জয়-মিশুতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে চট্টগ্রাম, শিরোপার আরও কাছে রংপুর

জয়-মিশুতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে চট্টগ্রাম, শিরোপার আরও কাছে রংপুর
Vinkmag ad

জিতলেই শিরোপা নিশ্চিত এমন ম্যাচে দ্বিতীয় দিন শেষেই চালকের আসনে রংপুর। ২৪তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) শেষ রাউন্ডে টায়ার-১ এর ম্যাচে সিলেটের বিপক্ষে জয়ের জন্য মাত্র ৮৮ রানের লক্ষ্য পেয়েছে আকবর আলির দল।

টায়ার-১ এর অন্য ম্যাচে প্রথম দিন পিছিয়ে থাকা চট্টগ্রাম ঘুরে দাঁড়িয়েছে দ্বিতীয় দিনে। পেসার ইয়াসিন আরাফাত মিশুর ৬ উইকেটের পর ব্যাট হাতে জোড়া ফিফটি চট্টগ্রামের মাহমুদুল হাসান জয় ও পারভেজ হোসেন ইমনের।

চট্টগ্রাম-ঢাকা (বিকেএসপি-৩, সাভার)

প্রথম দিন পিছিয়ে থাকা চট্টগ্রামকে দ্বিতীয় দিন এগিয়ে দিল ইয়াসিন আরাফাত মিশু, মাহমুদুল হাসান জয় ও পারভেজ হোসেন ইমন। বল হাতে ৬ উইকেট নিয়ে দলকে শুরুতে লিড পাইয়ে দেন পেসার মিশু। ব্যাট হাতে জোড়া ফিফটিতে অবস্থান শক্ত করেন জয়-ইমন।

প্রথম ইনিংসে চট্টগ্রামের ২০৩ রানের জবাবে ১ উইকেটে ৫৩ রান তুলে প্রথম দিন শেষ করেছিল ঢাকা। ৩৪ রানে আব্দুল মজিদ ও ৯ রানে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন অপরাজিত ছিলেন।

আজ মজিদ একপাশ আগলে রাখলেও অন্য পাশে মিশুর তোপে আসা যাওয়ার মিছিল শুরু হয়। ৬ষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে মজিদ ফিরেছেন ৯১ বলে ১০ চারে ৬৭ রান করে। তাকে ফেরান বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ। এক পর্যায়ে ৯ উইকেটে ১৫২ রানে পরিণত হয় ঢাকা।

শেষ উইকেট জুটিতে ৪৬ রান যোগ করেন সুমন খান ও রিপন মন্ডল। যেখানে রিপনের অবদান মাত্র ৫, তার আগেই অবশ্য ফিফটি তুলে নেন সুমন। ৪২ বলে ৭ চার ২ ছক্কায় ৫০ রানেই অপরাজিত ছিলেন এই ৮ নম্বরে নামা এই পেসার।

ঢাকাকে ১৯৮ রানে অলআউট করে ৫ রানের লিড এনে দেওয়ার পথে মিশুর শিকার ৭১ রানে ৬ উইকেট। হাসান মুরাদের ২৯ রানে ৩ টি।

নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম শুরুতেই হারায় ওপেনার পিনাক ঘোষকে (৬)। এরপর জয়-ইমনের ১২৪ রানের জুটি। সম্প্রতি কোথাও রানের দেখা না পাওয়া জয় অবশেষে পেলেন ফিফটি। তবে জুটি ভাঙে ফিফটি হাঁকানো ইমনের বিদায়ে।

১০৩ বলে ৬ চারে ইমনের ৫৪। ৪ রানের ব্যবধানে বিদায় নেওয়া জয়ের নামের পাশে ১৪৪ বলে ৮ চারে ৭৩ রান। ব্যাট হাতে খারাপ সময় কাটানো মুমিনুল হকও এ দিন ভালো শুরু পেয়েছেন।

শাহাদাত হোসেন দিপুকে নিয়ে অবিচ্ছেদ্য আছেন ৫০ রানের জুটিতে। ৩ উইকেটে ১৮৭ রানে দিন শেষ করার সময় মুমিনুল ৩৭ ও দিপু ১২ রানে অপরাজিত। হাতে ৭ উইকেট নিয়ে ইতোমধ্যে লিড ১৯২।

সিলেট-রংপুর (শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম, বগুড়া)

চট্টগ্রামের মতো একই পরিস্থিতি সিলেটেরও, ঘুরে দাঁড়ানোর দারুণ সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেনি ব্যাটারদের ব্যর্থতায়।

প্রথম দিন ১০৭ রানে অলআউট হয়েছিলে সিলেট, জবাবে ৩ উইকেটে ১০৫ রান তুলে দিন শেষে কর রংপুর। ২৬ রানে মিম মোসাদ্দেক ও ২৭ রানে অপরাজিত ছিলেন নাসির হোসেন।

তবে সিলেটের পেসারদের তোপে আজ বিপাকেই পড়তে হয় রংপুরকে। নাসির ৪১ ও মিম মোসাদ্দেক ৩৮ রানের বেশি করতে পারেননি। পরের ব্যাটারদের অবস্থা আরও শোচনীয়, ১৩ রান আসে আরিফুল হকের ব্যাটে।

৫৭ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়েছে রংপুর। ১৮৮ রানে অলআউট করার পথে এবাদত হোসেন নেন ৫ উইকেট, ৪ শিকার রেজাউর রহমান রাজার।

৮১ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা সিলেট আরেক দফা ব্যাটিং ব্যর্থতায় পড়ে। গুটিয়ে যায় ১৬৭ রানে। সর্বোচ্চ ৩৬ রান তৌফিক খানের। নাসুম আহমেদের ব্যাটে আএ ৩৩ রান।

রংপুরের হয়ে ৪ উইকেট নেন আব্দুল্লাহ আল মামুন, ২ টি করে শিকার সোহেল রানা ও রবিউল হকের।

জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন মাত্র ৮৮ রান। আজ দিনের খেলা শেষ হওয়ায় ব্যাটিং করতে নামেনি শিরোপা থেকে অল্প দূরে অপেক্ষা করা আকবর আলির দলকে।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

বিপিএলে ঢাকার মালিকানা পেলো ‘রুপা ফ্যাব্রিকস’

Read Next

লজ্জার রেকর্ড শেষে তামিমের সেঞ্চুরিতে স্বস্তি রাজশাহীর

Total
2
Share