ক্রিকেটারদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিয়েও কাজ করবেন স্টুয়ার্ট ল

ক্রিকেটারদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিয়েও কাজ করবেন স্টুয়ার্ট ল
Vinkmag ad

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ হিসেবে যোগ দিয়েছেন স্টুয়ার্ট ল। আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন নিজের লক্ষ্য, পরিকল্পনার কথা। এই অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের চাপ সামলে নেওয়ার কৌশল হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত নিয়েও কাজ ক্রুবেন বলে জানান।

টাইগার যুবাদের প্রধান কোচ ল ছাড়াও কোচিং প্যানেলে যুক্ত হয়েছে ভারতীয় সাবেক ব্যাটার ওয়াসিম জাফর। দুজনকে নিয়ে আজ (১৭ জুলাই) মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

বয়সভিত্তিকে ভালো করা ক্রিকেটাররা জাতীয় দলে এসে মাঠের বাইরের ক্রিকেটে বেশি সময় দেন। একটা সময় বেখেয়ালিপনা আর তারকা খ্যাতির চাকচিক্যে নিজেদের আসল কাজ থেকে মনযোগ হারান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বর্তমান রমরমা সময়ে তাদের সক্রিয়তা বেড়েছে আরও। ফলে ভালো খেলার প্রশংসা ও খারাপ খেলার সমালোচনা সম্পর্কে দ্রুতই সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া তাদের নজরে আসে। অনেকে এসব চাপ ভালোভাবে সামলাতেও পারেন না।

সে ক্ষেত্রে যুব দলের প্রধান কোচ হিসেবে ল এই ইস্যুতে কোনো ভূমিকা রাখবেন কীনা? এমন প্রশ্ন করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। জবাবে তিনি বলেন তাদের সুশিক্ষিত করার চেষ্টা থাকবে তার তরফ থেকে। প্রয়োজনে একজন মাইন্ড ট্রেনারও যুক্ত করতে পারেন।

তার ভাষায়, ‘আজকাল তরুণ খেলোয়াড়েরা বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের মাঠের বাইরে অনেক নেতিবাচক বিষয় মোকাবেলা করতে হয়, আমরা যা করতাম তার চেয়ে অনেক বেশি। আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কথা বলতে পারি যেখানে ছেলদের শিক্ষিত করার চেষ্টা করবো। একজন মাইন্ড ট্রেনার নিন যিনি ছেলেদের এই ইস্যুতে শিক্ষা দিবে। আপনি জানেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভালো ও খারাপ দিক আছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনেক বেশি বাড়তি চাপ তৈরি করে।’

এখন লোকজন আপনার ব্যক্তিগত উপস্থিতি নিয়ে কথা বলছে, আপনার গাড়ি, ছুটি কাটানো নিয়েও আগ্রহ দেখায় যেন প্রত্যেকের এটা জানা জরুরী। ক্রিকেটের ক্ষেত্রেও তাই। এখানে অনেক বিশেষজ্ঞ আছেন যারা পেছনে বসে থাকেন এবং তারা শুধু মন্তব্য করছেন। তারা জানেন না মন্তব্য একজন ক্রিকেটারকে কতটা প্রভাবিত করে। সুতরাং এটা এমন একটা জিনিস যেখানে সম্ভবত আমরা বাড়তি নজর দিতে যাচ্ছি। কারণ খেলোয়াড়েরা সবসময় নিজেদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখতে চায়।’

প্রয়োজনে ক্রিকেটারদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে নিষিদ্ধ করা উচিৎ কীনা এই প্রশ্নের জবাবে দিয়েছেন ইতিবাচক ব্যাখ্যা। তার মতে সব কিছুতেই ভালো খারাপ আছে, নিষিদ্ধ না করে বরং ভালোটা নেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহী করাটাই শ্রেয়।

স্টুয়ার্ট ল যোগ করেন, ‘হ্যাঁ আপনি এটা নিষিদ্ধ করতে পারেন। কিন্তু আপনি চাইলে তাদের এই ইস্যুতে শিক্ষাও দিতে পারেন যে কীভাবে যথাযথভাবে ব্যবহার করবে। কীভাবে তারা এর নেতিবাচক দিক সম্পর্কে জানবে। আমি মনে করি এটাই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই সাথে এর যে ইতিবাচক দিকগুলোও আছে সেগুলো সম্পর্কেও তারা জানতে পারবে যদি যথাযথভাবে শিক্ষিত করা যায়। এটা খেলোয়াড়দের উপর নির্ভর করে, তারাই তাদের ব্যাপারগুলো বেছে নিবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

কোহলিকে পেছনে ফেলে বাবর এখন দ্রুততম এশিয়ান

Read Next

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে দূরে থাকতে বলছেন ওয়াসিম জাফর

Total
22
Share