ইসামুল আহসান।

হাতে ৮ উইকেট নিয়ে ৯২ রানের লিড বরিশালের।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

জয়-মিশুতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে চট্টগ্রাম, শিরোপার আরও কাছে রংপুর

Read Next

বিপিএলে পুরোনো দলেই থাকছেন মুস্তাফিজ

Total
22
Share