ভারতের সঙ্গে আবার খেলার সুযোগ পেলে ভালো খেলবে বাংলাদেশ

নিগার জ্যোতি
Vinkmag ad

চলমান নারী এশিয়া কাপে পাকিস্তানের পর ভারতের কাছেও বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। তবে দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি বললেন আরেক দফা সুযোগ পেলে ভারতের সাথে ঠিকই ভালো খেলবে তার দল।

২০১৮ এশিয়া কাপে লিগ পর্বের সাথে ফাইনালেও ভারতকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা এবার ভারতের কাছে পাত্তাই পেল না।

আগে ব্যাট করে ভারত পেয়েছে ৫ উইকেটে ১৫৯ রানের পুঁজি। জবাবে ৭ উইকেটে ১০০ রানেই আটকে যায় বাংলাদেশ। এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৯ উইকেটে হারা ম্যাচেও ৭০ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ।

বড় দলের বিপক্ষে খেলতে নেমে এমন ব্যাটিং বিপর্যয়কে কীভাবে দেখছেন দলপতি জ্যোতি? স্কিলের দিক থেকে কোনো ঘাটতি দেখছেন কীনা?

তার জবাব, ‘স্কিলের ঘাটতি না আমার কাছে মনে হয় ইন্টেন্টের একটা সমস্যা আছে। যেমন হচ্ছে আমি কেমন ইন্টেন্টে যাবো এটাও একটা বিষয় থাকে। অনেক সময় এসব দলের বিপক্ষে আমরা বিশ্বকাপে গিয়ে খেলছি।’

‘সেভাবে সিরিজ খেলছি না। এটাও একটা সমস্যা থাকে। দেখা যায় যাদের সঙ্গে আমরা প্রতিনিয়ত খেলছি বোলারদের কিন্তু ভালো জানছি এবং তাদের বিপক্ষে আমরা ভালো খেলছি। ভারতের বিপক্ষে আমাদের যদি দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে দেন অবশ্যই এর থেকে ভালো ক্রিকেট খেলবো।’

বাংলাদেশের বড় সমস্যা হয়ে ধরা দিচ্ছে পাওয়ার প্লের ব্যাটিং। আজ ভারত ৬ ওভারে তোলে বিনা উইকেটে ৫৯ রান, ১০ ওভার শেষে যা বিনা উইকেটে ৯১ রান। অন্যদিকে ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া নেমে বাংলাদেশ ৬ ওভারে তোলে বিনা উইকেটে মাত্র ৩০ রান।

সর্বশেষ ম্যাচগুলো পর্যবেক্ষণ করলেও পাওয়ার প্লের এমন বেহাল দশা সামনে আসবে ভালোভাবে। এ নিয়ে টাইগ্রেস অধিনায়ক কি ভাবছেন?

জ্যোতি বলেন, ‘আপনার সঙ্গে আমি একমত। কারণ যখন আপনি এত বড় পুঁজি তাড়া করবেন তখন কিন্তু পাওয়ার প্লেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ থাকে। তারা যদি অন্তত ৪৫ এর বেশি কিংবা ৫০ এর কাছাকাছি আসতো তাহলে কিন্তু এত বড় ব্যবধানে আমরা হারতাম না। আরও ভালো হতে পারতো কিংবা আমরা একটা জেতার অবস্থায় যেতে পারতাম। ওইদিক থেকে আমার মনে হয় পিছিয়ে গেছি।’

পাওয়ার প্লে কাজে লাগানোর ব্যাপারে কোচিং স্টাফরা কি ধরণের বার্তা দেন তা তুলে ধরে টাইগ্রেস অধিনায়ক যোগ করেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে কিন্তু পাওয়ার প্লেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ থাকে। কোচিং স্টাফের সঙ্গে আমাদের পরিকল্পনা কিন্তু এটাই থাকে। তারা বলেন কিন্তু বলেন যতটা লাক্সারি দেয়া যায় পাওয়ার প্লেতে। কারণ তখন দেখা যাচ্ছে সবাই বাউন্ডারির জন্য যাবে।’

‘কিছু বল ডট হলেও বাউন্ডারি বা ওভার বাউন্ডারি আসলে কিন্তু ডট বলটা কাভার হয়ে যায়। আমার মনে হয় দূর্ভাগ্যক্রমে দুজনই বেশি এক রান নিয়েছে এবং ডট বলগুলো বেশি দিয়ে ফেলছে। ওইখানে যদি তারা বাউন্ডারির জন্য যেতো, তিন-চারটা অতিরিক্ত বাউন্ডারি আসলে কিন্তু আমাদের যে লক্ষ্য ৪৫ এর বেশি রান সেটা কিন্তু চলে আসতো।’

সিলেট থেকে ক্রিকেট৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

গান শোনাতে সংবাদ সম্মেলনে গিটার চাইলেন জেমিমাহ

Read Next

মুমিনুলের আস্থা ফেরাতে মরিয়া নির্বাচকরা

Total
0
Share