পুরুষদের ভিড়ে যেভাবে বাংলাদেশের গর্ব হলেন ফাতেমা

মালদ্বীপ নারী দলের কোচ হলেন বাংলাদেশের ফাতেমা

বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটই এখনো যথাযথ কাঠামো পায়নি। দেশে নারী কোচদের বিস্তৃতিটাও সেভাবে নেই। অথচ সেসবের ভীড়ে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন সাবেক নারী ক্রিকেটার ফাতেমা তুজ জোহরা। খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার খুব বেশি লম্বা নয়। জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে স্নাতকোত্তর শেষে কোচিংকেই আপন করে নিয়েছেন।

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) নারী দলের কোচের পাশাপাশি কাজ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ক্রিকেট ক্লাবে। এবার নিয়োগ পেলেন মালদ্বীপ জাতীয় নারী দলের প্রধান কোচ হিসেবে। ‘ক্রিকেট৯৭’ কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন রোমাঞ্চকর এই যাত্রা নিয়ে। নিচে পাঠকদের জন্য দেওয়া হল-

ক্রিকেট৯৭: মালদ্বীপ নারী দলের সাথে কীভাবে যুক্ত হলেন?

ফাতেমা: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওদের ক্রিকেট বোর্ডের পেইজে দেখলাম যে তাদের নারী দলের কোচ প্রয়োজন। আমি আগ্রহ করে এমনিতেই ওদের ক্রিকেট বোর্ডের ডেভেলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ ইসমাইলকে নক করি। উনার সাথেই আমার প্রথম যোগাযোগ। এরপর তারা আমার সিভি চায়। সিভি দেখে তারা বেশ খুশি হয় যে আমার প্রোফাইলটা এতো ভালো যেহেতু আমার দেশে বিদেশে অভিজ্ঞতা ছিল।

দ্বিতীয় ধাপে তারা আমার ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকার নেয়। তারা দারুণ সন্তুষ্ট হয় আমার উপর। এরপরই ইনভাইটেশন লেটার পাঠায়। যেহেতু আমি একটা সরকারী প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি নারী দলের কোচ) কর্মরত…কোভিডের পর আসলে তাদের মহিলা দল এলোমেলো হয়ে যায়। নাই বললেই ভালো হয়। যে যার মতো চলে গেছে। এখন ওরা নতুনভাবে মালদ্বীপ নারী ক্রিকেট দলটাকে গড়তে চায়। সে জন্যই আমাকে নেওয়া।

ক্রিকেট৯৭: ক্রিকেট খুব সমৃদ্ধ নয় এমন একটা দেশে ক্রিকেট মেলে ধরার কাজ কতটা চ্যালেঞ্জিং হবে?

ফাতেমা: এটা অনেক বড় চ্যালেঞ্জের কাজ। তবে বরাবরই আমি চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করি। ২০১১ সাল থেকে আমি বাংলাদেশে বিকেএসপি নারী দলের কোচ হিসেবে কাজ করছি। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতেও আমার কোচিং অভিজ্ঞতা আছে। নারী ক্রিকেটে উন্নয়নশীল দেশ ও উন্নত দেশ দুই জায়গাতেই আমার কাজ করা হয়েছে। এ কারণেই নতুন একটা চ্যালেঞ্জ সামনে আসতেই আমি লুফে নেওয়ার চেষ্টা করেছি। এখানে পুরুষদের ক্রিকেটটা ভালোই সমৃদ্ধ। পুরুষ ক্রিকেটে অনেক সুযোগ সুবিধা এবং ভালো অবস্থানের দিকে তারা যাচ্ছে।

কিন্তু মালদ্বীপ নারী দলের ইতিহাসটা খুবই ছোট। ২০১৬ সালে যাত্রা করে, ২০১৭ তে কিছু খেলেছে কিন্তু কোভিডের কারণে আবার বলতে পারেন শূন্যের কোঠায় চলে গেছে। এ বছর থেকে তারা ফের নারী ক্রিকেটে নজর দেওয়া শুরু করেছে। যেহেতু আইসিসিতেও নারীদের ক্রিকেটে ইভেন্ট বেড়েছে। যে কারণে ওরাও খুক ফোকাসড, আবার বিশেষ করে নারী ক্রিকেটের উন্নতির জন্য তারা নারী কোচই নিয়োগ দিয়েছে।

ক্রিকেট৯৭: ২০৩০ সালের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে মালদ্বীপ ক্রিকেট। তাদের ক্রিকেট কাঠামোতে কোনো জায়গাটায় কিছু একটা করতে চান?

