হারা ম্যাচ থেকেও সোহানদের নেওয়ার আছে অনেক কিছু

ডোমিঙ্গোর চোখে সোহান টি-টোয়েন্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী
Vinkmag ad

সিনিয়রদের বিশ্রাম দিয়ে টি-টোয়েন্টিতে যে বাংলাদেশ দল পাঠানো হয়েছে তাদের কাছে টিম ম্যানেজমেন্টের চাওয়া ছিল হারলেও যেন আলাদা ঘরানার ক্রিকেট খেলে। নুরুল হাসান সোহানের নেতৃত্বাধীন টাইগার শিবির প্রথম ম্যাচে ১৭ রানে হেরেছে। তবে ২০৬ রান তাড়া করতে গিয়ে যে ব্যাটিং করেছে তাতে পাশ মার্ক পেতেই পারে। সোহান নিজেও তাই এই ম্যাচ থেকে ইতিবাচক দিক খুঁজে পাচ্ছেন।

টি-টোয়েন্টিতে এমনিতে বেহাল দশা বাংলাদেশের। টানা হারে ক্লান্ত হওয়ার উপক্রম। যে কারণে এবার ভিন্ন কিছু করা ও পুরোনো কিন্তু সুযোগ না পাওয়া ক্রিকেটারদের পরখ করে দেখতে চেয়েছে বোর্ড।

ব্যাট হাতে বরাবরই নাজুক টাইগাররা। বোলারদের কল্যাণে কিছু ম্যাচে জয়ের সুযোগ আসলেও ব্যাটাররা ডুবিয়েছেন সেসব ম্যাচেও। টি-টোয়েন্টির মেজাজটাই যেন শিখতে পারছিল না বাংলাদেশ।

তবে আজ (৩০ জুলাই) বোলাররা এলোমেলো বোলিং করলেও ব্যাটাররা পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়ায় ভালোই প্রচেষ্টা দেখিয়েছে। জিম্বাবুয়ে সিরিজে সোহানের কাঁধে দায়িত্ব দিয়ে যে অ্যাপ্রোচ দেখতে চেয়েছে বোর্ড সেটার কিছুটা হলেও দেখা মেলে প্রথম ম্যাচেই।

২০৬ রান তাড়ায় নেমে ৬ উইকেটে ১৮৮ রানে থামে বাংলাদেশ। লিটন দাসের ৩২, এনামুল হক বিজয়ের ২৬, নাজমুল হোসেন শান্তর ৩৭ এর সাথে অধিনায়ক সোহানের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াইয়ে ২৬ বলে অপরাজিত ৪২ রানের ক্যামিও।

দল হিসেবে জয়টা না এলেও এমন পারফরম্যান্স ইতিবাচকই। আর এই ইতিবচাকতাই আগামীকাল (৩১ জুলাই) দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে নিতে চান সোহান।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বলেন,

‘অবশ্যই যেটা বললাম এই ম্যাচেই অনেক ইতিবাচক দিক আছে, সেখান থেকে ইতিবাচক দিকগুলো নেবো। যেটা বললেন, কিছু জায়গায় অবশ্যই উন্নতির জায়গা আছে, সেটা করেই পরের ম্যাচে নামবো।’

কাউকে ঢালাওভাবে দায়ী না করলেও বোলারদের উন্নতির জায়গা দেখেন টাইগার কাপ্তান। কারণ এই ম্যাচে শেষ ১০ ওভারে ১৩১ ও শেষ ৫ ওভারে ৭৭ রান খরচ করে বাংলাদেশের বোলাররা। অথচ শুরুটা ছিল স্বাভাবিকই, প্রথম ১০ ওভারে ৭৪!

সোহান বলেন,

‘আসলে কোনো কিছু নিয়ে কারণ দেখাতে চাইছি না। ব্যাটি, বোলিং, ফিল্ডিং যাই বলেন সব আমরাই। যেটাই করি আমাদেরই ভালো করতে হবে। যেটা বলেছি, শেষ পাঁচ-ছয় ওভারে আমরা ভালো বল করতে পারিনি। পরের ম্যাচে এই জায়গায় আরও উন্নতি হবে।’

উইকেট এতোটাই ব্যাটিং বান্ধব ছিল যে ড্রেসিং রুমে গিয়ে ২০৬ রান তাড়া করে জেতার ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী ছিল বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ অধিনায়ক এ প্রসঙ্গে যোগ করেন,

‘আমরা ব্যাটাররা দেখেন, ২০০ প্লাস চেজ করা অবশ্যই অনেক বড় ব্যাপার। আমরা যখন ড্রেসিং রুমে এসেছি, অবশ্যই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম উইকেকটা খুবই ভালো, চেজ করতে পারবো। কিন্তু যেটা বলেছি, বোলিংয়ে শেষ পাঁচ-ছয় ওভার উন্নতির জায়গা আছে, সেটাতেই উন্নতি করব।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

জিম্বাবুয়ে সফরের জন্য ভারতের ওয়ানডে স্কোয়াড ঘোষণা

Read Next

টিকটকে দেখা যাবে দ্য হান্ড্রেড লিগ

Total
37
Share