‘গায়ানার উইকেট মিরপুরের চেয়েও খারাপ’

featured photo updated v 11
Vinkmag ad

গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামের উইকেট প্রচলিত ক্যারিবিয়ান ঘরানার নয়। বরং স্পিনারদের জন্য দারুণ সহায়ক। এতোটাই স্পিন বান্ধব যে ঘরের মাঠেও তিন পেসার নিয়ে খেলা বাংলাদেশকে নামতে হচ্ছে দুই পেসার নিয়ে। বল হাতে কাজটা সেরে ফেলছে স্পিনাররাই। দ্বিতীয় ওয়ানডে শেষে অধিনায়ক তামিম ইকবাল বলছেন গায়ানার উইকেট মিরপুরের চেয়েও বাজে।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেট নিয়ে কম সমালোচনা হয় না। দিনের পর দিন খেলেও এখানকার মন্থর ও টার্নিং উইকেট পড়তে কষ্ট হয় বাংলাদেশের ব্যাটারদেরই। অসমান বাউন্স, নিচু হওয়া বলে কখন কোন গতিতে খেলবে সেটা ঠিক করাই কঠিন হয়ে পড়ে।

তবে এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গায়ানায় টানা দুই ওয়ানডে জিতেও তামিম সেখানকার উইকেটকেই বাজে বলছেন। তার চোখে বাজে আচরণের দিক থেকে পিছিয়ে আছে মিরপুরের চেয়েও।

তার মন্তব্যের প্রমাণ মেলে দুই ওয়ানডের দিকে নজর দিলে। প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাট করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৯ উইকেটে তোলে মাত্র ১৪৯ রান। শেষ উইকেট জুটিতে ৩৯ রান যোগ না হলে আরও কমেই থেমে যেত স্বাগতিকরা।

যেখানে টাইগার স্পিনাররা শুরুতেই চেপে ধরেছিল। অভিষিক্ত নাসুম আহমেদ উইকেট না পেলেও ৮ ওভারে ৩ মেডেনে মাত্র ১৬ রান খরচ করেন। মেহেদী হাসান মিরাজ নেন ৩৬ রানে ৩ উইকেট। লক্ষ্য তাড়ায় নেমে বাংলাদেশের হারানো ৪ উইকেটের তিনটিই নেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্পিনাররা।

গতকাল দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে যে কারণে একজন বাড়তি স্পিনার নিয়ে নামে বাংলাদেশ। ১০ ওভারে ৩৭ রান খরচায় ১ উইকেট নিয়ে যৌক্তিকতা প্রমান করেন মোসাদ্দেক হোসেন। তবে আরেক দফা দুর্দান্ত বোলিং করে ৩ উইকেট নাসুমের, ১০ ওভারে খরচ মাত্র ১৯ রান। প্রথম ওয়ানডেতে ম্যাচ সেরা মিরাজের ঝুলিতে ২৯ রানেই ৪ উইকেট। ওয়েস্ট ইন্ডিজ থামে মাত্র ১০৮ রানে।

জবাবে বাংলাদেশ ৯ উইকেটে ম্যাচ জিতেছে। তবে ফিফটি তুলে অপরাজিত থাকা তামিম বলছেন উইকেট কঠিন ছিল। যে কারণে দীর্ঘ বিরতির পর ওয়ানডে খেলতে নামা নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটিং নিয়ে আলাদা করে বাছ-বিচারে যেতে চাননি।

দুই দিনই শান্ত ক্রিজে থিতু হয়ে আউট হয়েছেন। প্রথম ওয়ানডেতে তিন নম্বরে নেমে ৩৭ এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ওপেন করতে নেমে ২০ রান করেন। তার ব্যাটিং নিয়ে বলতে গিয়েই উইকেটের প্রসঙ্গ টানেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

তামিম বলেন, ‘আমার মনে হয় এসব উইকেটে ব্যাটারদের বিচার করা ঠিক না। বলা যায় মিরপুরের চেয়ে বাজে উইকেট। কারণ এই উইকেটে আপনি কখন কোন বলে আউট হয়ে যাবেন আগে থেকে বোঝা কঠিন। এর প্রতিচ্ছবিতো দেখতেই পাচ্ছেন দুই ম্যাচেই, ১০০ আর ১৫০ রানের খেলায়।’

‘সুতরাং এ জায়গায় আমি আসলে কাউকে বিচার করতে চাই না। কিন্তু যতক্ষণ ব্যাটিং করতেছে সে ভালো ব্যাটিং করছিল। আলহামদুলিল্লাহ আমরা (তামিম-শান্ত) ৪৮ রানের দারুণ একটা পার্টনারশিপ করেছি। ৪৮ সংখ্যাটা দেখতে একটু ছোট লাগলেও এই উইকেট বিবেচনায় এটা ১০০ রানের সমতুল্য।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

বেঞ্চের শক্তি পরীক্ষায় নিজেও দুই-এক ম্যাচ বসতে চান তামিম

Read Next

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে মুশফিকের ভবিষ্যৎ নিয়ে জটিলতা কাটছেই না

Total
1
Share