ফাতেমা: যেহেতু তাদের কোনো নারী দলই এখন নাই সেহেতু আমাকে আমাকে একদম জুনিয়র লেভেল থেকে শুরু করতে হবে। যদি ভালো কিছু আশা করি বা ২০৩০ সালের মধ্যে একটা অবস্থান তৈরি করতে চাই তো আমাকে একদম জুনিয়র লেভেল থেকেই শুরু করতে হবে। আপনি বলতে পারেন স্কুল লেভেলে আমার মূল নজর থাকবে।

আগামী সপ্তাহ থেকে আমাদের আন্ত: স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু হবে। যার মাধ্যমে অংশ নেওয়া স্কুলের ক্রিকেটারদের মাঝ থেকে আমি কিছু সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার বের করবো। এরপর একটা ক্যাম্পিং আয়োজন করবো। যেহেতু জাতীয় দল নেই, এদেরকে খেলাটা শেখানো, কিছু বেসিক জিনিস ঠিক করে তারপর সামনে এগোবো।

ক্রিকেট৯৭: আমাদের দেশেই নারী ক্রিকেটে বড় কোনো বাজার গড়ে উঠেনি এখনো। তবে প্রতিনিয়ত উন্নতি হচ্ছে। কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

ফাতেমা: আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট অনুসারে নারী ক্রিকেট এখন অনেকটাই উন্নয়নের পথে। উন্নতি হয়েছে এখন আরও উন্নতির দিকে যাচ্ছি। যেমনটা আমরা বলি উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশ। আমাদের দেশের নারী ক্রিকেটও একই অবস্থায়। ইতোমধ্যে আমাদের অনেক বড় অর্জন ২০১৮ এশিয়া কাপ জয়। চলতি বছর খেললাম নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ। সুতরাং প্রত্যেকটা জিনিসই আমাদের দেখা হয়ে গেছে।

এখন বিসিবিও (বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও) আমাদের নারী ক্রিকেটে অনেক বেশি নজর দিয়েছে। গত দেড় বছর দেখেন প্রচুর ঘরোয়া ক্রিকেট হচ্ছে। ১৮ তারিখ থেকে সিলেটে শুরু হচ্ছে নারী দলের ক্যাম্প। জাতীয় দলের এই বছর ব্যস্ত সূচি, প্রচুর ট্যুর হচ্ছে। আগামী ২-৩ বছর পর অনেক ভালো ভালো দল যেমন ইংল্যান্ড, ভারত, নিউজিল্যান্ড বা ওয়েস্ট ইন্ডিজ আমাদের এখানে খেলতে আসবে।

ক্রিকেট৯৭: খেলোয়াড়ি জীবনের চেয়ে কোচ, আম্পায়ার হিসেবেই আপনি বেশি পরিচিত। নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ার নিয়ে কোনো আক্ষেপ আছে?

ফাতেমা: ক্রিকেট ক্যারিয়ারে আমার প্রচন্ড আক্ষেপ আছে। ২০০৭ সালে ঘরোয়া ক্রিকেটের যাত্রার পর সেখান থেকে জাতীয় দলের ক্যাম্পে আসতে আমাকে ২ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। ২০০৯ সালে আমি ১৪ জনের মধ্যে আসি। তার আগে আমি কেবল রিজার্ভ তালিকাতে থাকতাম। তখন আমার একটা জেদ ছিল যে জাতীয় দলে আমি একটা ম্যাচ হলেও খেলে অবসরে যাবো। তখন আমাদের প্ল্যাটফর্ম বলেন, জাতীয় দলের বেইসটা বলেন আমাদের এতো শক্ত ছিল না।

অনেক বেশি রাজনীতি ছিল, আমি নিজে সে রাজনীতির শিকারও হয়েছি। থাইল্যান্ড ও মালেশিয়াতে এসিসিরই টুর্নামেন্ট ছিল সেখানে আমাকে অহেতুক বাদ দেওয়া হয়েছে, আমি অনেক ভালো পারফর্ম করার পরেও। কিন্তু অজানা এক কারণে আমার সুযোগ হয়ে উঠেনি। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান যখন ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলে তখন আমি সুযোগ পাই। ওখানে আমি তিনটা ম্যাচে অংশ নিই।

২০১১ তে আমার মাস্টার্স পরীক্ষা শেষে বিকেএসপিতে ভাইভা দিতে যাই। ভাইভা খুব ভালো হয় আমি চাকরিটা পেয়ে যাই। সে সময় আবার জাতীয় দলের ক্যাম্পেও ডাক পাই। কিন্তু সেখানে না গিয়ে আমি বিকেএসপিতে কোচ হিসেবে যোগ দিই। এই আমার কোচিং পথ চলা। আর খেলার ক্যারিয়ারে অনেকটা আক্ষেপ নিয়েই শেষ করেছি।

ক্রিকেট৯৭: আম্পায়ার ও কোচ দুটো পথই আপনার সামনে খোলা ছিল। কোচিংকে কীভাবে বেছে নিলেন শেষ পর্যন্ত?

