সেই বাবর-রিজওয়ানের ব্যাটে চড়েই ফাইনালে পাকিস্তান

সেই বাবর-রিজওয়ানের ব্যাটে চড়েই ফাইনালে পাকিস্তান
Vinkmag ad

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২২ এ অনেকটা ভাগ্যের জোরেই সেমি ফাইনালে উঠেছে পাকিস্তান। সুপার টুয়েলভে প্রথম দুই ম্যাচ হারা পাকিস্তান জেতে শেষ তিন ম্যাচ। তাদের সুযোগ তৈরি করেছে নেদারল্যান্ডস দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দেওয়াতে। গোটা সুপার টুয়েলভে সেভাবে হাসেনি বাবর-রিজওয়ানের ব্যাট।

তবে সেমিফাইনালে এই বাবর-রিজওয়ান জুটিতেই দাপট দেখিয়ে জিতেছে পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম জুটি হিসাবে ৩ টি শতরানের জুটি গড়ার রেকর্ড করেছেন নিজেদের। পাকিস্তান ধরে রেখেছে বিশ্বকাপের আসরে সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শতভাগ জয়ের রেকর্ড।

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড। শাহীন শাহ আফ্রিদির করা ইনিংসের প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে শুরু করেন ফিন অ্যালেন। তবে তৃতীয় বলেই তাকে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলেন আফ্রিদি।

ফিন অ্যালেন ফেরার পর পাওয়ার প্লেতে তেমন রান করতে পারেননি ডেভন কনওয়ে ও কেন উইলিয়ামসন। পাওয়ার প্লের শেষ বলে ২০ বলে ২১ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন কনওয়ে। দারুণ ডিরেক্ট থ্রোতে পাকিস্তানকে এগিয়ে নেন শাদাব খান।

গোটা টুর্নামেন্ট জুড়ে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে রান করা গ্লেন ফিলিপস কাটিয়েছেন বাজে এক দিন। ৮ বলে ১ চারে ৬ রান করে মোহাম্মদ নওয়াজের একমাত্র শিকারে পরিণত হন তিনি। দলের রান তখন ৮ ওভারে ৩ উইকেটে ৪৯।

সেখান থেকে রান বাড়ানোর দায়িত্ব নেন ড্যারিল মিচেল। কেন উইলিয়ামসনের সঙ্গে ৫০ বলে গড়েন ৬৮ রানের জুটি। ৪২ বলে ১ টি করে চার ও ছয়ে ৪৬ রান করা কেন উইলিয়ামসনকে ফেরান শাহীন শাহ আফ্রিদি।

শেষমেশ ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৫২ রান করতে পারে নিউজিল্যান্ড। ৩৫ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন মিচেল। জিমি নিশাম অপরাজিত থাকেন ১২ বলে ১৬ রান করে।

পাকিস্তানের পক্ষে ২৪ রান খরচে ২ উইকেট নেন আফ্রিদি। ১২ রান খরচে ১ উইকেট নেন মোহাম্মদ নওয়াজ।

জবাব দিতে নেমে ইনিংসে ৪র্থ বলেই বাবর আজমের উইকেট হারাতে পারত পাকিস্তান। তবে ট্রেন্ট বোল্ট উইকেট পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন উইকেটের পেছনে ডেভন কনওয়ে ক্যাচ ছাড়লে।

এই সুযোগকেই কাজে লাগান বাবর। ফর্ম খুজে ফেরা বাবর ও রিজওয়ান পাওয়ার প্লে থেকে তোলে ৫৫ রান। ১১.৪ ওভারের মাথায় এই জুটিতে পূর্ণ হয় ১০০ রান।

৪২ বলে ৭ চারে ৫৩ রান করে বাবর যখন ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম শিকারে পরিণত হন দলের রান তখন ১২.৪ ওভারে ১০৫।

ট্রেন্ট বোল্ট পরে ফেরান মোহাম্মদ রিজওয়ানকেও। ৪৩ বল খেলে ৫ চারে রিজওয়ানের সংগ্রহ ৫৭।

বাকি কাজটা শেষ করতে বেগ পেতে হয়নি মোহাম্মদ হারিস ও শান মাসুদের। হারিস ২৬ বলে ২ চার ও ১ ছয়ে ৩০ রান করে ফিরলেও জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন শান মাসুদ। ৫ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে জয় পায় পাকিস্তান। ম্যাচ সেরা হন মোহাম্মদ রিজওয়ান। 

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

রোহিত-কোহলিদের আগে বাংলাদেশে আসছে ভারত ‘এ’ দল

Read Next

‘আমরা ভারত-পাকিস্তানের ফাইনাল দেখতে চাই না’

Total
22
Share