৮ম আসরে ভারতের ৭ম শিরোপা

৮ম আসরে ভারতের ৭ম শিরোপা
Vinkmag ad

নারী এশিয়া কাপের সেমি-ফাইনালই খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে ফাইনালে ভারত-শ্রীলঙ্কার ম্যাচ দেখতে আগ্রহের কমতি ছিল না সিলেটের দর্শকদের। নিজে দেশ না থাকলেও প্রায় ৭ হাজার দর্শক মাঠে এসে একটা জমজমাট ফাইনাল দেখতে চেয়েছে। কিন্তু তাদের বাড়ি ফিরতে হয়েছে হতাশ হয়ে।

লো স্কোরিং ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৮ উইকেটে হারিয়ে আরও এক শিরোপা নিজেদের ঘরে তুলল ভারত। এই নিয়ে এশিয়া কাপের প্রতিটি আসরের ফাইনাল খেলা ভারতীয় নারীরা জিতেছে সপ্তম শিরোপা। এর বাইরে মাত্র একবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।

এই নিয়ে পাঁচ বার এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলেও শিরোপা অধরাই রয়ে গেলো শ্রীলঙ্কার। আগেরবার ফাইনাল খেলেছিল ১৪ বছর আগে ২০০৮ সালে। ফলে দারুণ এক সুযোগই মিস করেছে লঙ্কান নারীরা।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ভারতের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি লঙ্কান নারীরা। ৯ উইকেটে তুলতে পারেনি ৬৫ রানের বেশি। মাত্র ৮.৩ ওভারেই এই রান তাড়া করে ভারত। সর্বোচ্চ ৫১ রান স্মৃতি মান্ধানার ব্যাটে।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে সহজাত ব্যাটিং করে ভারত। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ওপেনার স্মৃতি মান্ধানার ব্যাটে এক চারের সাথে এক ছক্কা। পরের ওভারের প্রথম বলে লং অন দিয়ে আরও এক দারুণ ছক্কা। শেফালি ভার্মাকে (৮ বলে ৫) নিয়ে ৩.৪ ওভার স্থায়ী উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ৩২ রান।

২ রানের ব্যবধানে ফিরতে হয় তিন নম্বরে নামা টুর্নামেন্টে ধারাবাহিকভাবে ভালো ব্যাটিং করা জেমিমা রড্রিগুয়েজকে (৪ বলে ২)। ৩৫ রানে ২ উইকেট হারালেও দলকে বিপাকে পড়তে দেননি অধিনায়ক হারমানপ্রীত কর ও স্মৃতি মান্ধানা। ৭ম ওভারে মান্ধানার ব্যাটে টানা দুই চার, দল পেরোয় ৫০ রান।

৯ম ওভারের দ্বিতীয় বলে চার মেরে রান সমতা করেন স্মৃতি, পরের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ৬৯ বল হাতে রেখে নিশ্চিত করেন জয়। সাথে পূর্ণ হয় ২৫ বলে তার ফিফটি। ৫১ রানে অপরাজিত ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৬ চার ৩ ছক্কায়। হারমানপ্রীত অপরাজিত ছিলেন ১১ রানে।

এর আগে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে প্রথম উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। অধিনায়ক চামারি আত্তাপাতু ফিরেছেন ১২ বলে ৬ রান করে, রান আউটে। পরের ওভারে আক্রমণে এসে পেসার রেনুকা সিং ছন্দে রাখেন ভারতকে। এক রান আউট সহ ঐ ওভারে শ্রীলঙ্কা উইকেট হারায় তিনটি।

রেনুকার সাথে এরপর উইকেট শিকারে যোগ দেন রাজেশ্বরী গায়কোয়াড়, স্নেহ রানারা। আর তাতে চোখ রাঙাচ্ছিল আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড। ৩২ রানের ৮ উইকেট হারানোর পর দলকে ৫০ পেরোনো সংগ্রহ এনে দেন ৭ নম্বরে নামা ওসাধি রানাসিংয়ে (২০ বলে ১৩) ও ১০ নম্বরে নামা ইনোকা রনভীরা (২২ বলে ১৮*)।

এই দুজন ছাড়া আর কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কই ছুঁতে পারেনি।

শেষ পর্যন্ত সর্বনিম্ন এড়ানো গেছে ঠিকই। তবে আজকের ৬৫ রান তাদের চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ।

ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট রেনুকা সিংয়ের, ২ টি করে উইকেট নেন রাজেশ্বরী গায়কোয়াড় ও স্নেহ রানা।

সিলেট থেকে ক্রিকেট৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

ডিসেম্বরে শুরু লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ

Read Next

ভারত নারী দলের ‘যুবরাজ সিং’ খ্যাত দিপ্তীই হলেন টুর্নামেন্ট সেরা

Total
1
Share