ফাতেমা: দেখেন আম্পায়ারিং বিষয়টা আপেক্ষিক। কারণ এটার মধ্যে কোনো চ্যালেঞ্জ নাই, ক্লাইমেক্স নাই বা কোনো ধরণের পথ চলা নাই। হয়তো আমি দেশে করলাম এরপর আইসিসিতে করলাম, মানে একটা নির্দিষ্ট পথ। আর কোচিংয়ে দেখেন আমি বাংলাদেশে কাজ করেছি, অস্ট্রেলিয়ায় কাজ করেছি, আবার এখনো সহযোগী সদস্য দেশ মালদ্বীপে কাজ করছি। অনেক ধরণের ফ্লেভার পাওয়া যায়, অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জের সামনে পড়তে হয়। যা অন্য রকম এক ভালো লাগা কাজ করায়।

ক্রিকেট৯৭: কোচ হিসেবে প্রায় এক যুগ পার করতে চলেছেন। প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

ফাতেমা: আক্ষেপের জায়গাটা আসলে খুব বেশি নাই। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয় নারী দলের সাথে কাজ করেছি। অস্ট্রেলিয়ায় সিডনি ক্রিকেট ক্লাব ও নিউ সাউথ ওয়েলস অনূর্ধ্ব-১৮ দলের সাথে কাজ করেছি। এখন আবার মালদ্বীপে আছি প্রধান কোচ হিসেবে। আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ আমি উনি আমার কোনো আশাই এখনো অপূর্ণ রাখেননি। যখন কোচিং পেশায় আসি তখন স্বপ্ন দেখতাম আমি বাইরের দেশের কোচ হব।

সে লক্ষ্যেই আমি নিজেকে তৈরি করে আসছিলাম। বিকেএসপিতেও আমি সেভাবে অনুশীলন করাতাম আমার নারী দলটাকে। এ ধারাবাহিকতায় এবার প্রিমিয়ার লিগে আমার দল তৃতীয় হয়েছে। এবারই প্রথম আমরা আবাহনীর মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়েছিলাম। মানে কোচ হিসেবে আমার আক্ষেপের জায়গা এখনো নাই বললেই চলে।

ক্রিকেট৯৭: অস্ট্রেলিয়ায় কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে আপনার। সেই অভিজ্ঞতা যদি আমাদের সাথে একটু ভাগ করতেন…

ফাতেমা: ওদের ক্রিকেট কাঠামোটা একদমই ভিন্ন। ক্রিকেট ওদের মৌসুমি একটা খেলা। একেকটা খেলোয়ায়ড় যে শুধু ক্রিকেট খেলে তা না। শুধু যে ক্রিকেটকে পেশা হিসেবে নেয় তাও না। ক্রিকেটের পাশাপাশি তারা অন্য চাকরিও করে। ওদের সুযোগ সুবিধা বলেন, অবকাঠামো বলেন, পরিকল্পনা বলেন অনেক উন্নত। ওরা যা পরিকল্পনা করে সেটাই প্রয়োগ করে। ওরা শুধু গ্রীষ্মে ক্রিকেট খেলে। শীতকালে কোনো ধরণের ক্রিকেট নেই ওদের। ওরা অপ একটা সময় খেলে আর ঐ সময়েই বিগ ব্যাশ সহ অন্যান্য টুর্নামেন্ট আয়োজন করে।

ওখান থেকে আমি একটা জিনিস শিখেছি, কোনো কাজ অল্প সময়ের জন্য হলেও সেটা যদি আমি পেশাদারিত্বের সাথে এবং পূর্ণ মনযোগ দিয়ে সঠিক পথে করি তবে অবশ্যই আমি সফল হব। আমাদের দেশে খেলাতার জন্য পড়াশোনাই করে না, পুরুষদের ক্রিকেটেও। কয়টা ছেলে আসলে শিক্ষিত যে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গিয়েছে? এই সংস্কৃতিটা আমি ওখান থেকেই শিখেছি যে খেলার পাশাপাশি পড়াশোনাটা অবশ্যই করা যায় যেকোনভাবে। আমরা শুধু একটা জিনিসেই ফোকাস করি। ওরা হচ্ছে এক কথায় মাল্টি কালচারাল দেশ।

ক্রিকেট৯৭: আমাদের দেশে ঘরোয়া ক্রিকেটেও এখনো নারী কোচ খুব বেশি নাই। বাংলাদেশে কোচিং করানোর স্বপ্ন দেখেন?

