এবার কংক্রিটের উইকেট দিয়ে চেষ্টা করবে বাংলাদেশ

নাফিসের কণ্ঠে রাজ্জাকের সুর
Vinkmag ad

মিরপুর একাডেমি মাঠের পূর্ব পাশের অনুশীলন নেটে গত কয়দিন ধরেই গ্রাউন্ডসম্যানদের কাজ চলছে। সারা বছর ধরেই ক্রিকেটারদের অনুশীলনের জন্য এসব পরিচর্যা করা হয়। তবে এবার ভিন্ন কিছু চোখে পড়েছে, দূর থেকেই বোঝা যাচ্ছিল প্রচলিত উইকেট নয়, একদম নতুন করে কংক্রিকেটের উইকেট বসানো হচ্ছে। বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ থেকেও নিশ্চিত করা হয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টের চাওয়াতে এমন উইকেট তৈরি।

বাংলাদেশ জাতীয় দলকে ঘরে-বাইরে টানা ব্যস্ত সময় পার করতে হচ্ছে। কিন্তু ঘরের মাঠে অভ্যস্ত টাইগাররা খেই হারাচ্ছে বিদেশের বিরুদ্ধ কন্ডিশনে। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকায় খাবি খাওয়া নিত্য নৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আর এ কারণেই ঘরের মাঠে নিজেদের কন্ডিশনে বিদেশের বাউন্সি উইকেটের অনুশীলন সারতে চায় টাইগার টিম ম্যানেজমেন্ট। নতুন করে তৈরি হতে যাওয়া উইকেটগুলো ক্রিকেটারদের অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাদ দিতে পারে বলে জানান ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ডেপুটি ম্যানেজার শাহরিয়ার নাফিস।

No description available.

আজ (৬ সেপ্টেম্বর) মিরপুরে সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘সাধারণত অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং আরব আমিরাতেও আমরা দেখেছি উইকেট ফ্ল্যাট থাকে। বল সুন্দর ব্যাটে আসে, সুতরাং এটা ওটাকে রেপ্লিকেট করবে। পরবর্তীতে দুটা অ্যাস্ট্রোটার্ফ উইকেট করারও পরিকল্পনা আছে, যেটা ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের মতো দেশের সঙ্গে মিল থাকবে।’

‘বাংলাদেশ দলের ম্যানেজমেন্ট থেকে আমাদের কাছে দুইটা-তিনটা কংক্রিট উইকেটের কথা বলা হয়। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া বা বিভিন্ন দেশে যখন বৃষ্টির মৌসুম থাকে, তখন তারা কিন্তু কংক্রিটের উইকেটে অনুশীলন করে। আমরা কিন্তু আমাদের জাতীয় দলের বেশ কয়েক বছর ধরে অনুশীলনে দেখছি খেলোয়াড়রা মার্বেল স্লেভের ওপর ব্যাটিং করে। এতে বলের গতি বেশি থাকে এবং ভালো বাউন্সার পাওয়া যায়।’

কংক্রিকেটের উইকেট ব্যাটার ও বোলার দুই বিভাগের কাজেই আসবে বলে মত জাত্য দলের সাবেক ক্রিকেটার নাফিসের, ‘আমরা ৫০ শতাংশ ম্যাচ দেশে খেলি, আর ৫০ শতাংশ দেশের বাইরে। সেখানে আমরা দেখি বেশিরভাগ উইকেটে পেস এবং বাউন্স থাকে। তো ওই পেস বাউন্সটা রেপ্লিকেট করার জন্যই এই কংক্রিট উইকেট তৈরি করা।’

‘এখানে বল স্কিড করবে, বাউন্স করবে। তো আমাদের ব্যাটারদের যেমন অনুশীলন হবে, তেমনি বোলারদেরও ওই ধরণের উইকেটে অনুশীলনের সুযোগ হবে। গ্রাউন্ডস বিভাগ এ দুইটা উইকেট বানাচ্ছে।’

বাংলাদেশ দলের পরবর্তী মিশন নিউজিল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ। সেখান থেকেই উড়াল দিবে অস্ট্রেলিয়ায়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে। চলতি মাসের ২৪ সেপ্টেম্বর নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশে দেশ ছাড়ার কথা টাইগারদের। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে টেকনিক্যাল কনসালটেন্ট শ্রীধরন শ্রীরামের অধীনে শুরু হবে দিন কয়েকের ক্যাম্প। তার আগেই উইকেটগুলো প্রস্তুত হলে নিশ্চিতভাবেই কিছুটা বাড়তি সুবিধা পাবে ক্রিকেটাররা।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

বিশ্বকাপের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোয়াড ঘোষণা

Read Next

ক্যারি-গ্রিন ক্যারি করলেন অস্ট্রেলিয়াকে

Total
2
Share