রেকর্ড সংখ্যক ম্যাচ পেয়েও মধুর বিড়ম্বনায় বাংলাদেশ

আকরামের চেয়ারে বসলেন জালাল ইউনুস
Vinkmag ad

একটা সময় বেশি ম্যাচ না খেলার আক্ষেপে পুড়েছে বাংলাদেশ। সময়ের সাথে সাথে বেড়েছে ম্যাচ। আইসিসির এফটিপি (ফিউচার ট্যুর প্ল্যান) অনুসারে পরবর্তী চার বছর টানা খেলায় পিষ্ট হবে টাইগাররা। নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে এর আগে এমন ব্যস্ততা ছিল না কখনোই। যে কারণে ক্রিকেটারদের বিশ্রামের সাথে সিরিজ কমানোর ভাবনাও এসেছে। কিন্তু প্রতিশ্রুতি দিয়ে দেওয়ায় সে পথে হাঁটা সম্ভব হচ্ছে না।

আইসিসির সর্বশেষ বোর্ড সভায় অনুমোদন পাওয়া এফটিপি অনুসারে বাংলাদেশ ২০২৩ থেকে ২০২৭ সালের চক্রে খেলবে ১৫০ এর আশেপাশে ম্যাচ। তিন ফরম্যাটে এতো ম্যাচ খেলতে গিয়ে ক্রিকেটারদের সাথে টিম ম্যানেজমেন্টকেও যে হিমশিম খেতে হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যেখানে প্রায় ৪০ এর মতো টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে সংখ্যাটা যেখানে আলাদা আলাদা ৬০ এর বেশি।

বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস আজ (২৮ জুলাই) মিরপুরে সাংবাদিকদের জানান এফটিপির এই চক্রে বাংলাদেশকে খেলতেই হবে ম্যাচগুলো। চাইলেও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ কম। সে ক্ষেত্রে সামলে নিতে ক্রিকেটারদের বিশ্রামই বড় পন্থা। মূলত পেসারদের বিশ্রাম নিয়েই বেশি ভাবনায় বিসিবি।

এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘এফটিপি প্রায় আবদ্ধ হয়ে গিয়েছে। ২০২৩-২৭ এই চক্রে ৩৮-৪০টার মতো টেস্ট থাকবে। ৭০টার মতো টি-টোয়েন্টি আছে, ৭০টার মতো ওয়ানডেও আছে। কয়েকবছর আগেও এমন দেখা গেছে যে আমাদের তেমন একটা খেলা থাকত না। আমরা খেলার জন্য চেষ্টা করতাম, এফটিপিতে সেরকম সূচি পাওয়া যেত না। আমার মনে হয় যে, অবশ্যই এটা খুবই চাপের (এবারের চক্রে ম্যাচ সংখ্যা)।’

‘এই চক্রে আমাদের খেলতেই হবে। পেশাদার হতে হলে আমাদের খেলতেই হবে। এখান থেকে বের হয়ে আসার উপায় নেই। খেলোয়াড়দের একটা বিশ্রাম দেয়ার ব্যপার থাকে। মূলত বিশ্রাম দরকার হয় পেস বোলারদের। সূচি অমন ব্যস্ত হলে তাদের ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলানোর ব্যবস্থা আমরা করতে পারি। বাকিরা যারা ব্যাটার ও স্পিনাররা আছেন, আমি মনে করি না তাদের এই ব্যস্ত সূচিতে কোনো সমস্যা হবে।’

বিশ্রামের সাথে গুছানো অনুশীলন পর্বের ব্যবস্থাও করতে হবে উল্লেখ করে জালাল আরও যোগ করেন, ‘যেটা আমাদের করতে হবে যে সামনে যে সিরিজগুলো রয়েছে সেগুলোর জন্য আরও বেশি গুছানো অনুশীলন ও বিশ্রাম সেশন ঠিকভাবে করতে পারি, তাহলে ২০২৭ পর্যন্ত আমরা ঠিকভাবেই সব করতে পারব।’

‘২০২২ সালে একটু ঠাসা সূচি। ২০২৩-২৪ সালে সামনে গেলে দেখা যাবে এত ব্যস্ত সূচি নেই। কিছু সিরিজ চূড়ান্ত করে ফেলেছি হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে দুটোই। আমরা সামনে দেখব। তবে ২০২৭ পর্যন্ত যেসব খেলার প্রতিশ্রুতি রয়েছে এখান থেকে কমানো সম্ভব নয়।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

সৌম্যরা ভালো খেললে ‘গ্যাপ’ কমে বলছেন রাজ্জাক

Read Next

শতভাগ চেষ্টায় দায়মুক্ত থাকতে চান আফিফ

Total
1
Share