ঘরে নয়, এবার বাইরে থেকে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি নিতে চায় বাংলাদেশ

Vinkmag ad

গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ ভিন্নভাবে প্রস্তুতি নিতে চেয়েও ব্যর্থ হয়। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে অতি স্পিন নির্ভর উইকেট বানিয়ে সিরিজ জিতেছে। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এই জয়ের আত্মবিশ্বাস কাজে আসেনি একটুও। এবার অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপের আগে অবশ্য বিদেশের মাটিতেই টানা খেলবে বাংলাদেশ। অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান বলছেন যত বেশি বাইরে খেলা যায় ততই সুবিধা করার সম্ভাবনা বাড়বে।

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট বাংলাদেশের জন্য এখনো অবধি বুঝে উঠতে না পারার মতো। ১৫ বছরের বেশি সময় খেলেও অভ্যস্ত হতে পারেনি। বরং নিয়মিত মুখ থুবড়ে পড়ছে যেকোনো কন্ডিশনে।

২০০৭ সালের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে কোনো ম্যাচ জেতেনি বাংলাদেশ। গত আসরে তো প্রথম পর্ব উতরাতেই হিমশিম খেতে হয়েছে। হারতে হয়েছে স্কটল্যান্ডের কাছেও। মূল পর্ব নিশ্চিত করলেও জিততে পারেনি কোনো ম্যাচ। অথচ বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪-১ ও ৩-২ ব্যবধানে ঘরের মাঠে সিরিজ জিতেছিল টাইগাররা।

এবার অবশ্য বাংলাদেশের বিশ্বকাপ প্রস্তুতির মিশন শুরু হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের ৩ ম্যাচ সিরিজটি অবশ্য ২-০ ব্যবধানে হারে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। একটি ম্যাচ ভেসে যায় বৃষ্টিতে।

এবার মিশন জিম্বাবুয়ে, যেখানে তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। এরপর আছে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এশিয়া কাপ, এখনো ভেন্যু চূড়ান্ত না হলেও শ্রীলঙ্কা কিংবা আরব আমিরাতে হতে পারে টুর্নামেন্ট। সেখান থেকে উড়াল দিতে হবে নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশে।

সেখানে নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ। নিউজিল্যান্ড থেকেই সরাসরি যাবে অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বকাপ খেলতে। বিদেশের মাটিতে এমন টানা খেলায় প্রস্তুতি হওয়ার কথা দুর্দান্ত। এমনটা দাবি অলরাউন্ডার শেখ মেহেদীরও।

আজ (২৬ জুলাই) রাতে জিম্বাবুয়ের উদ্দেশে যাওয়ার আগে দুপুরে মিরপুরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘গতবার আমরা বিশ্বকাপের আগে সিরিজ খেলে বড় বড় দলকে হারিয়েছিলাম। এবার জিম্বাবুয়ে থেকে শুরু করার সুযোগ আছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে শুরু করেছিলাম কিন্তু এই সিরিজ এত ভালো হয়নি।’

‘জিম্বাবুয়ে সফর, এশিয়া কাপ, ত্রিদেশীয় সিরিজ আছে। বড় দলের বিপক্ষে ভালো উইকেটে খেলা। গত বিশ্বকাপের আগে আমরা হোমে খেলে গিয়েছিলাম। টি-টোয়েন্টি খেলতে মোমেন্টামের প্রয়োজন। এই মোমেন্টাম নিজেদেরই তৈরি করতে হবে। যত বেশি বাইরে সিরিজ খেলা যায় তাতে বোলিং-ব্যাটিং দুটিতেই সহায়তা করবে।’

এই ফরম্যাটে টানা ব্যর্থ বাংলাদেশ এবার সিনিয়রদের বিশ্রাম দিয়েই জিম্বাবুয়ে সফরে যাচ্ছে। এমন একটা দল বিশ্বকাপের পথে কতটা আশাবাদী? মেহেদী বলছেন বোলারর দারুণ করছে, ব্যাটাররা কাজটা সহজ করে দিলে ভালো কিছু সম্ভব।

তার ভাষায়, ‘অবশ্যই (ভালো করা সম্ভব)। সম্ভব না কেন? টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাঁচটা ভালো বোলার লাগে। আলহামদুলিল্লাহ আমাদের দলে বোলার আছে। যে ৭০ শতাংশ সামর্থ্য আছে ব্যাটাররা যদি এটাকে ৯০ শতাংশ করে দিতে পারত, হয়ত ফলাফল আরও পক্ষে আসতো। বিশ্বকাপে বাজে ম্যাচ কম হয়েছে। ক্লোজ ম্যাচ ছিল, ছিটকে গেছি। এখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ থাকে। বোলার সবসময়ই ভালো আছে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

বড় লক্ষ্য দেওয়ার পথে ছুটছে শ্রীলঙ্কা

Read Next

২০২৪ এ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক বাংলাদেশ

Total
6
Share