আপাতত সাকিবের লক্ষ্য ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজ না হারা

২
Vinkmag ad

ঘরে-বাইরে কোথাও বাংলাদেশ টেস্ট দল দিতে পারছে না ইতিবাচক কোনো বার্তা। বিদেশের মাটিতে যেকোনো দলের জন্যই চ্যালেঞ্জিং। তাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হোয়াইট ওয়াশড হওয়ার পর অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলছেন এমন কিছু তার কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল না। টেস্টে উন্নতিতে তার লক্ষ্য অন্তত ঘরের মাঠে দাপট দেখানো।

সেন্ট লুসিয়া টেস্টে ১০ উইকেটে হারের মাধ্যমে ১০০তম পরাজয় নিশ্চিত হল টাইগারদের। মাত্র ১৩৪ টেস্ট ম্যাচেই পরাজয়ের সেঞ্চুরি করে বসলো বাংলাদেশ।

২২ বছর ধরে টেস্ট খেলে জিততে পেরেছে মাত্র ১৮ টি টেস্ট। গত দুই বছরে পারফরম্যান্স আরও নাজুক। বিদেশের মাটিতে নিয়মিত বাজেভাবে হার সঙ্গী হয়েছে। নিউজিল্যান্ডে ঐতিহাসিক মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্ট জয় অবশ্য ব্যতিক্রম।

এই সময়ে ঘরের মাঠে চিত্রটা আরও করুণ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের খর্ব শক্তির দলের বিপক্ষে হোয়াইট ওয়াশড, পাকিস্তানের বিপক্ষেও একই পরিণতি। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অবশ্য চট্টগ্রাম টেস্ট ড্র করা গেছে। তবে ঢাকা টেস্টে হেরে সিরিজ খোয়াতে হয়েছে।

বিশ্বের বড় বড় দলগুলো প্রতিপক্ষের মাঠে গিয়ে খাবি খাচ্ছে। কিন্তু নিজেদের মাঠে ঠিকই দাপট দেখাচ্ছে। টাইগার কাপ্তান সাকিবও সে জায়গায় উন্নতি করতে চান। ঘরের মাঠে সিরিজ না হারাকে করছেন লক্ষ্য।

সেন্ট লুসিয়া টেস্ট হারের পর সংবাদ মাধ্যমে তিনি বলেন, ‘একটা জিনিস নিশ্চিত করতে হবে, আমরা যেন ঘরের মাঠে না হারি। হয় আমরাও ড্র করব, না হলে জিতব। এই উন্নতিটা যদি হয়, আমাদের হয়তো অনেক দূরে নিয়ে যাবে বাইরের পারফরম্যান্স গুলো। নাও যেতে পারি, কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেটটা খেলব এটা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জন্য।’

‘সেজন্য আমাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ যে দেশের সিরিজগুলোতে খুব ভালো করে খেলি, আমরা নিশ্চিত করি। হারবো না বলাটা নেতিবাচক শোনাই কিন্তু, আমরা যেন জিতি, না জিতলেই সিরিজটা যেন ড্র ছাড়া অন্য কোনো ফলাফল না হয়।’

দেশের বাইরে ভালো করা চ্যালেঞ্জিং সে বাস্তবতা তুলে ধরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের উন্নতিতে সবার ভাবনা এক হওয়া উচিত মনে করেন সাকিব। আর সেটা হলে দেড় বছরের মধ্যে নিয়মিত ফল পাওয়া যাবে বলেও বিশ্বাস তার।

সাকিবের ভাষায়, ‘সবাই মিলে বসে চিন্তা ভাবনা করে আমরা যদি আগাই, তো আমার ধারনা এক-দেড় বছর সময় পেলে ভালো রেজাল্ট নিয়মিত করা সম্ভব। আমি বলব না যে টেস্ট ম্যাচ জিততেই হবে কারণ যখন কোন দেশ অ্যাওয়ে ট্যুরগুলো করে সবাই আন্ডারডগ থাকে।’

‘এখন নিউজিল্যান্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়ন, ওরাও যখন বাইরে সিরিজগুলো খেলতে আসে হেরে যায়। ইংল্যান্ডে যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ আসছে হেরে যাচ্ছে, অস্ট্রেলিয়া যখন অন্য দেশে যাচ্ছে হেরে যাচ্ছে। ভারত যখন অন্য দেশে যায় তখন তারাও, আবার ভারতে যখন কেউ আসে তারাও হেরে যায়।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

ত্রিদেশীয় সিরিজের দিনক্ষণ চূড়ান্ত

Read Next

বাংলাদেশে কয়জন টেস্ট দেখে প্রশ্ন সাকিবের

Total
22
Share