মিরাজ-শরিফুলদের সামনে কোণঠাসা ওয়েস্ট ইন্ডিজ

মিরাজ-শরিফুলদের সামনে কোণঠাসা ওয়েস্ট ইন্ডিজ
Vinkmag ad

টেস্ট সিরিজের ২ ম্যাচেই বড় পরাজয়, টি-টোয়েন্টিতে যে দুই ম্যাচে ফল এসেছে সেই দুই ম্যাচেও পরাজয় সঙ্গী হয়েছে। এমতাবস্থায় টাইগারদের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ঘুরে দাঁড়ানোর মঞ্চ এল ওয়ানডে সিরিজে। গায়ানায় এখন অব্দি বল হাতে কাজটা করে রেখেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, শরিফুল ইসলামরা।

গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেমেছে ৯ উইকেটে ১৪৯ রানে।

ভেজা আউটফিল্ডের কারণে ২ ঘন্টা ১৫ মিনিট বাদে (বাংলাদেশ সময় ৯ টা ৪৫) শুরু হয় খেলা। যেখানে প্রতি ইনিংসের দৈর্ঘ্য কমে আসে ৪১ এ। টসে জিতে আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠান বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

দুই দলের একাদশেই একজন করে অভিষিক্ত, বাংলাদেশের নাসুম আহমেদ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের গুদাকেশ মতি।

ইনিংসের ২য় ও নিজের করা প্রথম ওভারের প্রথম বলেই শাই হোপকে বোল্ড করে ফেরান মুস্তাফিজুর রহমান। অভিষিক্ত নাসুম আহমেদ উইকেট পেতে পারতেন নিজের ২য় ওভারেই। তবে টিভি আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে তা হয়নি, ব্যাটার ছিলেন শামার ব্রুকস।

ধীর লয়ে শুরু করা উইন্ডিজ ২য় উইকেট হারায় ১১.২ ওভারের মাথায়। ২৭ বলে ২ চারে ১০ রান করা কাইল মায়ের্সকে বোল্ড করেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

এদিন টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে কোণঠাসা উইন্ডিজরা উইকেট হারাতে থাকে নিয়মিত। ২১ তম ওভারের ৪র্থ ও ৫ম বলে সাজঘরে ফেরেন ব্রেন্ডন কিং (৮) ও শামার ব্রুকস (৬৬ বলে ৩৩)। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েও অবশ্য শেষমেশ তা হয়নি।

কাইল মায়ের্সের পর উইন্ডিজদের দুই টি-টোয়েন্টি জয়ের নায়ক রভম্যান পাওয়েল (৯) ও নিকোলাস পুরানকেও (১৮) সাজঘরের পথ দেখান মিরাজ। লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন পাওয়েল, পুরানকে বোল্ড করে আনন্দে মাতেন মিরাজ।

দলের রান ১০০ ছোয়ার আগে সাজঘরে ফেরেন আকিল হোসেনও (৩)। আকিল রান আউটে কাটা পড়লে ৭ উইকেটে ৯৬ রানের দলে পরিণত হয় উইন্ডিজরা।

রোমারিও শেফার্ডের ১৬ রানে ১০০ পার করে স্বাগতিকরা। ৩৪ তম ওভারে এসে আবার এক ওভারে ২ শিকার শরিফুলের। শেফার্ডকে আফিফ হোসেনের ক্যাচ বানিয়ে ও গুদাকেশ মতিকে মেহেদী হাসান মিরাজের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান শরিফুল।

বাংলাদেশি ফিল্ডারদের বাদন্যতায় শেষ উইকেট জুটিতে উইন্ডিজদের রান কিছুটা বাড়িয়ে নেন অ্যান্ডারসন ফিলিপ ও জেইডেন সিলস। ৪৫ বলে অপরাজিত ৩৯ রান আসে এই জুটিতে। 

অ্যান্ডারসন ফিলিপ ২২ বলে ২১ ও জেইডেন সিলস ২৩ বলে ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ থামে ৯ উইকেটে ১৪৯ রানে।

শেষ ওভারে ১২ রান হজম করলেও ওয়ানডেতে নিজের ক্যারিয়ার সেরা ফিগারের দেখা পান শরিফুল। ৮ ওভারে ৩৪ রান খরচে ৪ উইকেট নেন তিনি। মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার ৩, মুস্তাফিজুর রহমানের ১।

সংক্ষিপ্ত স্কোর (১ম ইনিংস শেষে):

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৪৯/৯ (৪১), মায়ের্স ১০, হোপ ০, ব্রুকস ৩৩, কিং ৮, পুরান ১৮, পাওয়েল ৯, শেফার্ড ১৫, আকিল ৩, মতি ৭, ফিলিপ ২১*, সিলস ১৬*; মুস্তাফিজ ৮-০-৩৪-১, মিরাজ ৯-২-৩৬-৩, শরিফুল ৮-১-৩৪-৪।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

অসাধ্য সাধন করে আইরিশদের স্বপ্নভঙ্গের কারণ ব্রেসওয়েল

Read Next

সুরিয়ার অমন ইনিংসের পরেও হারল ভারত

Total
1
Share