মুমিনুলের আস্থা ফেরাতে মরিয়া নির্বাচকরা

মুমিনুল হাবিবুল বাশার
Vinkmag ad

রান–খরায় ভুগছেন মুমিনুল হক। সাদা পোশাকে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা এই ব্যাটার শেষ দশ ইনিংসের ৯টিতেই আউট হন সিঙ্গেল ডিজিটে। দারুণ সব রেকর্ডের মালিক মুমিনুলকে তার চেনা ছন্দে দেখতে চান নির্বাচক হাবিবুল বাশার। আর তাইতো এই ব্যাটারকে পাঠানো হচ্ছে ‘এ’ দলের সঙ্গে ভারত সফরে। কাল দল দেশ ছাড়লেও নির্বাচক বাশার এখনও নিশ্চিত নন কাদের সঙ্গে খেলা।

আজ বাদে কাল চেন্নাইয়ের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। তামিলনাড়ুর মূল রাজ্য দলের সঙ্গে খেলা কি না এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত না নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন।

মিরপুরে ‘এ’ দলের সফর পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচক সুমন বলেন,

‘আমরা এখন পর্যন্ত দলের তালিকাটা পাইনি কাদের সঙ্গে খেলব। তবে যতটুকু জানি ওদের মূল রাজ্য দলের সঙ্গে খেলা। ওদের একটা ওয়ানডে টুর্নামেন্ট চলছে, তো ওদের যারা চারদিনের ম্যাচ খেলে রঞ্জি ট্রফিতে ওদের সঙ্গে খেলার কথা আমাদের।’

টেস্টে মুমিনুল হকের শেষ ১০ ইনিংসের মধ্যে একবার কেবল পৌঁছান দুই অংকের ঘরে। ক্রাইস্টচার্চে টেস্টে ৩৭ রানের ইনিংসের পর টানা ৯ ইনিংস মুমিনুল আউট হন সিঙ্গেল ডিজিটে; ৩ বার হয়েছেন ডাক। 

সাদা পোশাকে রান না পাওয়া মুমিনুল নিজের ব্যাটিং নিয়ে না ভাবলেও বিসিবি ভেবেছে ঠিকই। আস্থা ফেরাতে তাকে পাঠানো হচ্ছে ‘এ’ দলের সঙ্গে ভারত সফরে। মুমিনুলের ছন্দে ফেরার দিকে তাকিয়ে হাবিবুল বাশার সুমন,

‘এটা শুধু মুমিনুল না। আপনি যদি আমাদের দলটা দেখে থাকেন এটা আমাদের টেস্ট দলকে রিফ্লেক্ট করছে। মুমিনুল অনেক দিন ধরে টেস্ট খেলেছে, আমরা সবাই তার সামর্থ্য সম্পর্কে জানি। ওর কাছে যদি কিছু চাওয়া থাকে আস্থা ফিরে পাওয়া, এটা অবশ্যই ওর জন্য দারুণ সুযোগ।’

‘মুমিনুল যেন টাচে ফিরে আসে প্লাস এখানে যদি আরও কিছু প্লেয়ার দেখেন তারা কিন্তু বেশি টেস্ট খেলেনি তাদের জন্য সফর আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সাইফ, সাদমান ভালো প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেললে নিজেদের খেলাটা বোঝা যায়। আমি মনে করি সফরটা আমাদের জন্য খুব কাজে দেবে লাস্ট সিরিজের পর যেহেতু একটা গ্যাপ পড়েছে।’

মুমিনুল ছাড়া এই সফরে আছেন টেস্ট দলের অন্যতম সদস্য তাইজুল ইসলাম, সাদমান ইসলাম, সাইফ হাসান ও মাহমুদুল হাসান জয়। গত জুনের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের পর আর সাদা পোশাকে মাঠে নামেনি বাংলাদেশ। তাই এই ফাঁকা সময়ে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে ভারত সফর তাদের জন্য সুযোগ।

নির্বাচক হাবিবুল বাশারের মতে,

‘যেহেতু আন্তর্জাতিক সিরিজের সময় কাজ করার সময় খুব একটা থাকে না। এই ধরনের খেলাগুলো নিজের দুর্বলতা, নিজের সম্পর্কে জানতে খুব সাহায্য করে। আন্তর্জাতিক টেস্টে যেমন কেউ নিজের খেলা পরিবর্তন করতে চায় না, ন্যাচারাল খেলাটাই খেলে। কিন্তু এ ধরনের সিরিজে যার যে জায়গায় লেকিংস আছে সেটাতে কাজ করতে পারে।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

ভারতের সঙ্গে আবার খেলার সুযোগ পেলে ভালো খেলবে বাংলাদেশ

Read Next

শুরুর আগেই বিশ্বকাপ শেষ ক্রেইগ ইয়াংয়ের

Total
3
Share