সোহানের ইনিংস থেকে শেখার আছে বলছেন সাকিব

লাইভ রিপোর্টঃ ২৪৫ এ গুটিয়ে গেল বাংলাদেশ
Vinkmag ad

ব্যাটিং ব্যর্থতা থেকে বেরই হতে পারছে না বাংলাদেশ। অধিনায়ক হিসেবে সাকিব আল হাসানের প্রত্যাবর্তনে অ্যান্টিগা টেস্ট হারতে হয়েছে ৭ উইকেটে। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে নুরুল হাসান সোহানের সাথে শতরানের জুটি গড়েন দুই ইনিংসেই ফিফটি হাঁকানো সাকিব। ম্যাচ শেষে সোহানের ইনিংস থেকে বাকিদের শেখার পরামর্শ টাইগার দলপতির।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করতে পেরেছে কেবল ১০৩ রান। সাকিবের ৫১ রানের সাথে তামিম ইকবালের ২৯ রানে মান বাঁচে। দলের ৬ ব্যাটারই যে ফিরেছে কোনো রান না করে। এক ইনিংসে শূন্যের রেকর্ডে যা আছে সবার উপরে।

জবাবে প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২৬৫ রান। ১৬২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা বাংলাদেশ থামে ২৪৫ রানে। এ দফায়ও ১০৯ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর ত্রানকর্তা সাকিব, এবার অবশ্য সঙ্গী হিসেবে পান সোহানকে।

১২৩ রানের জুটিতে ইনিংস পরাজয়ের শঙ্কা কাটিয়ে ক্যারিবিয়ানদের জন্য ৮৪ রানের লক্ষ্যও দেওয়া গেছে। যেখানে সাকিব ৬৩ ও সোহান করেছেন ৬৪ রান।

সোহানের জন্য ম্যাচটি এমনিতেই ছিল চাপের। একাদশে জায়গা অনিশ্চিত থাকলেও ইয়াসির আলি রাব্বির চোটে কপাল খোলে। প্রথম ইনিংসে খালি হাতে ফিরে নিজের উপর চাপটা নিশ্চিতভাবে আরও বাড়িয়েছেন এই উইকেট রক্ষক ব্যাটার।

কিন্তু দলের প্রয়োজনে দ্বিতীয় ইনিংসে যেভাবে দাঁড়িয়ে গেলেন তা মুগ্ধ করেছে অধিনায়ক সাকিবকেও। ২০১৮ সালে এই মাঠেই পান ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট ফিফটি, গতকাল তুলে নিলেন দ্বিতীয় ফিফটি। ১৪৭ বলে ১১ চারে সাজান দলের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৬৪ রানের ইনিংসটি।

ম্যাচ শেষে সোহানের ইনিংসটির প্রশংসা করে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সাকিব বলেন, ‘এই ইনিংস থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। নুরুল সত্যিই ভালো খেলেছে। সে চাপে ছিল। বলব না তার ওপর কোনো চাপ ছিল না। সে যেভাবে সেই চাপ সামলেছে, তাতে নিজের সামর্থ্যের পরিচয় দিয়েছে। অন্য ব্যাটারদের ওর মত চ্যালেঞ্জ নেওয়া উচিৎ। এই মানসিকতা নিয়ে পরের ম্যাচে ভালো খেলতে হবে।’

ব্যাটারদের ব্যর্থতার ম্যাচে টাইগার বোলাররা ছিল দুর্দান্ত। প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহের দিকে হাঁটা ক্যারিবিয়ানদের থামানো গেছে ২৬৫ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসেও ৮৪ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে। যদিও শেষ পর্যন্ত পায় প্রত্যাশিত জয়।

বোলারদের নিয়ে সন্তুষ্ট সাকিব বলেন, ‘বোলিং নিয়ে আমার কোনো অসন্তোষ নেই। প্রত্যেক বোলার নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েছে। প্রতিদিন মাঠে এসে নিজেদের সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করেছে। তাই বোলিং নিয়ে কোনো অভিযোগ করব না। ব্যাটিংই আমাদের পিছিয়ে দিয়েছে। আশা করি পরের ম্যাচে ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়াব।’

অধিনায়কত্বের প্রত্যাবর্তনে জোড়া ফিফটি সাকিবের। নিজের সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে ইতিবাচক মানসিকতাকে কারণ হিসেবে দেখালেন টাইগার দলপতি।

সাকিব যোগ করেন, ‘নিজের ব্যাটিং নিয়ে আমি ইতিবাচক ছিলাম। সহজভাবে ভাবছিলাম- মারার বল পেলে মারব নাহয় ঠেকাব। সবসময় গেমপ্ল্যান এমন সাধারণ রাখি। এভাবেই সফল হয়েছি। আমি এটা পরিবর্তনও করব না!’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

অধিনায়কত্বের সাথে কোচিংও করাতে হলে তো সমস্যা: সাকিব

Read Next

সেন্ট লুসিয়ায় পৌঁছে সিদ্ধান্ত হবে মুমিনুলের বিশ্রাম নিয়ে

Total
14
Share