হঠাত ফোনে খুলনা থেকে হারারেতে এবাদত

featured photo updated v 4
Vinkmag ad

এবাদত হোসেন মূলত টেস্ট ফরম্যাটেই বিবেচিত হন। তবে গত ফেব্রুয়ারিতে হুট করে ওয়ানডে দলে ডাক পেয়ে চমকে গেছেন নিজেই। যদিও এখনো রঙিন পোশাকে অভিষেক হয়নি এই পেসারের। ছিলেন খুলনায় বাংলাদেশ টাইগার্সের ক্যাম্পে আর সেখান থেকেই আরেক দফা ওয়ানডে দলে যুক্ত হলেন আকস্মিকভাবে। জিম্বাবুয়েতে চলমান ওয়ানডে সিরিজের মাঝপথে যোগ দিতে আজই (৬ আগস্ট) উড়াল দিচ্ছেন নাইম শেখকে নিয়ে।

দিন কয়েক আগেই বাংলাদেশ টাইগার্সের হয়ে হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে খুলনায় যায় এবাদতরা। যেখানে বেশ কিছু সাদা বলের (ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি) ম্যাচ খেলছিল দুই দল।

গতকাল (৫ আগস্ট) সেখানেই ফোন পান এবাদত। আর তাতেই ঢাকায় ফিরে আজ সন্ধ্যায় উড়াল দিচ্ছেন জিম্বাবুয়ের উদ্দেশে। তার সাথে নতুন করে ওয়ানডে দলে যুক্ত হচ্ছেন ওপেনার মোহাম্মদ নাইম শেখ।

প্রথম ম্যাচে হেরে ওয়ানডে সিরিজটি ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। হারারেতে পৌঁছে সিরিজের বাকি অংশে দলের সাথেই থাকবেন নাইম-এবাদত। ওপেনার লিটন দাস ছিটকে যাওয়ায় কপাল খুলল নাইমের।

এবাদতের সুযোগ এলো পেসার শরিফুল ইসলামের চোট নিয়ে খানিক শঙ্কা থাকায়। দেশ ছাড়ার আগে আজ মিরপুরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন এবাদত হোসেন।

যেভাবে ওয়ানডে দলে যুক্ত হলেন তা জানাতে গিয়ে ২৮ বছর বয়সী এই পেসার বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ টাইগার্সের হয়ে এইচপির বিপক্ষে খেলার জন্য খুলনায় ছিলাম। ওখানে সাদা বলের জন্য গিয়েছিলাম। তাই সাদা বলের অনুশীলনটাই করে এসেছি। গতকাল রাতে কল আসে- জাতীয় দলে যোগ দিতে হবে। শুনে খুব খুশি হয়েছি।’

‘প্রথমে যাওয়ার কথা ছিল, যাওয়া হয়নি, মাঝখানে যাচ্ছি। একটু অবাক করার মত। ইন শা আল্লাহ দেশের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টা করব। সুযোগ পেলে কাজে লাগানোর চেষ্টা করব। আমি অনুশীলনের মধ্যে আছি। অনুশীলনের মধ্যে না থাকলে মানসিকভাবে পিছিয়ে থাকতাম। তাই আত্মবিশ্বাস ভালো আছে।’

প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ৩০৩ রানের পুঁজি নিয়েও হেরেছে ৫ উইকেটে। সিকান্দার রাজা ও ইনোসেন্ট কায়ার জোড়া সেঞ্চুরিতে সহজ জয় পায় জিম্বাবুয়ে। তবে এতে করে ওয়ানডে ফরম্যাটে দারুণ সমাদৃত বাংলাদেশ খারাপ দলে পরিণত হয়েছে মানতে নারাজ এবাদত।

তার মতে, ‘ওয়ানডেতে দল হিসেবে আমরা খুবই ভালো। ২-১টা ম্যাচ খারাপ হলে আমরা দল হিসেবে খারাপ? আমরা দল হিসেবে ভালো। আমরা বাকি দুই ম্যাচ জিতলে সিরিজ তো আমাদেরই।’

এদিকে টাইগার পেস বোলিং আক্রমণ নিয়ে ডানহাতি এই পেসারের ভাষ্য, ‘গত ২ বছর ধরে পেস বোলিং ইউনিট উন্নতির চেষ্টা করছে। তাসকিন, মুস্তাফিজ, শরিফুল, আমি, খালেদ- সবাই ভালো করছে। আমরা হাল ছাড়ব না। উন্নতির গ্রাফ আরও ওপরের দিকে নিয়ে যেতে চাই। এখন পর্যন্ত কারও সাথে কথা হয়নি। তামিম ভাইয়ের সাথে সিরিজের আগে কথা হয়েছে। উনি অনেক প্রেরণা দিয়েছেন।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

হঠাৎ জিম্বাবুয়ে যাচ্ছেন নাইম শেখ-এবাদত হোসেন

Read Next

এসিসির কাছে ৩ দিন চেয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ

Total
1
Share