ফাতেমা: আমি আবারও সিডনির কথা টানি। যখন আমি সেখানে গিয়েছি তারা কিছুটা অবাক হয়েছে, খুশিও। পুরুষ কোচই তারা বাংলাদেশ থেকে পায় না সেখানে আমি একজন নারী গেলাম সেখানে কোচিং করাতে। সেখান থেকে এসে আমি বিকেএসপিতে আবারও মনযোগী হই। তার পরের বছর ২০২১ সালে সিডনির একটা নতুন ক্লাব থেকে ইনভাইটেশন পাই। কিন্তু কোভিডের কারণে বর্ডার লক থাকায় দুর্ভাগ্যজনকভাবে যাওয়া হয়নি। বিকেএসপিতে কাজ করা অবস্থায় তখন আবার মনে হল অন্য কোনো দেশে আমার বোধহয় কাজ করা দরকার। সে ভাবনা থেকে আসলে এই দেশে আসা।

কিন্তু বাংলাদেশে…ওটাতো আমার হাতে না। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড যদি মনে করে আমি যোগ্য। কোনো ভালো প্রস্তাব পেলে অবশ্যই আগ্রহী হব। সবার আগেতো দেশ ভাই, তারপর তো বিদেশ। আমাদের দেশে তো পুরুষ কোচদের ভীড়ে নারীরা যে কোচিং পেশায় আসবে এই ব্যাপারটা প্রতিষ্ঠিত হতে অনেক লম্বা সময়ের ব্যাপার। ভাগ্যক্রমে আমি জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স মাস্টার্স করার কারণে বিকেএসপির চাকরিটা পাই। আমার ব্যাচমেট যারা ২০০৭ থেকে, তাদের অনেকেই এখনো খেলে যাচ্ছে।

কারণ তারা শিক্ষায় অনেক বেশি পিছিয়ে। তাদের সার্টিফিকেট নাই, অবসরের পর আসলে কি করবে নিজেরাও দ্বিধায়। আমরা সে সংস্কৃতির কাছাকাছিও নাই। পাশের দেশ ভারতে মিতালি রাজ, ঝুলন গোস্বামির মতো তারকা ক্রিকেটাররা বড় বড় জায়গায়। মিতালি রাজ যেমন ভারত রেলওয়ের বড় একটা পোস্টে আছে। ঝুলন গোস্বামী এয়ার ইন্ডিয়ার খুব বড় একটা পোস্টে আছে। আমাদের খেলোয়াড়েরা আসলে অবসরের পর কি করবে?

এতো কিছু বলার কারণ হল সম্মান আমরা দিতে জানি না। দেশের বাইরে যেখানেই গিয়েছি আমি খুব ভালো সম্মান পেয়েছি। খেলায় বৈষম্য হয়…অথচ খেলা তো খেলাই, নারী আর পুরুষ কি? আপনি দেখেন আমাদের জাতীয় নারী দলে ফিজিও ছাড়া প্রত্যেকটা স্টাফ পুরুষ। তো সব মিলিয়ে বলবো সম্মানের জায়গাটা, যথাযথ সম্মান না দেওয়া। সংশ্লিষ্টদের মানসিকতা আরও উন্নতি হওয়া প্রয়োজন।

ক্রিকেট৯৭: আপনার সাথে ক্রিকেট খেলা শুরু করা সালমা, জাহানারা, রুমানারা এখন জাতীয় তারকা। তাদের সাথে যোগাযোগ হয়? এখন কি ধরণের কথা বার্তা হয় আপনাদের?

ফাতেমা: ওদের সাথে আমার ভালো সম্পর্ক। আমি এখন কোচ, প্রিমিয়ার লিগে বিকেএসপির কোচ আর ওরা এই টুর্নামেন্ট খেলেছে খেলোয়ার হিসেবে। কিন্তু যখনই দেখা হয়েছে সেই পুরোনো স্মৃতি, সেভাবেই তারা আমাকে সম্মান করে। আমিও তাদের সম্মান করি। তারা আমাকে কোচ হিসেবেও মূল্যায়ন করে আব্র এক সময় তাদের সতীর্থ ছিলাম সেভাবেও সম্মান করে। ওদের সাথে আমার বন্ধনটা খুবই মজবুত।

নাজমুল হাসান তারেক

Read Previous

রাশিদের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে আফগানদের জয়

Read Next

সুরিয়াকুমার যাদবকে ডি ভিলিয়ার্সের সঙ্গে তুলনা করলেন পন্টিং

Total
0
Share