সাকিবের আলো ছড়ানোর দিনেও হারল বাংলাদেশ

featured photo updated v Recovered
Vinkmag ad

কনওয়ে-অ্যালেনের পর ফিলিপস ঝড়, নিউজিল্যান্ডের রান পাহাড়। প্রথম ১০ ওভারে ৯০ রান তোলা বাংলাদেশ শেষ ১০ ওভারে স্কোরবোর্ডে জমা করে ৭০ রান। সাকিবের আলো ছড়ানোর দিনেও ৪৮ রানে হারল তার দল। টানা তিন পরাজয়ে শেষ টাইগারের ত্রিদেশীয় সিরিজে ফাইনাল খেলার শেষ স্বপ্নটাও।

২০৯ রানের বড় টার্গেট টপকাতে নেমে নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাসের ব্যাটে ধীরগতির শুরু। দুইবার নতুন জীবন পেয়েও শান্ত নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। অ্যাডাম মিলনের বলে হারিয়েছেন মিডল স্টাম্প। ফেরার আগে ১২ বলে করেন ১১।

লিটন দাসের ব্যাট যেই হাসতে শুরু করল তখনই থামিয়ে দিলেন ব্রেসওয়েল। বড় শট খেলতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে গাপটিলের হাতে পড়েন ধরা। দলীয় ৪৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ; লিটন ফেরেন ১৬ বলে ২৩ রানে।

প্রায় এক বছর পর জাতীয় দলে ফেরা খুব একটা মন্দ হয়নি সৌম্য সরকারের। থিতু হয়ে খেলতে শুরু করেন দারুণ সব স্ট্রোক্স। কিন্তু ইনিংসটা হয়নি বেশি বড়। অ্যাডাম মিলনের যে বলে থার্ডম্যান অঞ্চলে শট খেলে সৌম্য আউট হয়েছেন সেখানে তার আগের বলেই ফিল্ডার ছিল না। সৌম্য স্ট্রাইকে গিয়ে হয়তো খেয়াল করেনি সেখানে ফিল্ডার এসেছে। নাহলে ইনিংসটা ২৩ থেকে টেনে নিয়ে যেতে পারতেন আরও দূর।

দারুণ খেলতে থাকা সাকিবকে সঙ্গ দিতে এসে ব্যর্থ আফিফ হোসেন ধ্রুব (৪)। ব্রেসওয়েলের বলে এগিয়ে এসে হয়েছেন বোল্ড। কেবল ২ রানেই অ্যাডাম মিলনের তিন নম্বর শিকার হয়ে সাজঘরে যান নুরুল হাসান সোহান।

উইকেটের আসা-যাওয়া দেখতে দেখতেই সাকিব পূর্ণ করেন পঞ্চাশ, তাও আবার ৩৩ বল খেলে। ইয়াসির রাব্বি ব্যর্থ, ৬ বলে করেন ৬।

শেষপর্যন্ত বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬০ রানে। নিউজিল্যান্ড পেয়েছেন ৪৮ রানের জয়। অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে সাকিব থামেন ৭০ রানে।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ফিন অ্যালেন ও ডেভন কনওয়ের উদ্বোধনী জুটি থেকে আসে ৪৫ রান। ৪.২ ওভার স্থায়ী জুটি ভাঙেন শরিফুল ইসলাম। ইয়াসির আলি চৌধুরী রাব্বির ক্যাচ বানিয়ে বিপজ্জনক হতে থাকা অ্যালেনকে থামান শরিফুল। ১৯ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩২ রান করেন অ্যালেন।

অ্যালেন ফেরার পর রান তোলার দায়িত্ব নেন ডেভন কনওয়ে। ৩০ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। ৩১ বছর বয়সী কনওয়ের এটি ৬ষ্ঠ ফিফটি (আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে)।

ধীরে শুরু করা মার্টিন গাপটিল উইকেটে থিতু হয়ে দ্রুত রান তোলাতে মন দেন। যদিও ৩৪ এর বেশি করতে পারেননি। ২৭ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে ৩৪ রান করে এবাদত হোসেনের বলে ক্যাচ দেন নাজমুল হোসেন শান্তকে।

১৭ তম ওভারে বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি ফেরান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ওভারের প্রথম বলে ডেভন কনওয়ে ও ৪র্থ বলে মার্ক চ্যাপম্যানকে ফেরান তিনি। ৪০ বলে ৫ চার ও ৩ ছয়ে ৬৪ রান করেন কনওয়ে, চ্যাপম্যান করতে পারেন ২ রান।

তবে শেষদিকে গ্লেন ফিলিপসের ঝড়ো ফিফটিতে ২০০ এর গন্ডি পার করে কিউইরা। ২৪ বলে ২ চার ও ৫ ছয়ে ৬০ রান করেন ফিলিপস। শেষ ওভারে তাকে বোল্ড করে নিজের ২য় শিকার তুলে নেন এবাদত হোসেন। ৫ উইকেটে ২০৮ রান করে থামে স্বাগতিকরা।

বাংলাদেশের পক্ষে ২ টি করে উইকেট পান এবাদত হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। বাকি ১ উইকেট যায় শরিফুল ইসলামের দখলে। 

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

কনওয়ে-অ্যালেনের পর ফিলিপস ঝড়, নিউজিল্যান্ডের রান পাহাড়

Read Next

বাংলাদেশের জার্সি দেখে থাইল্যান্ডের আক্ষেপ

Total
1
Share