আজও ব্যাটিংয়ে দাপট দেখাতে ব্যর্থ বাংলাদেশ

আজও ব্যাটিংয়ে দাপট দেখাতে ব্যর্থ বাংলাদেশ
Vinkmag ad

আগের ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রত্যাশিত জয় পেতেই ঘাম ঝরেছিল বাংলাদেশের। বিশেষ করে ব্যাটারদের হতশ্রী পারফরম্যান্স কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিল। আজ (২৭ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে স্ক্রিপ্টটা নিজেদের মতো লেখার সুযোগ পেয়েও খুব বড় সংগ্রহ এনে দিতে পারেনি দলকে। ক্রিজে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেনি ব্যাটাররা।

টস হেরে দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে মিরাজের ৪৬ রানের সাথে ছোট ছোট কয়েকটি ইনিংসের সুবাধে ৫ উইকেটে ১৬৯ রান বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে। মোসাদ্দেক হোসেন ২৭ ও লিটন দাস করেছেন ২৫ রান।

বাংলাদেশ একাদশে এ দিন পরিবর্তন আসে দুইটি। পেসার মুস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলামের জায়গায় সুযোগ পান তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেন।

আগের ম্যাচে ব্যর্থ হলেও উদ্বোধনী জুটিতে বহাল ছিলেন সাব্বির রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজ।

ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ডিপ পয়েন্ট অঞ্চল দিয়ে চার মেরে শুরু মিরাজের। ওভারের শেষ বলে চার আসে সাব্বিরের ব্যাট থেকেও, তবে সে ক্ষেত্রে সৌভাগ্যবান এই ব্যাটার, হয়েছিল ইনসাইড এজ।

সাবির আলির করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারে মিরাজের এক ছক্কার সাথে সাব্বিরের ছিল এক ছক্কা। কিন্তু আরিয়ান লাকরার বাঁহাতি স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে অদ্ভুতভাবে এলবিডব্লিউ হন সাব্বির (৯ বলে ১২)। আর তাতে ২৭ রানেই আটকে যায় উদ্বোধনী জুটি।

সাব্বির ফিরলেও লিটন দাসকে নিয়ে সাবলীল খেলেছেন মিরাজ। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে ১ উইকেটে ৪৮ রান।

মিরাজকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়ার পাশপাশি নিজের সহজাত রূপে ধরা দিচ্ছিলেন লিটনও। নিয়মিত হাঁকাচ্ছিলেন বাউন্ডারি। কিন্তু ইনিংস লম্বা করতে ব্যর্থ হয়েছেন, আয়ান আফজালের বলে কাট করতে চেয়ে ক্যাচ দেন ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে (২০ বলে ২৫)।

লিটনের বিদায়ের পরও রানের গতি কমতে দেননি ক্রিজে আসা আফিফ হোসেন। আগের ম্যাচে ফিফটি হাঁকানো এই বাঁহাতি ১০ম ওভারে হাঁকান দুই চার, যেখানে তৃতীয় বলে কাভারের উপর দিয়ে মারা চারে ছিল নান্দনিকতা।

আয়ানের করা ইনিংসের ১১তম ওভারে মিরাজের এক চারের সাথে আফিফ মেরেছেন এক ছক্কা। তবে ঐ ওভারেই ফুলটস বলকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ফিরেছেন, নামের পাশে ১০ বলে ১৮ রান।

এক প্রান্ত আগলে রাখা মিরাজ ভালো সঙ্গ পান মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতেরও। ইনিংসের ১৫তম ওভারে অবশ্য ফিরেছেন মিরাজ নিজেই। ৩৭ বলে ৫ চারে ৪৬ রানেই তাকে থামতে হয়। এরপর বেশিক্ষণ টিকেননি মোসাদ্দেকও (২২ বলে ২৭)।

শেষ দিকে ইয়াসির আলির ১৩ বলে ২০ ও অধিনায়ক নুরুল হাসান সহানের ১০ বলে ১৯ রানে ১৬৯ রানে থেমেছে টাইগাররা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট আয়ান আফজাল খানের।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

দুবাইয়ে আজও টস হারল বাংলাদেশ

Read Next

প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করার দিনে বাংলাদেশের একটু আধটু উন্নতি

Total
1
Share