পরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে থাকবেন সাকিব?

পরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে থাকবেন সাকিব?
Vinkmag ad

২০০৭ সালে যাত্রা শুরু করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। এবার চলছে যার ৮ম আসর, সবকটি আসরেই খেলেছেন মাত্র ২ জন ক্রিকেটার। বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান ও ভারতের রোহিত শর্মা। আজ (৬ নভেম্বর) পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫ উইকেটে হার দিয়ে এবারের মিশন শেষ করেছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক সাকিবকে কি পরের বিশ্বকাপেও দেখা যাবে? সরাসরি কিছু না জানালেও টাইগার অলরাউন্ডার বলছেন যতদিন ফিট থাকবেন খেলে যাবেন।

২০২৪ সালে পরবর্তী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রে। বর্তমান ৩৬ ছুঁইছুঁই বয়সী সাকিব ততদিনে ৩৮ এর ঘরে থাকবেন। সুপার টুয়েলভেই বাংলাদেশের মিশন শেষ হওয়াতে আগামী বিশ্বকাপ নিয়ে তাই প্রশ্নের জবাব দিতেই হল সাকিবকে।

পুরষ্কার বিতরণীতে তিনি বলেন, ‘আমি আসলে এ বিষয়ে জানি না। আমি বাংলাদেশের হয়ে যত বছর সম্ভব খেলার চেষ্টা করব। আমাকে ফিট থাকতে হবে এবং পারফর্ম করতে হবে। ব্যক্তিগত পারফর্ম্যান্সের দিক থেকে এটি আমার জন্য আদর্শ টুর্নামেন্ট ছিল না। আমি মনে করি, আমি আরও ভালো বোলিং-ব্যাটিং করতে পারতাম। তো যতদিন ফিট আছি এবং দলের জন্য অবদান রাখছি, আমি খেলতে পছন্দ করব।’

এদিকে আজ জিতলেই সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করতে পারতো বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে নেদারল্যান্ডস হারিয়ে দেওয়ায় বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ রূপ নেয় কোয়ার্টার ফাইনালে। কিন্তু এই সহজ সমীকরণও মেলাতে ব্যর্থ টাইগাররা। আগে ব্যাট করে থাকে ১২৭ রানে, পাকিস্তান যা তাড়া করে ৫ উইকেট ও ১১ বল হাতে রেখে।

ম্যাচ মূল্যায়ন করতে গিয়ে সাকিব বলেন, ‘ইনিংসের মাঝপথে আমরা ১ উইকেটে ৭০ ছিলাম। সেখান থেকে আমরা ১৪৫-১৫০ রানের কাছাকাছি যেতে চেয়েছিলাম। এই উইকেটে সেটি ভালো সংগ্রহ হতো। আমরা দক্ষিণ আফ্রিকা ও নেদারল্যান্ডস ম্যাচে যেমনটা দেখেছি। ইনিংসের দ্বিতীয়ভাগ সবসময়ই কঠিন, শেষ ১০ ওভারে রান করা কঠিন। আমরা জানতাম পরের ব্যাটসম্যান বা নতুন ব্যাটসম্যানদের জন্য এটি সহজ হবে না। তাই সেট ব্যাটসম্যানদের ক্যারি করে ইনিংস শেষ করা জরুরি ছিল। যা হয়নি।’

২০০৭ সালে প্রথম আসরেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারায় বাংলাদেশ। এরপর ১৫ বছরের বিরতি দিয়ে এবার মূল পর্বে ম্যাচ জিতলো সাকিবের দল। এবার জয় সংখ্যাও দুইটি, হারিয়েছে নেদারল্যান্ডস ও জিম্বাবুয়েকে। সে দিক থেকে নিজেদের সেরা টি-টোইয়েন্টি বিশ্বকাপ আসর।

বাংলাদেশ কাপ্তান যেমনটা বলছিলেন, ‘ফলের দিক থেকে চিন্তা করলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটিই আমাদের সেরা আসর। আমি মনে করি, আমরা আরও ভালো করতে পারতাম। আমাদের সেই সুযোগ ছিল। নতুন ছেলেরা এসেছে, অনেক পরিবর্তন করা হয়েছে… তাদের কাছ থেকে অন্তত এটুকুর আশা ছিল আমাদের।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

‘আমাদের কিছু বলার নাই, যত যাই করি…’

Read Next

শেষ করতে না পারার আক্ষেপ শান্তর

Total
1
Share