‘বিশ্বকাপ স্কোয়াডে যে কেউই ঢুকে পড়তে পারে’

আরব আমিরাতে অধিনায়ক সোহান যে লক্ষ্যে খেলবেন
Vinkmag ad

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য ত্রিদেশীয় সিরিজ সামনে রেখে দল দিয়ে ছিল বাংলাদেশ। তবে হুট করে আয়োজিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে স্ট্যান্ড বাই ক্রিকেটারও খেলানো হয়। এ নিয়ে কিছুটা প্রশ্নবিদ্ধ হয় একাদশ। যদিও শেষ ম্যাচে খেলেছে মূল স্কোয়াডের ক্রিকেটাররাই। এই সিরিজে অধিনায়কত্ব করা নুরুল হাসান সোহান বলছেন স্কোয়াড ঘোষণা হয়ে গেলেও এখনো যে কারও জন্য সুযোগ ঠিকই থাকছে।

প্রথম ম্যাচে স্ট্যান্ড বাই তালিকার শরিফুল ইসলামকে খেলানো হয়। দলের জয়ে ডেথ ওভারে রেখেছেন দারুণ ভূমিকা, ৩.৪ ওভার বল করে ২১ রান খরচায় উইকেটও নেন ৩ টি। তবে মূল স্কোয়াডের মুস্তাফিজ ছিলেননা নিজের ছন্দে। ২ উইকেট নিলেও ৪ ওভারে খরচ করেন ৩১ রান।

দ্বিতীয় ম্যাচে মুস্তাফিজের সাথে শরিফুলকেও বিশ্রাম দেওয়া হয়। একাদশে ঢুকেন বিশ্বকাপ মূল স্কোয়াডের তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেনকে। বল হাতে দুজনে ভালোও করেছেন (তাসকিন ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে ১ উইকেট, এবাদত ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ১ উইকেট)।

মূল স্কোয়াডের সাথে স্ট্যান্ড বাই তালিকার ক্রিকেটাররাও যখন ভালো করছেন তখন বিশ্বকাপ স্কোয়াড দিয়ে ভাবনার জায়গা তৈরি হয়। কারণ মূল স্কোয়াডের কেউ কেউ আবার খুব একটা সাবলীল নেই, মুস্তাফিজের সাথে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের নামও বলা যায়।

আজ (২৮ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরে বিমানবন্দরে নুরুল হাসান সোহান সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি। সেখানে তাকে উপরোক্ত বিষয় নিয়েও জবাব দিতে হয়।

তিনি জানান,

‘বিশ্বকাপে মনে হয় ১৮-২০ জনের (স্ট্যান্ড বাই সহ) একটা স্কোয়াড আছে। আমার কাছে মনে হয় যে কারোরি সুযোগ আছে টিমে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার। অনেক বড় টুর্নামেন্ট। সবার জন্য সুযোগটা উন্মুক্ত।’

‘আমাদের মূল লক্ষ্য বিশ্বকাপ। বিশ্বকাকে লক্ষ্য করেই পরিকল্পনা করতেছে। এটা আমার কাছে মনে হয় টি ম্যানেজম্যান্টের পরিকল্পনা। নিউ জিল্যান্ডে যাওয়ার পর পরিস্থিতি কেমন থাকে, কন্ডিশন বুঝেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে হয়তো।’

এদিকে প্রথম ম্যাচে জয় পেলেও দল হিসেবে নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করেনি টাইগাররা। দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য বেশ উন্নতি করেছে ব্যাটে-বলে। বিশেষ করে নতুন টেকনিক্যাল কনসালটেন্টের মন্ত্র ‘ইমপ্যাক্ট’ ক্রিকেটের ছাপ ছিল কিছুটা। কোনো ব্যাটারই ১২২ এর নিচে স্ট্রাইক রেটে রান করেননি। ছোট ছোট ইনিংসগুলো ছিল টি-টোয়েন্টি ঘরানার।

সোহান বলেছেন তাদের লক্ষ্য ছিল এমনটাই,

‘টি-টোয়েন্টিতে বড় রানের চেয়ে স্ট্রাইক রেট এবং পরিস্থিতি অনুযায়ো রান করাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আসলে আমাদের সবার লক্ষ্য ওটাই ছিল। এমন না যে প্রতিদিন এক রকম যাবে। কমবেশি কিছু একটা হবে। যেহেতু ক্রিকেট টিম গেম আমার কাছে মনে হয় সবাই সম্মিলিতভাবে যেখানে যার যতটুক দরকার ততটুকু করলে হেল্পফুল হবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

প্রোটিয়া সিরিজে ডাক পেলেন উমেশ, শ্রেয়াস, শাহবাজ

Read Next

কন্ডিশনের বাস্তবতা বুঝতে পারছেন পাপনও

Total
0
Share